
রাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সব নামফলক, গ্রাফিতি ও দেয়াল লিখন মুছে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একটা বিক্ষোভ-মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইন্সটিটিউটে গিয়ে সেখানে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও আল-বেরুনী হলের দেওয়ালের আঁকা গ্রফিতি ও দেয়ালচিত্রে রঙ ঢেলে মুছে দেন।
এরপর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শেখ হাসিনা হলের সম্মুখে অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনার ম্যুরালটিও ভেঙে ফেলেন। এছাড়া শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীরা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪ হল’ নাম রাখেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরাও হলের নামফলক ভেঙ্গে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘মুজিববাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, 'মুজিববাদ-মুজিববাদ, মুর্দাবাদ-মুর্দাবাদ', 'ফ্যাসিবাদের স্মৃতিচিহ্ন, করে দাও নিশ্চিহ্ন', 'ফ্যাসিবাদের আস্তানা, ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও',—ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে শেখ পরিবারের ম্যুরাল ভাঙতে ও গ্রাফিতি মুছতে দেখা যায়।
জাবি ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি নবীনূর ইসলাম নবীন বলেন, ‘পতিত হাসিনা ভারতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আপমর জনতা ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পতিত হাসিনার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত আছে। খুনি হাসিনাকে সতর্ক করে বলতে চাই, এরকম যদি ষড়যন্ত্র ও কর্মসূচি দেন তাহলে বাংলার জনগণ তা প্রতিহত করবে।’
এ সময় জাহাঙ্গীরনগর সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া জিসান বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু আমরা এ ষড়যন্ত্র মেনে নেবো না। দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং গণহত্যার বিচার করতে হবে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও মুজিববাদের কোনো স্মৃতি এই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সব নামফলক, গ্রাফিতি ও দেয়াল লিখন মুছে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একটা বিক্ষোভ-মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইন্সটিটিউটে গিয়ে সেখানে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও আল-বেরুনী হলের দেওয়ালের আঁকা গ্রফিতি ও দেয়ালচিত্রে রঙ ঢেলে মুছে দেন।
এরপর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শেখ হাসিনা হলের সম্মুখে অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনার ম্যুরালটিও ভেঙে ফেলেন। এছাড়া শেখ রাসেল হলের শিক্ষার্থীরা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয়-২৪ হল’ নাম রাখেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরাও হলের নামফলক ভেঙ্গে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘মুজিববাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, 'মুজিববাদ-মুজিববাদ, মুর্দাবাদ-মুর্দাবাদ', 'ফ্যাসিবাদের স্মৃতিচিহ্ন, করে দাও নিশ্চিহ্ন', 'ফ্যাসিবাদের আস্তানা, ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও',—ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে শেখ পরিবারের ম্যুরাল ভাঙতে ও গ্রাফিতি মুছতে দেখা যায়।
জাবি ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি নবীনূর ইসলাম নবীন বলেন, ‘পতিত হাসিনা ভারতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আপমর জনতা ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পতিত হাসিনার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত আছে। খুনি হাসিনাকে সতর্ক করে বলতে চাই, এরকম যদি ষড়যন্ত্র ও কর্মসূচি দেন তাহলে বাংলার জনগণ তা প্রতিহত করবে।’
এ সময় জাহাঙ্গীরনগর সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া জিসান বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু আমরা এ ষড়যন্ত্র মেনে নেবো না। দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং গণহত্যার বিচার করতে হবে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও মুজিববাদের কোনো স্মৃতি এই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্
১১ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘সাম্প্রতিক কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এ অঞ্চলের অনেক কৃষকের আলু ক্ষেত পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। আবার শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচের পানির অভাবেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খাল খনন সম্পন্ন হলে বর্ষাকালে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি দ্রুত নেমে যাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে খালের
১১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক ভিসির বিষয়ে চেক করেছি, সাইটেশন, কোটেশন, গুগল সার্চ, পিএইচডি, পোস্ট ডক, এমফিল, সব দেখে ক্যাটাগরি করে যারা ভালো পারফরম্যান্স করেছেন, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
১১ ঘণ্টা আগে
আগামী বছর থেকে লটারিতে স্কুলে ভর্তি পদ্ধতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
১৪ ঘণ্টা আগে