
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের সরবরাহে ঘাটতির মুখে দেড় মাসের মাথায় ফের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার। এবার প্রতি লিটার অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ টাকা করে। তবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ডিজেলের দাম।
রোববার (৩১ মে) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি লিটার কেরোসিনের নতুন দাম ১৩৫ টাকা, অকটেনের ১৪৫ টাকা ও পেট্রোলের ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত থাকছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, জুন মাসে নতুন এই দামে বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। এ দর কার্যকর হবে আজ সোমবার (১ জুন) থেকে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। ফলে এ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবেই জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।
ওই সময় মার্চের শুরু থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। অপরিশোধিত তেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল ৬৫ মার্কিন ডলার, যা মার্চ-এপ্রিলে ১০০ থেকে ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
হরমুজ প্রণালি বন্ধের জের ধরে জ্বালানি সরবরাহ এলোমেলো হয়ে পড়লে চাপ তৈরি হয় বাংলাদেশেও। ফুয়েল স্টেশনগুলোতে দেখা দেয় যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তেলের জন্য সারা রাত থেকে শুরু করে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষার ঘটনাও ঘটতে। জ্বালানি মজুতের ঘটনা ঘটে অনেক এলাকায়৷
সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হয়, জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত গত ১৮ এপ্রিল চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায় সরকার।
ওই সময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা ও প্রতি লিটার কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
সরকারের এ ঘোষণার পর অবশ্য জ্বালানি সংকটের চিত্র খুব একটা দৃশ্যমান হয়নি। ফুয়েল স্টেশনগুলোতে কমে আসে যানবাহনের সারি। স্টেশনগুলোকেও সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়নি। জ্বালানি তেল পরিস্থিতি বলতে গেলে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
১৮ এপ্রিল দাম বাড়ানোর দুই সপ্তাহের মাথায় ৩০ এপ্রিল সরকার আবার তেলের দর নির্ধারণ করে। তবে ওই সময় মে মাসের জন্য আগের বর্ধিত দামই বহাল রাখা হয়। মে মাসের শেষ দিনে এবার নির্ধারণ করা হলো জুন মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম, যেখানে ডিজেল ছাড়া বাকি তিন ধরনের জ্বালানির দামই বাড়ানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে সরকার ভোক্তাপর্যায়ে এই বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের সরবরাহে ঘাটতির মুখে দেড় মাসের মাথায় ফের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার। এবার প্রতি লিটার অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ টাকা করে। তবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ডিজেলের দাম।
রোববার (৩১ মে) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি লিটার কেরোসিনের নতুন দাম ১৩৫ টাকা, অকটেনের ১৪৫ টাকা ও পেট্রোলের ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত থাকছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, জুন মাসে নতুন এই দামে বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। এ দর কার্যকর হবে আজ সোমবার (১ জুন) থেকে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করলে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। ফলে এ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবেই জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।
ওই সময় মার্চের শুরু থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। অপরিশোধিত তেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল ৬৫ মার্কিন ডলার, যা মার্চ-এপ্রিলে ১০০ থেকে ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
হরমুজ প্রণালি বন্ধের জের ধরে জ্বালানি সরবরাহ এলোমেলো হয়ে পড়লে চাপ তৈরি হয় বাংলাদেশেও। ফুয়েল স্টেশনগুলোতে দেখা দেয় যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তেলের জন্য সারা রাত থেকে শুরু করে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষার ঘটনাও ঘটতে। জ্বালানি মজুতের ঘটনা ঘটে অনেক এলাকায়৷
সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হয়, জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত গত ১৮ এপ্রিল চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায় সরকার।
ওই সময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা ও প্রতি লিটার কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
সরকারের এ ঘোষণার পর অবশ্য জ্বালানি সংকটের চিত্র খুব একটা দৃশ্যমান হয়নি। ফুয়েল স্টেশনগুলোতে কমে আসে যানবাহনের সারি। স্টেশনগুলোকেও সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়নি। জ্বালানি তেল পরিস্থিতি বলতে গেলে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
১৮ এপ্রিল দাম বাড়ানোর দুই সপ্তাহের মাথায় ৩০ এপ্রিল সরকার আবার তেলের দর নির্ধারণ করে। তবে ওই সময় মে মাসের জন্য আগের বর্ধিত দামই বহাল রাখা হয়। মে মাসের শেষ দিনে এবার নির্ধারণ করা হলো জুন মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম, যেখানে ডিজেল ছাড়া বাকি তিন ধরনের জ্বালানির দামই বাড়ানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে সরকার ভোক্তাপর্যায়ে এই বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে, এ অবস্থায় সোমবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ২৬ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকায় এবং ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ২৫ শতাংশের কম এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে
১৩ ঘণ্টা আগে
নৌযানের কারণে মানুষের কোনো ভোগান্তি মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেছেন, আমরা নৌ শুমারির মাধ্যমে চিহ্নিত করছি নৌযানের সংখ্যা। নৌযানের ক্যাপাসিটির ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই কার্যক্রম শেষ হলে অবৈধ নৌযান আর থাকবে না
১৩ ঘণ্টা আগে
নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার এক দশক পর, বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে বসবাস করছে। জীবিকার সুযোগ সীমিত থাকায়, তাদের অধিকাংশ পরিবারই মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। রবিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে