
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে বাংলা বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য তৈরি ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ পোড়ানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া এ নিয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রশাসন।
আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম পান্না স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় প্রদর্শনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলায় নির্মিত ফ্যাসিবাদের প্রতীকী মোটিফ পোড়ানোর ঘটনায় তদন্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল এবং সহকারী প্রক্টর ড. একেএম নূর আলম সিদ্দিকী। এ ছাড়া সহকারী প্রক্টর মো. ইসরাফিল এ কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড আজহারুল ইসলাম শেখ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ কর্তৃক পয়লা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপনের লক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের চেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী মোটিফের সঙ্গে প্রতীকী দানবীয় ফ্যাসিস্টের মোটিফ তৈরি করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আজ শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটের সময় অনুষদের দক্ষিণ পার্শ্বের গেট সংলগ্ন জায়গায় স্থাপিত প্যান্ডেলের ভেতরে থাকা শোভাযাত্রার জন্য নির্মিত বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী মোটিফের মধ্যে দানবীয় ফ্যাসিস্টের প্রতীকী মোটিফ কে বা কাহারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।’
চারুকলায় আগুন, নববর্ষের দুদিন আগে পুড়ে গেল ‘ফ্যাসিবাদের মোটিফ’চারুকলায় আগুন, নববর্ষের দুদিন আগে পুড়ে গেল ‘ফ্যাসিবাদের মোটিফ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে বাংলা বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য তৈরি ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ পোড়ানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া এ নিয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রশাসন।
আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম পান্না স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় প্রদর্শনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলায় নির্মিত ফ্যাসিবাদের প্রতীকী মোটিফ পোড়ানোর ঘটনায় তদন্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল এবং সহকারী প্রক্টর ড. একেএম নূর আলম সিদ্দিকী। এ ছাড়া সহকারী প্রক্টর মো. ইসরাফিল এ কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড আজহারুল ইসলাম শেখ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ কর্তৃক পয়লা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপনের লক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের চেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী মোটিফের সঙ্গে প্রতীকী দানবীয় ফ্যাসিস্টের মোটিফ তৈরি করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আজ শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটের সময় অনুষদের দক্ষিণ পার্শ্বের গেট সংলগ্ন জায়গায় স্থাপিত প্যান্ডেলের ভেতরে থাকা শোভাযাত্রার জন্য নির্মিত বিভিন্ন ধরনের প্রতীকী মোটিফের মধ্যে দানবীয় ফ্যাসিস্টের প্রতীকী মোটিফ কে বা কাহারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।’
চারুকলায় আগুন, নববর্ষের দুদিন আগে পুড়ে গেল ‘ফ্যাসিবাদের মোটিফ’চারুকলায় আগুন, নববর্ষের দুদিন আগে পুড়ে গেল ‘ফ্যাসিবাদের মোটিফ’

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাখাইন রাজ্যের সিত্তে শহর থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে।
১৪ ঘণ্টা আগে
২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে সাময়িকীটি লিখেছে, ‘খ্যাতনামা এক রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ৬০ বছর বয়সী মি. রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শীর্ষ দাবিদার।’
১৪ ঘণ্টা আগে
জানুয়ারি মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে আসক জানিয়েছে, মাসজুড়েই সহিংসতার মাত্রা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ৮টি সহিংস ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হন। ১১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ১৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১৭৬ জন আহত হন। ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারি ১১ দিনে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার (
১৫ ঘণ্টা আগে
সভায় সেনাপ্রধান বলেন, কিছু আর্থিক লেনদেন হতে পারে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল থাকতে পারে, তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে পারে। কিন্তু ভোটের দিন সবাই এ ধরনের অপরাধ করবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে