
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির সহযোগী দেশগুলো নিজেদের জানান দিচ্ছে। একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছে তারা। এদের মধ্যে নেদারল্যান্ডস অন্যতম। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছে ডাচরা। তাতে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের জয় দেখছেন ইয়ান বিশপ।
বিশপকে বলা হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের অকৃত্রিম বন্ধু। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সঙ্গে আলাপ করতে গিয়ে বিশপ এবার বাংলাদেশকেই যেন খোঁচা দিলেন।
বিশ্বকাপে ছোট দেশগুলোর কাছে হারের ঝুঁকিতে কারা বেশি? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের নামটাই সবার আগে তুললেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কিংবদন্তি। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে হারাবে নেদারল্যান্ডস। আরেক সহযোগী প্রতিপক্ষ নেপালের দিকেও নজর রাখছেন তিনি।
বিশপ বলেন, ‘আমরা গত কয়েকটি বিশ্বকাপে দেখেছি নতুন দলগুলো বড় দলকে হারিয়ে দিচ্ছে। আপনি সম্ভাবনার কথা যদি বলেন, তাহলে আমি বলব বাংলাদেশকে হারাবে নেদারল্যান্ডস।’
বিশপের কথাকে ফেলে দেওয়ার উপায় নাই। ২০২২ বিশ্বকাপেই নেদারল্যান্ডসকে হারাতে ঘাম ঝরেছিল টাইগারদের। শেষদিকে দারুণ বোলিংয়ের সুবাদে জয় এসেছিল মোটে ৯ রানে। আর ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে তো ডাচরা বাংলাদেশকে ধূলোর সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল।
বাংলাদেশের আরেক গ্রুপসঙ্গী নেপালকে নিয়ে বিশপ বলেন, ‘নেপালের খেলা দেখতে মুখিয়ে আছি। যেভাবে দেশটির সমর্থকেরা দলটাকে সমর্থন করে, সেটা দারুণ ব্যাপার। দলটার বেশ প্রতিভাও আছে। হয়তো এই টুর্নামেন্টে নয়, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে দলটা ভালো জায়গায় আসবে।’
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পেস বোলিং লাইনকে সেরা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি, ‘পাকিস্তানের সবাই যদি ফিট থাকে, তাহলে তাদের বোলিংয়ের ভারসাম্য বেশ ভালো। নাসিম শাহ, শাহিন আফ্রিদির সঙ্গে দলে ফেরা মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম আছে। তাদের যে প্রতিভা, সেদিক থেকে আমি পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে সেরা বলবো।’
এরপরেই আরেকদফা ধস নামে তাদের ইনিংসে। ৬৮ থেকে ৯৯ রানে যেতেই ওমান হারায় ৫ উইকেট। একপর্যায়ে ওমানের সংগ্রহ ১০০ পার হওয়া নিয়েই ছিল শঙ্কা। কিন্তু শেষ দিকে শাকিল আহমেদের দুই চার তাদের দলীয় সংগ্রহ টেনে নেয় ১০৯ রান পর্যন্ত। ক্ষুদ্র এই রানটাই অবশ্য একসময় মনে হচ্ছিল যথেষ্ট। সেটার জন্য অবশ্য কৃতিত্ব পাবে ওমানের বোলাররা। বিলাল খান প্রথম ওভারেই পেয়েছেন উইকেটের দেখা। নিকোলাস ডাভিন আর ইয়ান ফ্রাইলিংক অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছিলেন একপেশে ম্যাচের। ধীরগতির ব্যাটিং করলেও রানরেট রেখেছিলেন নাগালের মাঝে। ৪২ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ডাভিন। এরপর অধিনায়ক ইরাসমাসকে নিয়ে দলকে জয়ের দিকে নিতে থাকেন ফ্রাইলিঙ্ক।
বিপর্যয়ের শুরু এরাসমাসের উইকেট দিয়ে। পুরো ম্যাচে ৩ ক্যাচ ছেড়ে ওমান যখন হতাশ, তখনই উইকেটের দেখা পান আয়ান খান। জিশান মাকসুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নামিবিয়া অধিনায়ক। এরাসামাস-ফ্রাইলিং জুটি ছিল ধীরগতির। সেটা পরে আরও ধীর হয়ে আসে। একের পর এক ডটবল চাপ বাড়াতে থাকে নামিবিয়া ইনিংসে। শেষ ওভারের আগের ওভারে বিলাল খানের বলে ছয়টা আরও হতাশ করেছিল ওমানকে। মেহরান খান তবু শেষ ওভারে শুরুটা করেছিলেন দারুণ। প্রথম তিন বলের মাঝেই তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। ব্যাটার ডেভিড উইসা নামিবিয়ান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অভিজ্ঞও তিনি। শেষ বলে ব্যাটে বলে করা হয়নি। ১ রান নিয়েই থামলেন। ম্যাচ যায় সুপার ওভারে।
আর সেখানেই নিজের অভিজ্ঞতার চমক দেখান উইসা। ব্যাট হাতে ১৩ রান। আর বল হাতে ১ উইকেটের বিনিময়ে ১০ রান দিয়ে নামিবিয়াকে এনে দিলেন মনে রাখার মতো এক জয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির সহযোগী দেশগুলো নিজেদের জানান দিচ্ছে। একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছে তারা। এদের মধ্যে নেদারল্যান্ডস অন্যতম। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছে ডাচরা। তাতে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের জয় দেখছেন ইয়ান বিশপ।
বিশপকে বলা হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের অকৃত্রিম বন্ধু। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সঙ্গে আলাপ করতে গিয়ে বিশপ এবার বাংলাদেশকেই যেন খোঁচা দিলেন।
বিশ্বকাপে ছোট দেশগুলোর কাছে হারের ঝুঁকিতে কারা বেশি? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের নামটাই সবার আগে তুললেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কিংবদন্তি। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে হারাবে নেদারল্যান্ডস। আরেক সহযোগী প্রতিপক্ষ নেপালের দিকেও নজর রাখছেন তিনি।
বিশপ বলেন, ‘আমরা গত কয়েকটি বিশ্বকাপে দেখেছি নতুন দলগুলো বড় দলকে হারিয়ে দিচ্ছে। আপনি সম্ভাবনার কথা যদি বলেন, তাহলে আমি বলব বাংলাদেশকে হারাবে নেদারল্যান্ডস।’
বিশপের কথাকে ফেলে দেওয়ার উপায় নাই। ২০২২ বিশ্বকাপেই নেদারল্যান্ডসকে হারাতে ঘাম ঝরেছিল টাইগারদের। শেষদিকে দারুণ বোলিংয়ের সুবাদে জয় এসেছিল মোটে ৯ রানে। আর ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে তো ডাচরা বাংলাদেশকে ধূলোর সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল।
বাংলাদেশের আরেক গ্রুপসঙ্গী নেপালকে নিয়ে বিশপ বলেন, ‘নেপালের খেলা দেখতে মুখিয়ে আছি। যেভাবে দেশটির সমর্থকেরা দলটাকে সমর্থন করে, সেটা দারুণ ব্যাপার। দলটার বেশ প্রতিভাও আছে। হয়তো এই টুর্নামেন্টে নয়, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে দলটা ভালো জায়গায় আসবে।’
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পেস বোলিং লাইনকে সেরা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি, ‘পাকিস্তানের সবাই যদি ফিট থাকে, তাহলে তাদের বোলিংয়ের ভারসাম্য বেশ ভালো। নাসিম শাহ, শাহিন আফ্রিদির সঙ্গে দলে ফেরা মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম আছে। তাদের যে প্রতিভা, সেদিক থেকে আমি পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে সেরা বলবো।’
এরপরেই আরেকদফা ধস নামে তাদের ইনিংসে। ৬৮ থেকে ৯৯ রানে যেতেই ওমান হারায় ৫ উইকেট। একপর্যায়ে ওমানের সংগ্রহ ১০০ পার হওয়া নিয়েই ছিল শঙ্কা। কিন্তু শেষ দিকে শাকিল আহমেদের দুই চার তাদের দলীয় সংগ্রহ টেনে নেয় ১০৯ রান পর্যন্ত। ক্ষুদ্র এই রানটাই অবশ্য একসময় মনে হচ্ছিল যথেষ্ট। সেটার জন্য অবশ্য কৃতিত্ব পাবে ওমানের বোলাররা। বিলাল খান প্রথম ওভারেই পেয়েছেন উইকেটের দেখা। নিকোলাস ডাভিন আর ইয়ান ফ্রাইলিংক অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছিলেন একপেশে ম্যাচের। ধীরগতির ব্যাটিং করলেও রানরেট রেখেছিলেন নাগালের মাঝে। ৪২ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ডাভিন। এরপর অধিনায়ক ইরাসমাসকে নিয়ে দলকে জয়ের দিকে নিতে থাকেন ফ্রাইলিঙ্ক।
বিপর্যয়ের শুরু এরাসমাসের উইকেট দিয়ে। পুরো ম্যাচে ৩ ক্যাচ ছেড়ে ওমান যখন হতাশ, তখনই উইকেটের দেখা পান আয়ান খান। জিশান মাকসুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নামিবিয়া অধিনায়ক। এরাসামাস-ফ্রাইলিং জুটি ছিল ধীরগতির। সেটা পরে আরও ধীর হয়ে আসে। একের পর এক ডটবল চাপ বাড়াতে থাকে নামিবিয়া ইনিংসে। শেষ ওভারের আগের ওভারে বিলাল খানের বলে ছয়টা আরও হতাশ করেছিল ওমানকে। মেহরান খান তবু শেষ ওভারে শুরুটা করেছিলেন দারুণ। প্রথম তিন বলের মাঝেই তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। ব্যাটার ডেভিড উইসা নামিবিয়ান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অভিজ্ঞও তিনি। শেষ বলে ব্যাটে বলে করা হয়নি। ১ রান নিয়েই থামলেন। ম্যাচ যায় সুপার ওভারে।
আর সেখানেই নিজের অভিজ্ঞতার চমক দেখান উইসা। ব্যাট হাতে ১৩ রান। আর বল হাতে ১ উইকেটের বিনিময়ে ১০ রান দিয়ে নামিবিয়াকে এনে দিলেন মনে রাখার মতো এক জয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব পদের ১৭৯ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৭২ জন প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মরত, বাকি সাতজন দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত।
১৯ ঘণ্টা আগে
ছুটি শেষে দীর্ঘদিন পরও কর্মস্থলে না ফেরায় ‘পলাতক বিবেচনায়’ পুলিশের চার কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিশু বিশ্বাস ও জুয়েল চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান ও আফজালুন নেছা।
২০ ঘণ্টা আগে
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই সরবরাহই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কেউ কাজে বাধা সৃষ্টি করলে এবার হয়ত পার পেয়ে যেতে পারেন, কিন্তু ভবিষ্যতে আর পারবেন না।
২০ ঘণ্টা আগে