
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ডিসেম্বরকে ধরে জুলাইয়ের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ বা অ্যাকশনপ্ল্যান ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে যেসব তরুণের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে বিদ্যমান আইন দিয়ে হবে না। এজন্য আইন পর্যালোচনা করে সংশোধন করা হবে। এমন উদ্যোগ প্রথমবারের মতো নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এটা জুলাই-আগস্ট হতে পারে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যারা আছেন সবার সঙ্গে মতবিনিময় হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় করবো।
দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিয়ে নির্বাচন সম্ভব কী? এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি বেশকিছু জেলায় ভিজিট করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছে তারা আরও ইম্প্রুভ করবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে। আপনারা দেখে থাকবেন এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো। সুষ্ঠু নির্বাচন সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ডিসেম্বরকে ধরে জুলাইয়ের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ বা অ্যাকশনপ্ল্যান ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে যেসব তরুণের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে বিদ্যমান আইন দিয়ে হবে না। এজন্য আইন পর্যালোচনা করে সংশোধন করা হবে। এমন উদ্যোগ প্রথমবারের মতো নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এটা জুলাই-আগস্ট হতে পারে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যারা আছেন সবার সঙ্গে মতবিনিময় হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় করবো।
দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিয়ে নির্বাচন সম্ভব কী? এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি বেশকিছু জেলায় ভিজিট করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছে তারা আরও ইম্প্রুভ করবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে। আপনারা দেখে থাকবেন এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো। সুষ্ঠু নির্বাচন সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্পিকারের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই যে চেয়ারটি আপনি দেখছেন, যে চেয়ারে আমি এখানে বসছি আপনার আপনার সামনে, এই চেয়ারটি খুব কঠিন একটি চেয়ার। এই চেয়ারটি দেখলে মনে হয় বসতে খুব আরাম। কিন্তু আসলে মোটেও আরামের না। এই চেয়ারটিতে বসলে প্রতি মুহূর্তে মনে হয়, আগুনের তপ্ত হিট আসছে।’
১১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। হ্যাঁ, আমি করেছি, কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ এবং ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহিদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।”
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ৩০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে এই সংসদ দেশ পরিচালনা শুরু করেছে, আমরা একটি স্থিতিশীল সরকার না রাখলে দেশকে এগিয়ে নিতে পারব না। যদি একটি স্থিতিশীল সংসদ নিশ্চিত করতে না পারি, কোনোভাবেই এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারব না। সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।”
১৪ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে আমরা অনেক কথা বলিনি। আমাদের একটা তাগাদা ছিল যে এরা সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচনটা না হতে দেয়, সে জন্য আমরা সবকিছুতে আপস করে জুলাই জাতীয় সনদেও স্বাক্ষর করেছি। আমরা একত্র হয়েছি, সমঝোতা হয়েছে।’
১৬ ঘণ্টা আগে