টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরাও উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১২: ২৫

সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরাও উচ্চতর গ্রেড পাবেন বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বুধবার সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর ফলে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই সুবিধা পাবেন।

রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকারি চাকরিজীবীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। সংক্ষুব্ধ চাকরিজীবীদের এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এক পরিপত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, একই পদে কর্মরত কোনো সরকারি কর্মচারী দুই বা তার চেয়ে বেশি টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী তিনি উচ্চতর গ্রেড পাবেন না। তবে ইতোমধ্যে একটিমাত্র টাইম স্কেল অথবা সিলেকশন গ্রেড পেলে নতুন স্কেলে শুধু একটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের প্রদত্ত এসব আর্থিক সুবিধা কোনোক্রমেই ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে দেওয়া হবে না। পরবর্তীতে পরিপত্রের এ আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সংক্ষুব্ধ সরকারি চাকরিজীবীরা।

সরকারি চাকরিতে নিচের স্তরের কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ সীমিত। এসব পদোন্নতিবঞ্চিতদের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বহুল আলোচিত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের পুরোনো প্রথা বাতিল করে। একইসঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড প্রথা প্রবর্তন করে।

নতুন স্কেল অনুযায়ী, কোনো কর্মচারী একই পদে ১০ বছর চাকরি করার পর পদোন্নতি না পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন। এরমধ্যে একটি পাবেন চাকরির ১০ বছর পর (১১তম বছরে)। আর অপরটি ১৬ বছর পর অর্থাৎ ১৭তম বছরে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মূল পে-স্কেলে এ বিধান করা হলেও এ সুবিধা কীভাবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কোনো দিক-নির্দেশনা ছিল না। এ প্রেক্ষাপটে মূল পে-স্কেলে উল্লেখিত নিয়ম কার্যকর করতে স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। মূল পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার ৩ মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে এটি জারি করা হয়।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

শিক্ষা-গবেষণায় একুশে পদক পেলেন অধ্যাপক মাহবুবুল

​বিশ্বমানের একাডেমিক জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গণিত শিক্ষা ও গবেষণা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদারকে ২০২৬ সালের ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করা হয়েছে।

১ ঘণ্টা আগে

পালাগানে একুশে পদক পেলেন ইসলাম পালাকার

​ইসলাম উদ্দিন পালাকার বাংলাদেশের গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পালাগান শিল্পী হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৮ সাল থেকে পালাগান শিক্ষা শুরু করা এই শিল্পীর দল হাওর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লোকসংস্কৃতি-ভিত্তিক পরিবেশনা করে আসছে।

১ ঘণ্টা আগে

একুশে পদক পেলেন নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ

বাংলাদেশে নৃত্যচর্চায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ‘অ্যাডাল্ট বিগিনার্স ড্যান্স ক্লাসেস’ প্রবর্তন করেন অর্থী। ২০২০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি’ এবং শিশুদের বয়স-উপযোগী সঠিক নৃত্যশিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ড্যান্স ইওর এজ’ আন্দোলনের সূচনা করেন।

১ ঘণ্টা আগে

একুশে পদকে ভূষিত সাংবাদিক শফিক রেহমান

১৯৫০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন শফিক রেহমান। পরে তিনি লন্ডনে বিবিসির বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৩৫ বছর কাজ করেন। ১৯৭১ সালের জুন মাসে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করেন।

১ ঘণ্টা আগে