
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ধর্মীয় বক্তব্যের নামে অনলাইনে ও অফলাইনে নারী অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার বন্ধ এবং শিল্পপতি-ধনকুবেরদের নারী নিপীড়নমূলক অপরাধ বিচারের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে মধ্যরাতে পদযাত্রা করেছেন নারীরা। যারা সমাজে বারবার নারীদের নিপীড়নের চিত্র দেখেন, যারা মুক্তি চান, স্বাধীনতা চান; একজন স্বাধীন নাগরিকের মতো অধিকার চান— তারাই ‘শেকল ভাঙার পদযাত্রা’ শীর্ষক এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত
১২টায় রাজধানীর শাহবাগে শুরু হয় এ কর্মসূচি। ‘পুরুষের ক্ষমতা ভেঙে হোক সমতা’ স্লোগানে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে প্রতিবাদী সমাবেশের মাধ্যমে পদযাত্রা শেষ হয়।
প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের সামনের কাতারে ছিলেন নারীরাই। অথচ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার আসার পরও নারীদের কাঠামোগত নিপীড়নের অংশ হয়েই থাকতে হচ্ছে; নারীবিদ্বেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ।
তারা বলেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নারী ও শিশু ধর্ষণের মামলাই দায়ের হয়েছে সাত হাজার ৬৮টি। একই সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি— ধর্মীয় ও রাজনৈতিক জনসমাবেশগুলো এখন-তখন নারীবিদ্বেষী প্রচারণায় ব্যস্ত থাকে। সবচেয়ে দুঃখজনক, এই সব নারীবিদ্বেষী প্রচারণার ক্ষেত্রে আমরা সরকার মহলেরও কার্যকর কোনো অবস্থান দেখতে পাইনি। বছরের পর বছর আইনেও রয়ে গেছে ভুক্তভোগী নারীর চরিত্রহননকারী ধারা।
বক্তারা আরও বলেন, ১৫ বছরের স্বৈরাচার পতনের পর দেড় বছর ধরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যাশা করি, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আসা সরকার জনগণের স্বার্থেই কাজ করবে।
‘যদি তাই হয়, আমরা কি প্রত্যাশা করতে পারি— নারী প্রশ্নে ক্ষমতার চরিত্র কিংবা রাজনীতির ভাষা বদলাবে? আসন্ন নির্বাচনের প্রক্রিয়ায়— যেখানে নারীর অংশগ্রহণই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে— সেই নির্বাচিত সরকার দ্বারা আমরা কি আদৌ নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারের জায়গায় দেখতে পাব?,'— প্রশ্ন রাখেন বক্তারা।
তারা বলেন, আজ যখন নির্বাচিত সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলছে, তখন আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— নারীদের বাদ দিয়ে কোনো গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব নয়। নারীবিদ্বেষ, লিঙ্গীয় ও জাতিগত বৈষম্য, ধর্মীয় নৈতিকতার নামে নারী নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি বন্ধ না হলে রাষ্ট্র বা সমাজে কোনো বদল বা সংস্কার সম্ভব না। আমরা আশা করি, নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের আইনসিদ্ধ নিপীড়ন, লিঙ্গীয় ও জাতিগত বৈষম্যমূলক চর্চা রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বিলুপ্ত হবে এবং নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিবাদী সমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।এ ১০ দফা হলো—
* ধর্মীয় বক্তব্যের নামে অনলাইনে ও অফলাইনে নারী অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
* ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (সংশোধিত)-এর ১৪৬(৩) ধারা পুনঃসংস্কারের মাধ্যমে সহজাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের ‘ভিক্টিম ব্লেমিং’ বন্ধ করতে হবে।
* শিল্পপতি-ধনকুবেরদের নারী নিপীড়নমূলক অপরাধ বিচারের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে অন্যায্যভাবে খারিজ হয়ে যাওয়া মামলাগুলো পুনঃতদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।
* পাহাড়ে নারীর ওপর সংঘটিত সামরিক-বেসামরিক পুরুষদের যৌন সন্ত্রাসের খবর গণমাধ্যমে অবাধভাবে প্রকাশের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, অভিযোগ যথাযথভাবে আমলে নেওয়া এবং সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে পাহাড়ে নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।
* মাদরাসার শিশুসহ সব শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে ৯০ দিনের মধ্যে দ্রুততম ট্রাইব্যুনালে অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
* হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতনবিরোধী সেল কার্যকর ও পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। সিডও সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষর ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
* প্রাথমিক স্তর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ-ব্যাড টাচ, সম্মতি বা কনসেন্টের গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যুক্ত করার পাশাপাশি এর কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।
* যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে প্রান্তিক অঞ্চলের নারীদের সুবিধার্থে হটলাইনের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
* কোনো নারী নিপীড়নের শিকার হলে অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানায় বা আদালতে পুলিশি ও অন্যান্য হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
* গণপরিবহনে নারীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া সংগীতশিল্পী সায়ান বলেন, ‘এ ধরনের পদযাত্রার প্রয়োজন আসলে অনেকদিন ধরেই আছে। যতদিন পুরুষতন্ত্র থাকবে, সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং নারীর ওপর নিপীড়ন চলবে, ততদিন এ ধরনের আয়োজনের প্রয়োজন থাকবে।’
আয়োজকদের একজন ইসাবা শুহরাত বলেন, ‘নারী প্রসঙ্গে প্রেক্ষাপট আসলে কখনো বদলায়নি। সামনে একটি নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। আমরা আশা করছি, যারা-ই আসুক না কেন, তারা আমাদের কথা শুনবে। পাশাপাশি যারা নারীবিদ্বেষী প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা যেন নির্বাচিত হতে না পারে। আমাদের ভোটে যারা জয়ী হবে, তারা যেন আমাদেরই কথা বলে— এ প্রত্যাশা জানাতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।’

ধর্মীয় বক্তব্যের নামে অনলাইনে ও অফলাইনে নারী অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার বন্ধ এবং শিল্পপতি-ধনকুবেরদের নারী নিপীড়নমূলক অপরাধ বিচারের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে মধ্যরাতে পদযাত্রা করেছেন নারীরা। যারা সমাজে বারবার নারীদের নিপীড়নের চিত্র দেখেন, যারা মুক্তি চান, স্বাধীনতা চান; একজন স্বাধীন নাগরিকের মতো অধিকার চান— তারাই ‘শেকল ভাঙার পদযাত্রা’ শীর্ষক এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত
১২টায় রাজধানীর শাহবাগে শুরু হয় এ কর্মসূচি। ‘পুরুষের ক্ষমতা ভেঙে হোক সমতা’ স্লোগানে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে প্রতিবাদী সমাবেশের মাধ্যমে পদযাত্রা শেষ হয়।
প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের সামনের কাতারে ছিলেন নারীরাই। অথচ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার আসার পরও নারীদের কাঠামোগত নিপীড়নের অংশ হয়েই থাকতে হচ্ছে; নারীবিদ্বেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ।
তারা বলেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নারী ও শিশু ধর্ষণের মামলাই দায়ের হয়েছে সাত হাজার ৬৮টি। একই সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি— ধর্মীয় ও রাজনৈতিক জনসমাবেশগুলো এখন-তখন নারীবিদ্বেষী প্রচারণায় ব্যস্ত থাকে। সবচেয়ে দুঃখজনক, এই সব নারীবিদ্বেষী প্রচারণার ক্ষেত্রে আমরা সরকার মহলেরও কার্যকর কোনো অবস্থান দেখতে পাইনি। বছরের পর বছর আইনেও রয়ে গেছে ভুক্তভোগী নারীর চরিত্রহননকারী ধারা।
বক্তারা আরও বলেন, ১৫ বছরের স্বৈরাচার পতনের পর দেড় বছর ধরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যাশা করি, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আসা সরকার জনগণের স্বার্থেই কাজ করবে।
‘যদি তাই হয়, আমরা কি প্রত্যাশা করতে পারি— নারী প্রশ্নে ক্ষমতার চরিত্র কিংবা রাজনীতির ভাষা বদলাবে? আসন্ন নির্বাচনের প্রক্রিয়ায়— যেখানে নারীর অংশগ্রহণই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে— সেই নির্বাচিত সরকার দ্বারা আমরা কি আদৌ নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারের জায়গায় দেখতে পাব?,'— প্রশ্ন রাখেন বক্তারা।
তারা বলেন, আজ যখন নির্বাচিত সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলছে, তখন আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— নারীদের বাদ দিয়ে কোনো গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব নয়। নারীবিদ্বেষ, লিঙ্গীয় ও জাতিগত বৈষম্য, ধর্মীয় নৈতিকতার নামে নারী নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি বন্ধ না হলে রাষ্ট্র বা সমাজে কোনো বদল বা সংস্কার সম্ভব না। আমরা আশা করি, নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের আইনসিদ্ধ নিপীড়ন, লিঙ্গীয় ও জাতিগত বৈষম্যমূলক চর্চা রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বিলুপ্ত হবে এবং নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিবাদী সমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।এ ১০ দফা হলো—
* ধর্মীয় বক্তব্যের নামে অনলাইনে ও অফলাইনে নারী অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
* ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (সংশোধিত)-এর ১৪৬(৩) ধারা পুনঃসংস্কারের মাধ্যমে সহজাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের ‘ভিক্টিম ব্লেমিং’ বন্ধ করতে হবে।
* শিল্পপতি-ধনকুবেরদের নারী নিপীড়নমূলক অপরাধ বিচারের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে অন্যায্যভাবে খারিজ হয়ে যাওয়া মামলাগুলো পুনঃতদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।
* পাহাড়ে নারীর ওপর সংঘটিত সামরিক-বেসামরিক পুরুষদের যৌন সন্ত্রাসের খবর গণমাধ্যমে অবাধভাবে প্রকাশের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, অভিযোগ যথাযথভাবে আমলে নেওয়া এবং সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে পাহাড়ে নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।
* মাদরাসার শিশুসহ সব শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে ৯০ দিনের মধ্যে দ্রুততম ট্রাইব্যুনালে অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
* হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতনবিরোধী সেল কার্যকর ও পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। সিডও সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষর ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
* প্রাথমিক স্তর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ-ব্যাড টাচ, সম্মতি বা কনসেন্টের গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যুক্ত করার পাশাপাশি এর কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।
* যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে প্রান্তিক অঞ্চলের নারীদের সুবিধার্থে হটলাইনের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
* কোনো নারী নিপীড়নের শিকার হলে অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানায় বা আদালতে পুলিশি ও অন্যান্য হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
* গণপরিবহনে নারীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া সংগীতশিল্পী সায়ান বলেন, ‘এ ধরনের পদযাত্রার প্রয়োজন আসলে অনেকদিন ধরেই আছে। যতদিন পুরুষতন্ত্র থাকবে, সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং নারীর ওপর নিপীড়ন চলবে, ততদিন এ ধরনের আয়োজনের প্রয়োজন থাকবে।’
আয়োজকদের একজন ইসাবা শুহরাত বলেন, ‘নারী প্রসঙ্গে প্রেক্ষাপট আসলে কখনো বদলায়নি। সামনে একটি নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। আমরা আশা করছি, যারা-ই আসুক না কেন, তারা আমাদের কথা শুনবে। পাশাপাশি যারা নারীবিদ্বেষী প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা যেন নির্বাচিত হতে না পারে। আমাদের ভোটে যারা জয়ী হবে, তারা যেন আমাদেরই কথা বলে— এ প্রত্যাশা জানাতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।’

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে