
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিপুল প্রত্যাশা আর নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পথচলা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন বসার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী গেজেট প্রকাশ ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
যদিও সংসদ সচিবালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ জারি করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহেই বসতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সংসদীয় অধিবেশন।
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর উপধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে ১৪ মার্চের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে হবে। সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন ১৭ ফেব্রুয়ারি।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন হলেও পুরোনো সংসদের মেয়াদ শেষে নতুন সংসদের অধিবেশন বসে। বিগত তিনটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেটি দেখা গেছে। দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৩০ জানুয়ারি। কারণ, একাদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি। এবার সংসদ না থাকায় অধিবেশন শুরু করতে বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।
সংসদ সচিবালয় সূত্র বলেছে, প্রথম অধিবেশন বসা নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ২৫ কিংবা ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার সিদ্ধান্ত হয়।
বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অধিবেশন বসার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।’ ২৬ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন বসা নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো শুনিনি। তবে শপথ গ্রহণের এক মাসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

বিপুল প্রত্যাশা আর নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পথচলা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন বসার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী গেজেট প্রকাশ ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
যদিও সংসদ সচিবালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ জারি করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহেই বসতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সংসদীয় অধিবেশন।
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর উপধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে ১৪ মার্চের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে হবে। সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন ১৭ ফেব্রুয়ারি।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন হলেও পুরোনো সংসদের মেয়াদ শেষে নতুন সংসদের অধিবেশন বসে। বিগত তিনটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেটি দেখা গেছে। দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৩০ জানুয়ারি। কারণ, একাদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি। এবার সংসদ না থাকায় অধিবেশন শুরু করতে বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।
সংসদ সচিবালয় সূত্র বলেছে, প্রথম অধিবেশন বসা নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ২৫ কিংবা ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার সিদ্ধান্ত হয়।
বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অধিবেশন বসার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।’ ২৬ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন বসা নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো শুনিনি। তবে শপথ গ্রহণের এক মাসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে, দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র্যাবের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড এবং সিসিটিভি নজরদারির মাধ্যমে পুরো এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মন্ত্রী জানান, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
৫ ঘণ্টা আগে
বরাবরের মতোই এবারও ইফতার ও সেহরির জন্য অপরিহার্য প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই গত কয়েক দিনের ব্যবধানে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— সদ্য দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকার কি এই বেসামাল বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?
৫ ঘণ্টা আগে