
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন সরকারি কলেজের হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংর্ঘষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কলেজের হল
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সরেজমিন ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।
গতরাতে অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধ ঘোষণা করে ১৩ জানুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ। সে সঙ্গে আগামী ৩দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় কলেজের শ্রেণি কার্যক্রম। ফলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হল ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা সর্তক অবস্থানে আছি। আশা করছি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আর হবে না।
এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ বলেন, হল সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের একটি টিম হলে যাচ্ছে, তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে হল থেকে বের করার চেষ্টা করছি। আশা করছি শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে দেবে।
ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন
এদিকে গতরাতে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মর্ধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলকে অহেতুক জড়ানোর প্রতিবাদে কলেজ ফটকে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতারা বলেন, গতকাল অধ্যক্ষকের কক্ষে হলের সিট নবায়ন নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটির মিটিং চলছিল। এ সময় হলের শিক্ষার্থীরা এসে কলেজ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সিনিয়র শিক্ষকদের ক্ষমা চাইতে বলে। বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রদলসহ কলেজের সব ক্রিয়াশীল সংগঠন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে হলের শিক্ষার্থীরা হামলা করে অধ্যক্ষের কক্ষে জুতা নিক্ষেপ করে। মূলত এ ঘটনার জের ধরেই শিক্ষার্থীদের দুইটি পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ ঘটে। এতে শিক্ষার্থী জুবায়ের, বিজয়, মেহেদী, জুবায়েরসহ আরও অনেকেই আহত হয়।
এ সময় ছাত্রদল নেতারা ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করে বলেন, হলে মেয়াদোর্ত্তীণ কোনো শিক্ষার্থী থাকতে পারবে না, অবৈধ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিতদের বের করতে হবে, হলে ৫ আগস্টের পর যারা অবৈধভাবে উঠেছে তাদের নবায়ন করা যাবে না এবং নবায়ন ফি ৬৫০০ টাকা থেকে ৫৫০০ টাকা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে হলের সিট বরাদ্দের নবায়ন ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের দুইটি পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়। এ সময় ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন সরকারি কলেজের হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংর্ঘষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কলেজের হল
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সরেজমিন ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।
গতরাতে অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধ ঘোষণা করে ১৩ জানুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ। সে সঙ্গে আগামী ৩দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় কলেজের শ্রেণি কার্যক্রম। ফলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হল ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা সর্তক অবস্থানে আছি। আশা করছি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আর হবে না।
এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ বলেন, হল সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের একটি টিম হলে যাচ্ছে, তারা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে হল থেকে বের করার চেষ্টা করছি। আশা করছি শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে দেবে।
ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন
এদিকে গতরাতে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মর্ধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলকে অহেতুক জড়ানোর প্রতিবাদে কলেজ ফটকে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতারা বলেন, গতকাল অধ্যক্ষকের কক্ষে হলের সিট নবায়ন নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটির মিটিং চলছিল। এ সময় হলের শিক্ষার্থীরা এসে কলেজ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সিনিয়র শিক্ষকদের ক্ষমা চাইতে বলে। বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রদলসহ কলেজের সব ক্রিয়াশীল সংগঠন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে হলের শিক্ষার্থীরা হামলা করে অধ্যক্ষের কক্ষে জুতা নিক্ষেপ করে। মূলত এ ঘটনার জের ধরেই শিক্ষার্থীদের দুইটি পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ ঘটে। এতে শিক্ষার্থী জুবায়ের, বিজয়, মেহেদী, জুবায়েরসহ আরও অনেকেই আহত হয়।
এ সময় ছাত্রদল নেতারা ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করে বলেন, হলে মেয়াদোর্ত্তীণ কোনো শিক্ষার্থী থাকতে পারবে না, অবৈধ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিতদের বের করতে হবে, হলে ৫ আগস্টের পর যারা অবৈধভাবে উঠেছে তাদের নবায়ন করা যাবে না এবং নবায়ন ফি ৬৫০০ টাকা থেকে ৫৫০০ টাকা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে হলের সিট বরাদ্দের নবায়ন ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের দুইটি পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়। এ সময় ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে পদক্ষেপটি গ্রহণের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৮ ঘণ্টা আগে
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালে ১ হাজার ৮৭ জনকে তল্লাশি করা হয়। এর মধ্যে ২ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ২১৮ বিদেশি নাগরিককে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে আটক করা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পিবিসির পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মরক্কো সভাপতি এবং বাংলাদেশ, জার্মানি, ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই দাবির সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই ফটোকার্ডের শিরোনাম ছিল, ‘নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ।’
১১ ঘণ্টা আগে