
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে তাকে সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নৃশংসতার জন্য দায়ী করেছেন। ৫ আগস্ট দেশ ছাড়ার পর নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে অনলাইনে জনসম্মুখে প্রথম ভাষণ দেওয়ার সময় শেখ হাসিনা মন্দির, গির্জা এবং ইসকনসহ ধর্মীয় স্থানে হামলার জন্য ইউনূসকে দায়ী করেন।
ছাত্র বিক্ষোভ তীব্র হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ আমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বাস্তবে, মুহাম্মদ ইউনূসই ছাত্র সমন্বয়কদের সাথে একটি সূক্ষ্ম পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। তারাই মাস্টারমাইন্ড’।
তিনি বলেন, এমনকি তারেক রহমান (বিএনপি নেতা ও খালেদা জিয়ার ছেলে) লন্ডন থেকে বলেছেন, মৃত্যু অব্যাহত থাকলে সরকার টিকবে না।
শেখ হাসিনা দাবি করেন, তার বাবা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই তাকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল। বাংলাদেশের সাবেক এ নেতা বলেন যে, তিনি তার দেশ ছেড়েছেন কারণ তিনি ‘গণহত্যা’ চান না।
তিনি তার দলের সদস্যদের বলেন, ‘আমাদের জাতির পিতাকে ১৫ আগস্ট (১৯৭৫) হত্যার মতোই হত্যার পরিকল্পনা ছিল। এটা ছিল ২৫-৩০ মিনিটের ব্যাপার। কিন্তু আমি আমার নিরাপত্তা বাহিনীকে বলেছিলাম গুলি না চালাতে’।
‘আমি গণহত্যা চাইনি। ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চাইলে গণহত্যা হতো। যখন নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা হচ্ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমার চলে যাওয়া উচিত। আমার নিরাপত্তাকর্মীরা যদি গুলি চালাত, তাহলে গণভবনে অনেকেই মারা যেত। আমি এটা চাইনি’, বলেন হাসিনা। সূত্র : এনডিটিভি

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে তাকে সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নৃশংসতার জন্য দায়ী করেছেন। ৫ আগস্ট দেশ ছাড়ার পর নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে অনলাইনে জনসম্মুখে প্রথম ভাষণ দেওয়ার সময় শেখ হাসিনা মন্দির, গির্জা এবং ইসকনসহ ধর্মীয় স্থানে হামলার জন্য ইউনূসকে দায়ী করেন।
ছাত্র বিক্ষোভ তীব্র হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ আমার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বাস্তবে, মুহাম্মদ ইউনূসই ছাত্র সমন্বয়কদের সাথে একটি সূক্ষ্ম পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। তারাই মাস্টারমাইন্ড’।
তিনি বলেন, এমনকি তারেক রহমান (বিএনপি নেতা ও খালেদা জিয়ার ছেলে) লন্ডন থেকে বলেছেন, মৃত্যু অব্যাহত থাকলে সরকার টিকবে না।
শেখ হাসিনা দাবি করেন, তার বাবা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই তাকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল। বাংলাদেশের সাবেক এ নেতা বলেন যে, তিনি তার দেশ ছেড়েছেন কারণ তিনি ‘গণহত্যা’ চান না।
তিনি তার দলের সদস্যদের বলেন, ‘আমাদের জাতির পিতাকে ১৫ আগস্ট (১৯৭৫) হত্যার মতোই হত্যার পরিকল্পনা ছিল। এটা ছিল ২৫-৩০ মিনিটের ব্যাপার। কিন্তু আমি আমার নিরাপত্তা বাহিনীকে বলেছিলাম গুলি না চালাতে’।
‘আমি গণহত্যা চাইনি। ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চাইলে গণহত্যা হতো। যখন নির্বিচারে মানুষ হত্যা করা হচ্ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমার চলে যাওয়া উচিত। আমার নিরাপত্তাকর্মীরা যদি গুলি চালাত, তাহলে গণভবনে অনেকেই মারা যেত। আমি এটা চাইনি’, বলেন হাসিনা। সূত্র : এনডিটিভি

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় বিএনপি ও দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমন-পীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষক দল প্রত্যক্ষ করেনি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।
১২ ঘণ্টা আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
১৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে যেকোনো নির্বাচনি বিরোধ আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
১৪ ঘণ্টা আগে