
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরেক ‘শুটার’কে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে নরসিংদী থেকে রহিম নামে ওই শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের টিম অপারেশনে রয়েছে। আমরা অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি ডিবির পক্ষ থেকে ‘শুটার’ জিন্নাতসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়েছিল। তখন পর্যন্ত ‘শুটার’ রহিম পলাতক ছিলেন।
গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ায় হোটেল সুপার স্টারের পাশের গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা আততায়ীরা। মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদও এ সময় গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মুছাব্বির একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন। মাসুদ তেজগাঁও থানার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক।
এ ঘটনায় মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ৮ জানুয়ারি অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন। একদিন পর ১০ জানুয়ারি ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই ‘শুটারের’ একজন জিন্নাত, ‘মূল সমন্বয়কারী’ মো. বিল্লাল, ঘটনার পর আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির ও ঘটনার আগের দিন ঘটনাস্থল ‘রেকি’ করা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ডিবি।
গত ১২ জানুয়ারি জিন্নাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই দিন দুই ভাই বিল্লাল ও আব্দুল কাদিরের সঙ্গে রিয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। সে রিমান্ড শেষে বিল্লালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
আসামি বিল্লালকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠান আদালত। এ দিন রাতেই নরসিংদীতে অভিযানে গিয়ে আরেক শুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করল ডিবি।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরেক ‘শুটার’কে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে নরসিংদী থেকে রহিম নামে ওই শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের টিম অপারেশনে রয়েছে। আমরা অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি ডিবির পক্ষ থেকে ‘শুটার’ জিন্নাতসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়েছিল। তখন পর্যন্ত ‘শুটার’ রহিম পলাতক ছিলেন।
গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ায় হোটেল সুপার স্টারের পাশের গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা আততায়ীরা। মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদও এ সময় গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মুছাব্বির একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন। মাসুদ তেজগাঁও থানার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক।
এ ঘটনায় মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ৮ জানুয়ারি অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন। একদিন পর ১০ জানুয়ারি ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই ‘শুটারের’ একজন জিন্নাত, ‘মূল সমন্বয়কারী’ মো. বিল্লাল, ঘটনার পর আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির ও ঘটনার আগের দিন ঘটনাস্থল ‘রেকি’ করা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ডিবি।
গত ১২ জানুয়ারি জিন্নাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই দিন দুই ভাই বিল্লাল ও আব্দুল কাদিরের সঙ্গে রিয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। সে রিমান্ড শেষে বিল্লালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
আসামি বিল্লালকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠান আদালত। এ দিন রাতেই নরসিংদীতে অভিযানে গিয়ে আরেক শুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করল ডিবি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।
৭ ঘণ্টা আগে
এসময় তিনি ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত অর্জন ধরে রাখতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
এসময় মাজারে হামলাকে ‘জঘন্য ও নিন্দনীয়’ কাজ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত মাজার সংস্কারে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
৯ ঘণ্টা আগে