
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন রাজধানীর চানখারপুলে ছয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ হচ্ছে না। রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত জানান। এ সময় ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার বলেন, ‘আমরা দুঃখিত। রায় প্রস্তুত হয়নি। আগামী ২৬ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।’
এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় গত ২৪ ডিসেম্বর। ওই দিন ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, ২০ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
তবে আজ এ মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হলো।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া চার আসামি হলেন— শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
এ ছাড়া আসামিদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন— সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
গত বছরের ১৪ জুলাই চানখারপুলের মামলাটির পলাতক চার আসামিসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে বহু হতাহতের ঘটনার পাশাপাশি শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন রাজধানীর চানখারপুলে ছয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ হচ্ছে না। রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত জানান। এ সময় ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার বলেন, ‘আমরা দুঃখিত। রায় প্রস্তুত হয়নি। আগামী ২৬ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।’
এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় গত ২৪ ডিসেম্বর। ওই দিন ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, ২০ জানুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
তবে আজ এ মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হলো।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া চার আসামি হলেন— শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
এ ছাড়া আসামিদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন— সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
গত বছরের ১৪ জুলাই চানখারপুলের মামলাটির পলাতক চার আসামিসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে বহু হতাহতের ঘটনার পাশাপাশি শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯৮ জন প্রবাসীর ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট গেছে। তবে সঠিক ঠিকানা না দেওয়ায় বা ভোটারকে ঠিকানায় না পাওয়ার কারণে ৫ হাজার ১২৬টি ব্যালট দেশে ফেরত এসেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত একদিনের অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি সারাদেশ থেকে ১৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৯ রাউন্ড গুলি, ৬ রাউন্ড কার্তুজ ও ৯ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে