
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়রাম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রেজাউল করিম। মঙ্গলবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপ সচিব মোছা: রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রেজাউল করিম শিক্ষাবোর্ডের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করা নারায়ণ চন্দ্র নাথের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে পদায়ন করা হল। এর আগে, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতারের অবসরোত্তর ছুটির পর পদটি শূন্য হয়। পদাধিকার বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বোর্ড সচিব অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র নাথ।
অধ্যাপক রেজাউল করিম ১৫তম বিসিএস এ যোগ দিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রভাষক হিসেবে সিলেটের এমসি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে প্রভাষক হিসেবে চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষকতা করেন।
২০০২ সালে হাতিয়া সরকারি কলেজ, একই বছরে সহকারী অধ্যাপক পদে স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, ২০০৫ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তরে সহকারী অধ্যাপক পদে পদায়ন হন।
পরবর্তীতে ২০০৭ সালে পটিয়া সরকারি কলেজ, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ, ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন হন। ২০১৬ সালে কক্সবাজার সরকারি কলেজ এবং একই বছর চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষকতা করেন।
পরে চট্টগ্রাম কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হন। ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়রাম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রেজাউল করিম। মঙ্গলবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপ সচিব মোছা: রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রেজাউল করিম শিক্ষাবোর্ডের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করা নারায়ণ চন্দ্র নাথের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে পদায়ন করা হল। এর আগে, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতারের অবসরোত্তর ছুটির পর পদটি শূন্য হয়। পদাধিকার বলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বোর্ড সচিব অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র নাথ।
অধ্যাপক রেজাউল করিম ১৫তম বিসিএস এ যোগ দিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রভাষক হিসেবে সিলেটের এমসি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে প্রভাষক হিসেবে চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষকতা করেন।
২০০২ সালে হাতিয়া সরকারি কলেজ, একই বছরে সহকারী অধ্যাপক পদে স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ, ২০০৫ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তরে সহকারী অধ্যাপক পদে পদায়ন হন।
পরবর্তীতে ২০০৭ সালে পটিয়া সরকারি কলেজ, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ, ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন হন। ২০১৬ সালে কক্সবাজার সরকারি কলেজ এবং একই বছর চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষকতা করেন।
পরে চট্টগ্রাম কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হন। ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার আসনে (ঢাকা-১৫) এ ‘ফুডপ্যাক’ বিতরণ করেন। জামায়াতের ফেসবুক পেজে শুরুতে বলা হয়েছিল, চীন এবং তাদের যৌথ উদ্যোগে এ উপহার বিতরণে করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সদরঘাট রিভার পুলিশের ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
৩ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ আন্দোলনবিরোধী ভূমিকা শনাক্ত করতে আল হাদিস বিভাগের জামাতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। লিখিত অভিযোগ, ভিডিওচিত্র ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিটি সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করলেও, সেই তথ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্
৩ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৮ মার্চ) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর ফকির স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্র
৪ ঘণ্টা আগে