
ঢাবি প্রতিনিধি

ডাকসুর ডামাডোলের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে এখন একটা মৃত্যুপুরী মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার থেকেও শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না।
শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে উমামা ফাতেমা এ মন্তব্য করেন।
উমামা পোস্টে লেখেন, গত ১ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে জ্বরের প্রকোপ শুরু হয়েছেও ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবি হলগুলোতে মশার প্রকোপ প্রচণ্ড হারে বাড়ছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো প্রকার পাত্তা নেই। এই গরমে মহামারির মতো হলে হলে ছাত্ররা অসুস্থ হচ্ছে, মশার প্রকোপ তীব্র হারে বেড়ে চলছে। অথচ মশার প্রকোপ নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, রাতে শরীর খারাপ হলে ঢাবি মেডিকেলে যাই। সেখানে দেখি বিজয়-৭১ হলের ছোটভাই তানিমকে নিয়ে আরেক ছোটভাই জিদান নিয়ে এসেছে। তানিমের এ কী পরিস্থিতি। জ্বর, কিছু খেতে পারছে না। তাকে স্টেবল করার জন্য স্যালাইন দেয়া হলো। ডাকসুর ডামাডোলের বাইরে মনে হচ্ছে ক্যাম্পাস এখন একটা মৃত্যুপুরী। হরেদরে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হচ্ছে। এই ক্যাম্পাসে এমন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সুস্থ মানুষকেও শেষ করে ফেলে ভিতর থেকে।
তিনি আরও বলেন, ঢাবি মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্সে একটা মাত্র ফ্যান, সেটাও ড্রাইভারের জন্য। অ্যাম্বুলেন্সে পুরোটা সময় আরো হাঁসফাঁস লাগে রোগীর। একটা মান্ধাত্ত্বার আমলের পরিত্যাক্ত যন্ত্রাংশকে অ্যাম্বুলেন্সের নামে চালিয়ে দেয়ার ধৃষ্টতা শুধু আমাদের প্রশাসনই করতে পারে। এই প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া কিন্তু কোথায় কি! এই অথর্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে তুলতে না পারলে এই ক্যাম্পাসের ভগ্নদশা দেখার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. রাজিয়া রহমান এ বিষয়ে বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমানোর জন্য মশার ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এখনতো বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় পানি জমে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে আমি মনে করি ঘন ঘন মশার ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। হল গুলোতে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নোটিশ বোর্ডে কিছু সাবধান বাণী এবং প্রতিকার-প্রতিরোধ উপায় লিখে দিতে পারে।
মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি রাজনীতি ডটকমকে বলেন, আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পরে যেটা জেনেছি যে অ্যাম্বুলেন্স কেনার সরকারিভাবে কোনো উপায় নাই । ডোনেশন বা অনুদানের মাধ্যমে আমরা এই অ্যাম্বুলেন্স পেতে পারি। বর্তমানে আমাদের অ্যাম্বুলেন্সর অবস্থা খুবই খারাপ, একটা সচল বা ভালো অবস্থায় আছে। তবে আমরা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ডোনেশন আনার প্রচেষ্টায় আছি।

ডাকসুর ডামাডোলের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে এখন একটা মৃত্যুপুরী মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার থেকেও শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না।
শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে উমামা ফাতেমা এ মন্তব্য করেন।
উমামা পোস্টে লেখেন, গত ১ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে জ্বরের প্রকোপ শুরু হয়েছেও ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবি হলগুলোতে মশার প্রকোপ প্রচণ্ড হারে বাড়ছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো প্রকার পাত্তা নেই। এই গরমে মহামারির মতো হলে হলে ছাত্ররা অসুস্থ হচ্ছে, মশার প্রকোপ তীব্র হারে বেড়ে চলছে। অথচ মশার প্রকোপ নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, রাতে শরীর খারাপ হলে ঢাবি মেডিকেলে যাই। সেখানে দেখি বিজয়-৭১ হলের ছোটভাই তানিমকে নিয়ে আরেক ছোটভাই জিদান নিয়ে এসেছে। তানিমের এ কী পরিস্থিতি। জ্বর, কিছু খেতে পারছে না। তাকে স্টেবল করার জন্য স্যালাইন দেয়া হলো। ডাকসুর ডামাডোলের বাইরে মনে হচ্ছে ক্যাম্পাস এখন একটা মৃত্যুপুরী। হরেদরে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হচ্ছে। এই ক্যাম্পাসে এমন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সুস্থ মানুষকেও শেষ করে ফেলে ভিতর থেকে।
তিনি আরও বলেন, ঢাবি মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্সে একটা মাত্র ফ্যান, সেটাও ড্রাইভারের জন্য। অ্যাম্বুলেন্সে পুরোটা সময় আরো হাঁসফাঁস লাগে রোগীর। একটা মান্ধাত্ত্বার আমলের পরিত্যাক্ত যন্ত্রাংশকে অ্যাম্বুলেন্সের নামে চালিয়ে দেয়ার ধৃষ্টতা শুধু আমাদের প্রশাসনই করতে পারে। এই প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া কিন্তু কোথায় কি! এই অথর্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে তুলতে না পারলে এই ক্যাম্পাসের ভগ্নদশা দেখার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. রাজিয়া রহমান এ বিষয়ে বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমানোর জন্য মশার ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এখনতো বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় পানি জমে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে আমি মনে করি ঘন ঘন মশার ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। হল গুলোতে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নোটিশ বোর্ডে কিছু সাবধান বাণী এবং প্রতিকার-প্রতিরোধ উপায় লিখে দিতে পারে।
মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি রাজনীতি ডটকমকে বলেন, আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পরে যেটা জেনেছি যে অ্যাম্বুলেন্স কেনার সরকারিভাবে কোনো উপায় নাই । ডোনেশন বা অনুদানের মাধ্যমে আমরা এই অ্যাম্বুলেন্স পেতে পারি। বর্তমানে আমাদের অ্যাম্বুলেন্সর অবস্থা খুবই খারাপ, একটা সচল বা ভালো অবস্থায় আছে। তবে আমরা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ডোনেশন আনার প্রচেষ্টায় আছি।

আবহাওয়া ও নদ-নদীর পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নদ-নদীর অববাহিকাভুক্ত সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলা এবং উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর নিম্নাঞ্চলের জেলাগুলো নতুন করে স্বল্পমেয়াদী বন্যায় আক্রান্ত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিসেম্বরে আসবেন, জানুয়ারিতে আসবেন— এটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনাকে তো আমরা কালকেই চাই। অতএব কোনো স্ট্যান্টবাজি করবেন না। এখানে আর কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা এবং পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে দুর্যোগে সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
১৬ ঘণ্টা আগে