
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কারণে সোয়া বছর ধরে বন্ধ থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মিয়ানমার।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে দেশটির রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে এ আগ্রহের কথা জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত কিয়াও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। প্রয়োজনে প্রাথমিকভাবে সীমিত বা অস্থায়ী পরিসরে বাণিজ্য শুরু করার প্রস্তাবও দেন তিনি। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে সামগ্রিক বাণিজ্য বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের প্রায় ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। নাফ নদীর মিয়ানমার অংশও তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর পণ্যবাহী জাহাজ থেকে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালের এপ্রিলে জান্তা সরকার কার্যত সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করে। এতে শতাধিক আমদানি-রপ্তানিকারক ক্ষতির মুখে পড়েন।
বর্তমানে ইয়াঙ্গুন থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও রাখাইন থেকে সীমিত পরিসরে কাঠ আমদানি হচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে কোমল পানীয়, বিস্কুটসহ কিছু ভোগ্যপণ্য রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কারণে বাণিজ্য এখনো সীমিত।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নৌপরিবহন, এলএনজি আমদানি, পারস্পরিক বিনিয়োগ, কৃষিপণ্য, মৎস্য, চাল, ওষুধ ও হিমায়িত খাদ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ ও বিজনেস-টু-বিজনেস কার্যক্রম জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্ত যোগাযোগ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিষয়গুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উঠে আসে। রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে জানান, প্রত্যাবাসনের জন্য পাওয়া তালিকা যাচাই চলছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। জবাবে বাংলাদেশ দ্রুত প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং দৃশ্যমান অগ্রগতির দাবি জানায়।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যৌথ কমিটির বৈঠক আয়োজন এবং সরাসরি নৌ ও শিপিং যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কারণে সোয়া বছর ধরে বন্ধ থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মিয়ানমার।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে দেশটির রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে এ আগ্রহের কথা জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত কিয়াও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। প্রয়োজনে প্রাথমিকভাবে সীমিত বা অস্থায়ী পরিসরে বাণিজ্য শুরু করার প্রস্তাবও দেন তিনি। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে সামগ্রিক বাণিজ্য বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের প্রায় ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। নাফ নদীর মিয়ানমার অংশও তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর পণ্যবাহী জাহাজ থেকে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালের এপ্রিলে জান্তা সরকার কার্যত সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করে। এতে শতাধিক আমদানি-রপ্তানিকারক ক্ষতির মুখে পড়েন।
বর্তমানে ইয়াঙ্গুন থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও রাখাইন থেকে সীমিত পরিসরে কাঠ আমদানি হচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে কোমল পানীয়, বিস্কুটসহ কিছু ভোগ্যপণ্য রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কারণে বাণিজ্য এখনো সীমিত।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নৌপরিবহন, এলএনজি আমদানি, পারস্পরিক বিনিয়োগ, কৃষিপণ্য, মৎস্য, চাল, ওষুধ ও হিমায়িত খাদ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ ও বিজনেস-টু-বিজনেস কার্যক্রম জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্ত যোগাযোগ ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিষয়গুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উঠে আসে। রাষ্ট্রদূত কিয়াও সো ময়ে জানান, প্রত্যাবাসনের জন্য পাওয়া তালিকা যাচাই চলছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। জবাবে বাংলাদেশ দ্রুত প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং দৃশ্যমান অগ্রগতির দাবি জানায়।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যৌথ কমিটির বৈঠক আয়োজন এবং সরাসরি নৌ ও শিপিং যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এই সফর।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, ফটিকছড়ি থানার জামাল হত্যা মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রোববার সকাল ১১টার দিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সড়কের বিপরীত পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে।
৫ ঘণ্টা আগে
নিহত ফিরোজা বেগমের স্বামী মো. ফারুক হোসেন জানান, সকালে তিনি ফোনে খবর পান কাঁঠালবাগানে তার বাসায় মেয়ের জামাই শিপনের সঙ্গে মেয়ে ও শাশুড়ির ঝগড়া হচ্ছে। খবর পেয়ে তিনি বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল ৯টার দিকে বাসায় পৌঁছে তিনি দেখেন, ঘরের ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় ফারজানার মরদেহ পড়ে আছে এবং ফিরোজা বেগম
৬ ঘণ্টা আগে