
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আগে ‘বৃত্তি পরীক্ষা’ নামে পরিচিত এই পরীক্ষা এ বছর ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিনে হওয়ার কথা ছিল। আদালতের এই নির্দেশের ফলে সে পরীক্ষা অন্তত এক মাস পিছিয়ে গেল।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন। এ সময় উচ্চ আদালত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৯ নভেম্বর সই করা ১১ নভেম্বরের স্মারকের কার্যক্রম স্থগিত করেন।
ওই স্মারকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও দুজন অভিভাবক ১০ ডিসেম্বর রিট করেন।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিয়াজ মোর্শেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলের লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে এই প্রতিযোগিতা থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। এটি আইনের পরিপন্থি। আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে এই পরীক্ষার কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।’
এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১৭ জুলাইয়ের এক স্মারকে জানায়, শুধু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পার। এ বছরের ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।
রায়ে হাইকোর্ট ১৭ জুলাইয়ের ওই স্মারক বাতিল করে ২০০৮ সালের বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন। ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে চিঠি ইস্যু করতে নির্দেশ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ‘লিভ টু আপিল’ করে, যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এর মধ্যেই গত ১১ নভেম্বর (১৯ নভেম্বর সই করা) ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ আয়োজনের সময়সূচি ঘোষণা করে নতুন স্মারক জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রিটকারী আইনজীবীরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরীক্ষার নাম ‘বৃত্তি পরীক্ষা’ থেকে পরিবর্তন করে ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ রেখে শুধু সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সময়সূচি ঘোষণা করে আদালতের রায়ের সঙ্গে ‘চতুরতা’র পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘বৈষম্য’ করেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আগে ‘বৃত্তি পরীক্ষা’ নামে পরিচিত এই পরীক্ষা এ বছর ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিনে হওয়ার কথা ছিল। আদালতের এই নির্দেশের ফলে সে পরীক্ষা অন্তত এক মাস পিছিয়ে গেল।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন। এ সময় উচ্চ আদালত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৯ নভেম্বর সই করা ১১ নভেম্বরের স্মারকের কার্যক্রম স্থগিত করেন।
ওই স্মারকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও দুজন অভিভাবক ১০ ডিসেম্বর রিট করেন।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিয়াজ মোর্শেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলের লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে এই প্রতিযোগিতা থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। এটি আইনের পরিপন্থি। আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে এই পরীক্ষার কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।’
এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১৭ জুলাইয়ের এক স্মারকে জানায়, শুধু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পার। এ বছরের ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।
রায়ে হাইকোর্ট ১৭ জুলাইয়ের ওই স্মারক বাতিল করে ২০০৮ সালের বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন। ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে চিঠি ইস্যু করতে নির্দেশ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ‘লিভ টু আপিল’ করে, যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এর মধ্যেই গত ১১ নভেম্বর (১৯ নভেম্বর সই করা) ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ আয়োজনের সময়সূচি ঘোষণা করে নতুন স্মারক জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রিটকারী আইনজীবীরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরীক্ষার নাম ‘বৃত্তি পরীক্ষা’ থেকে পরিবর্তন করে ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ রেখে শুধু সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সময়সূচি ঘোষণা করে আদালতের রায়ের সঙ্গে ‘চতুরতা’র পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘বৈষম্য’ করেছে।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল।
৩ ঘণ্টা আগে
আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এমনকি নতুন কোনো মামলা করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের অবস্থানটা স্পষ্ট। আমরা মানুষকে বলব, যদি পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাহলে গণভোটে অংশগ্রহণ করুন এবং হ্যাঁ ভোট দিন।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।
৬ ঘণ্টা আগে