
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট এ রায় দেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল রেখে দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় পরে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, গত ১১ জুলাই রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়। সেখানে সব কোটা বজায় রেখে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে সরকার কোটার হার পরিবর্তন বা বাড়াতে-কমাতে পারে বলে রায় দেন হাইকোর্ট।
আদালত ২০১৮ সালের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে বলেন, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া রায় ও আদেশ, যেটি ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি–নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হলো। এছাড়া জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি–ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, তাদের ক্ষেত্রে কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।
রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন, অনুপাত বা শতাংশ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এই রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় বিবাদীদের স্বাধীনতা রয়েছে।
নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) ও ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকার পরিপত্র জারি করে।
২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট দায়ের করেন অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছরের ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট।
এরপর ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে গত ৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান চেম্বার কোর্টের অনুমতি নিয়ে একটি সিএমপি (হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে) আবেদন করেন। ওইদিনই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সেই আবেনের শুনানির জন্য ১০ জুলাই দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।
সেদিন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিষয়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ।
আগামী ৭ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, সব প্রতিবাদী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে নিজ নিজ কাজে অর্থাৎ পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবেন বলে এ আদালত আশা করে।
আদালত আরও বলেন, স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকারী ছাত্র-ছাত্রীরা চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বক্তব্য এ আদালতের সামনে তুলে ধরতে পারে। আদালত মূল আবেদন নিষ্পত্তির সময় তাদের বক্তব্য বিবেচনায় নেবেন।
কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় রোববার তারা রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেন। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়।

সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট এ রায় দেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল রেখে দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় পরে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, গত ১১ জুলাই রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়। সেখানে সব কোটা বজায় রেখে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে সরকার কোটার হার পরিবর্তন বা বাড়াতে-কমাতে পারে বলে রায় দেন হাইকোর্ট।
আদালত ২০১৮ সালের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে বলেন, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া রায় ও আদেশ, যেটি ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি–নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হলো। এছাড়া জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি–ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, তাদের ক্ষেত্রে কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।
রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন, অনুপাত বা শতাংশ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এই রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় বিবাদীদের স্বাধীনতা রয়েছে।
নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) ও ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকার পরিপত্র জারি করে।
২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট দায়ের করেন অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছরের ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট।
এরপর ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে গত ৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান চেম্বার কোর্টের অনুমতি নিয়ে একটি সিএমপি (হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে) আবেদন করেন। ওইদিনই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সেই আবেনের শুনানির জন্য ১০ জুলাই দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।
সেদিন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিষয়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ।
আগামী ৭ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, সব প্রতিবাদী কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে নিজ নিজ কাজে অর্থাৎ পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবেন বলে এ আদালত আশা করে।
আদালত আরও বলেন, স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকারী ছাত্র-ছাত্রীরা চাইলে আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বক্তব্য এ আদালতের সামনে তুলে ধরতে পারে। আদালত মূল আবেদন নিষ্পত্তির সময় তাদের বক্তব্য বিবেচনায় নেবেন।
কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় রোববার তারা রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা করেন। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক জাতীয় ঈদগাহে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটো
৩ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতরের দিনক্ষণ ঠিক করতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় এই সভায় সারাদেশের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। দেশের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে তা নির্দিষ্ট টেলিফোন নম্বরে বা স্থান
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের নারীদের উপর প্রভাব ফেলে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও
৫ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবারের ঈদে নৌপথে যাত্রীদের যাত্রা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি স্বস্তিদায়ক ও আনন্দদায়ক হবে। পাশাপাশি, সদরঘাটের যাত্রীচাপ কমাতে বসিলা ও শিমুলিয়া লঞ্চঘাট চালু করা হয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে এসব ঘাট স্থায়ী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে