
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ করার এক মাসের মাথায় পদত্যাগ করেছে কাজী হাবীবুল আউয়াল নেত্বর্তাধীন নির্বাচন কমিশন। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানের এই শূন্যতা পূরণে হতে পারে সার্চ কমিটি। যে কমিটির সুপারিশে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে নির্বাচন কমিশন।
এক্ষেত্র পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সার্চ কমিটির কাছে সব রাজনৈতিক দল তাদের সুপারিশ পাঠাবে। সেগুলো বিচার বিবেচনা করে করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে। রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। তবে এবার নির্বাচন কমিশন নিয়োগের ধারা ভিন্নতা আসতে পারে।
সরকার পদত্যাগের নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। সরকার এই দাবির সাথে একমত ঘোষণা দিয়েছে সংস্কার হবে নির্বাচন কমিশন। ফলে এবার কোন প্রক্রিয়ায় হবে নির্বাচন কমিশন তা নিয়ে আরও সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ এর গেজেট অনুযায়ী সার্চ কমিটি (অনুসন্ধান কমিটি) গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি।
আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি যেভাবে গঠিত হবে
আপিল বিভাগের একজন বিচারকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি হবে। যোগ্যতা বিবেচনা করে তারা ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবেন। তাদের মধ্য থেকে ৫ জনকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন নতুন নির্বাচন কমিশন।
রাষ্ট্রপতি ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করবেন, যার সভাপতি হবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। এ দুই বিশিষ্ট নাগরিকের মধ্যে একজন হবেন নারী।
তিন সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটির সভার কোরাম হবে। এ কমিটির কাজে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সার্চ কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্য সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাকি চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিবেন।

শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ করার এক মাসের মাথায় পদত্যাগ করেছে কাজী হাবীবুল আউয়াল নেত্বর্তাধীন নির্বাচন কমিশন। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানের এই শূন্যতা পূরণে হতে পারে সার্চ কমিটি। যে কমিটির সুপারিশে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে নির্বাচন কমিশন।
এক্ষেত্র পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সার্চ কমিটির কাছে সব রাজনৈতিক দল তাদের সুপারিশ পাঠাবে। সেগুলো বিচার বিবেচনা করে করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে। রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। তবে এবার নির্বাচন কমিশন নিয়োগের ধারা ভিন্নতা আসতে পারে।
সরকার পদত্যাগের নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। সরকার এই দাবির সাথে একমত ঘোষণা দিয়েছে সংস্কার হবে নির্বাচন কমিশন। ফলে এবার কোন প্রক্রিয়ায় হবে নির্বাচন কমিশন তা নিয়ে আরও সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ এর গেজেট অনুযায়ী সার্চ কমিটি (অনুসন্ধান কমিটি) গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি।
আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি যেভাবে গঠিত হবে
আপিল বিভাগের একজন বিচারকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি হবে। যোগ্যতা বিবেচনা করে তারা ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবেন। তাদের মধ্য থেকে ৫ জনকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন নতুন নির্বাচন কমিশন।
রাষ্ট্রপতি ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করবেন, যার সভাপতি হবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। এ দুই বিশিষ্ট নাগরিকের মধ্যে একজন হবেন নারী।
তিন সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটির সভার কোরাম হবে। এ কমিটির কাজে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সার্চ কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্য সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হবে। রাষ্ট্রপতি পরবর্তীতে একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাকি চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। বিশেষ প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার জেদ্দায় ওআইসি সাধারণ সচিবালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ওপেন-এন্ডেড এক্সিকিউটিভ কমিটির জরুরি বৈঠক আয়োজন করছে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই জাতীয় সনদ বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানির তারিখ আগামী ১ মার্চ ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
৬ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ট্যারিফ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের কাছে নতুন করে কোনো চিঠি আসেনি। তবে শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি পর্যালোচনা করে সরকারের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
৭ ঘণ্টা আগে