
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বিনোদপুর, চারুকলা, মেহেরচণ্ডী, কাজলা ও রুয়েট বাইপাস মোড় এলাকায় তাদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর ফটকের বাম পাশে ক্যাম্পাস প্রাচীরের পাশে সামিয়ানা টানিয়ে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনের মতি শাহ’র মাজারের পাশেও বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাদের অবস্থান দেখা গেছে।
অন্যদিকে স্থানীয় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন বিনোদপুর বাজারের ইসলামি ব্যাংকের সামনে এবং কাজলা ফটকের বিপরীত পাশে। এ ছাড়া প্রধান ফটকের পাশের বরইবাগান এলাকায় তাদের একটি দল রান্নার আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।
সকাল থেকেই উভয় দলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসসংলগ্ন সড়কগুলোতে মোটরসাইকেল মহড়া দিতেও দেখা গেছে।
এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজির বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে— এলাকার মানুষ উৎসুক হয়ে তা দেখতে এসেছে। এর বাইরে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।’
অন্যদিকে বিনোদপুরে অবস্থান নেওয়া মহানগর যুবদল নেতা আরিফুজ্জামান বলেন, ‘অনেক বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে। আগ্রহ থেকেই আমরা এখানে এসেছি। ও পাশেও দেখবেন, জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীরাও অবস্থান নিয়েছে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বিনোদপুর, চারুকলা, মেহেরচণ্ডী, কাজলা ও রুয়েট বাইপাস মোড় এলাকায় তাদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর ফটকের বাম পাশে ক্যাম্পাস প্রাচীরের পাশে সামিয়ানা টানিয়ে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনের মতি শাহ’র মাজারের পাশেও বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাদের অবস্থান দেখা গেছে।
অন্যদিকে স্থানীয় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন বিনোদপুর বাজারের ইসলামি ব্যাংকের সামনে এবং কাজলা ফটকের বিপরীত পাশে। এ ছাড়া প্রধান ফটকের পাশের বরইবাগান এলাকায় তাদের একটি দল রান্নার আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।
সকাল থেকেই উভয় দলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসসংলগ্ন সড়কগুলোতে মোটরসাইকেল মহড়া দিতেও দেখা গেছে।
এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজির বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে— এলাকার মানুষ উৎসুক হয়ে তা দেখতে এসেছে। এর বাইরে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।’
অন্যদিকে বিনোদপুরে অবস্থান নেওয়া মহানগর যুবদল নেতা আরিফুজ্জামান বলেন, ‘অনেক বছর পর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে। আগ্রহ থেকেই আমরা এখানে এসেছি। ও পাশেও দেখবেন, জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীরাও অবস্থান নিয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগে