
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে সহযোগিতার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ এর যাত্রা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ করে শিক্ষা, গবেষণা, সাংস্কৃতিক, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে এই সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্মলগ্ন থেকেই এদেশের শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান রয়েছে। আমাদের শিক্ষা, গবেষণা, আর্থ- সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত এই ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
অনুষ্ঠানে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. চেন ডংঝিয়াও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম, চীনের সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. চেন ডংঝিয়াও, ইস্ট চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. যু হোংলিয়ান, ইউনান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক হু জিনমিং বক্তব্য রাখেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে সহযোগিতার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ এর যাত্রা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ করে শিক্ষা, গবেষণা, সাংস্কৃতিক, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে এই সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্মলগ্ন থেকেই এদেশের শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান রয়েছে। আমাদের শিক্ষা, গবেষণা, আর্থ- সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনে সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত এই ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
অনুষ্ঠানে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’ এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. চেন ডংঝিয়াও নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম, চীনের সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. চেন ডংঝিয়াও, ইস্ট চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. যু হোংলিয়ান, ইউনান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক হু জিনমিং বক্তব্য রাখেন।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
২ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
৫ ঘণ্টা আগে