
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে সুলতানি ও মোঘল আমলের রীতি অনুযায়ী আনন্দ মিছিল হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এই মিছিলে অংশ নিতে নগরবাসীকে ‘আমন্ত্রণ’ জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা। ঈদ আয়োজন যেন ব্যক্তি বা পরিবারের গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে সামাজিকতায় রূপান্তর করা যায়, সেই ভাবনা থেকেই ঈদের আনন্দ মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঈদকে আমরা নতুনভাবে উদ্যাপন করতে চাই। যতই দিন যাচ্ছে, ঈদ আয়োজন সামষ্টিকতা থেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয়োজনে পরিণত হচ্ছে। ঈদের দিনে দেখা যায়, আমাদের বর্তমান জেনারেশনের অনেকে টিভি দেখে বা ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছি। এ জন্য উত্তর সিটির উদ্যোগে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ঈদ উদ্যাপন করছি।
ঈদ আয়োজনে প্রাচীন ঐতিহ্যের সংমিশ্রণের কথা জানিয়ে আসিফ বলেন, গ্রামে ঈদগাহের পাশে যেমন ছোট করে মেলা থাকে, ঠিক তেমনি মেলার আয়োজন থাকবে সেখানে। শিশু-কিশোররা মেলায় অংশ নিতে পারবে। একইসঙ্গে পুরাতন ঐতিহ্য সুলতান আমল ও আঠারো শ শতাব্দীর সময়ে ঈদের নামাজের পরে ঈদের মিছিল হতো। এই ঐতিহ্যটিকে আমরা আবার ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।
সবশেষে ঈদের দিন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ। এই আয়োজনে উপদেষ্টা নগরবাসীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা একসঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি। ঈদের মিছিলে অংশগ্রহণ করি।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এই ময়দানে মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও উত্তর ঢাকার লোকজন আসতে পারেন না। তাই উত্তর সিটির উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানে ঈদের আনন্দ মিছিল ও ঈদ মেলায় দক্ষিণ সিটির লোকজনও নামাজ শেষে অংশ নিতে পারবেন।
ভবিষ্যতে এই আয়োজন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। বলেন, এ বছর সময় স্বল্পতার কারণে শুধু রাজধানী ছাড়া সারা দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করতে পারছি না। আমাদের আহ্বান থাকবে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কেউ যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়োজন করতে চায় তবে সরকারের সব প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগিতা করবে। তবে আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে একটি জাতীয় প্রোগ্রামের মতো করে সারা দেশেই এটি আয়োজন করতে চাই।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাশক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণে সকাল ৮টায় একটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাঠটি যেহেতু অনেক বড় তাই একসঙ্গে কয়েক লাখ মানুষ সেখানে ঈদের নামাজে অংশ নিতে পারবেন। ঈদের মাঠে নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। আর ঈদের আনন্দ মিছিলকে ঐতিহ্যবাহী করতে সেখানে হাতি, ঘোড়ার সঙ্গে ব্যন্ডপার্টির অংশগ্রহণ থাকবে।

ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে সুলতানি ও মোঘল আমলের রীতি অনুযায়ী আনন্দ মিছিল হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এই মিছিলে অংশ নিতে নগরবাসীকে ‘আমন্ত্রণ’ জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা। ঈদ আয়োজন যেন ব্যক্তি বা পরিবারের গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে সামাজিকতায় রূপান্তর করা যায়, সেই ভাবনা থেকেই ঈদের আনন্দ মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঈদকে আমরা নতুনভাবে উদ্যাপন করতে চাই। যতই দিন যাচ্ছে, ঈদ আয়োজন সামষ্টিকতা থেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয়োজনে পরিণত হচ্ছে। ঈদের দিনে দেখা যায়, আমাদের বর্তমান জেনারেশনের অনেকে টিভি দেখে বা ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছি। এ জন্য উত্তর সিটির উদ্যোগে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে কেন্দ্রীয়ভাবে ঈদ উদ্যাপন করছি।
ঈদ আয়োজনে প্রাচীন ঐতিহ্যের সংমিশ্রণের কথা জানিয়ে আসিফ বলেন, গ্রামে ঈদগাহের পাশে যেমন ছোট করে মেলা থাকে, ঠিক তেমনি মেলার আয়োজন থাকবে সেখানে। শিশু-কিশোররা মেলায় অংশ নিতে পারবে। একইসঙ্গে পুরাতন ঐতিহ্য সুলতান আমল ও আঠারো শ শতাব্দীর সময়ে ঈদের নামাজের পরে ঈদের মিছিল হতো। এই ঐতিহ্যটিকে আমরা আবার ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।
সবশেষে ঈদের দিন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ। এই আয়োজনে উপদেষ্টা নগরবাসীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা একসঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি। ঈদের মিছিলে অংশগ্রহণ করি।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এই ময়দানে মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও উত্তর ঢাকার লোকজন আসতে পারেন না। তাই উত্তর সিটির উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানে ঈদের আনন্দ মিছিল ও ঈদ মেলায় দক্ষিণ সিটির লোকজনও নামাজ শেষে অংশ নিতে পারবেন।
ভবিষ্যতে এই আয়োজন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। বলেন, এ বছর সময় স্বল্পতার কারণে শুধু রাজধানী ছাড়া সারা দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করতে পারছি না। আমাদের আহ্বান থাকবে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কেউ যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়োজন করতে চায় তবে সরকারের সব প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগিতা করবে। তবে আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে একটি জাতীয় প্রোগ্রামের মতো করে সারা দেশেই এটি আয়োজন করতে চাই।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাশক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পুরাতন বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণে সকাল ৮টায় একটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাঠটি যেহেতু অনেক বড় তাই একসঙ্গে কয়েক লাখ মানুষ সেখানে ঈদের নামাজে অংশ নিতে পারবেন। ঈদের মাঠে নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। আর ঈদের আনন্দ মিছিলকে ঐতিহ্যবাহী করতে সেখানে হাতি, ঘোড়ার সঙ্গে ব্যন্ডপার্টির অংশগ্রহণ থাকবে।

বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৪ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
১৫ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে