
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের একটি বাসে ভাঙচুর চালিয়েছেন এমন অভিযোগে সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এখনো চলছে।
সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে দেখা গেছে, উভয় কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়েছেন। এক দল অপর দলকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসেছেন।
সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুই কলেজের চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হলেন সিটি কলেজের শাহরিয়ার (২১) ও নূর হোসেন (২৪) এবং ঢাকা কলেজের মো. তুষার (১৮) ও অনিম (২১)।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন তারা।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকালে ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা মারধর করেন। এছাড়া দুপুরে ঢাকা কলেজের একটি বাসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কাচ ভেঙে দেওয়া হয়।
ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবায়ের আরেফিন প্রিয় অভিযোগ করেন, আজ আনুমানিক দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কলেজ থেকে হেঁটে বাসায় ফেরার সময় ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডে ১০-১৫ জন কলেজ ছাত্র দৌড়ে এসে আমার মাথার পেছন দিকে আঘাত করতে শুরু করে। শার্টের পকেট ছিঁড়ে আইডি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। আমি তাদের বলি, ভাই আমি তো কিছুই করিনি, তাহলে কী সমস্যা। তারা বলল, এইটা কলেজে কলেজে মারামারি, তুমি বুঝবে না। ছেলেগুলো কলেজ ড্রেস পরে ছিল কিন্তু গলায় কোনো আইডি কার্ড ছিল না। সাদা শার্ট-কালো প্যান্ট ও ঘাড়ে ব্যাগ ছিল। আশপাশের মানুষের মন্তব্যে বোঝা গেছে তারা সিটি কলেজের ছাত্র।
বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের একটি বাসে ভাঙচুর চালিয়েছেন এমন অভিযোগে সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এখনো চলছে।
সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে দেখা গেছে, উভয় কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়েছেন। এক দল অপর দলকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসেছেন।
সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুই কলেজের চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হলেন সিটি কলেজের শাহরিয়ার (২১) ও নূর হোসেন (২৪) এবং ঢাকা কলেজের মো. তুষার (১৮) ও অনিম (২১)।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন তারা।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সকালে ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা মারধর করেন। এছাড়া দুপুরে ঢাকা কলেজের একটি বাসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কাচ ভেঙে দেওয়া হয়।
ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবায়ের আরেফিন প্রিয় অভিযোগ করেন, আজ আনুমানিক দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কলেজ থেকে হেঁটে বাসায় ফেরার সময় ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডে ১০-১৫ জন কলেজ ছাত্র দৌড়ে এসে আমার মাথার পেছন দিকে আঘাত করতে শুরু করে। শার্টের পকেট ছিঁড়ে আইডি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। আমি তাদের বলি, ভাই আমি তো কিছুই করিনি, তাহলে কী সমস্যা। তারা বলল, এইটা কলেজে কলেজে মারামারি, তুমি বুঝবে না। ছেলেগুলো কলেজ ড্রেস পরে ছিল কিন্তু গলায় কোনো আইডি কার্ড ছিল না। সাদা শার্ট-কালো প্যান্ট ও ঘাড়ে ব্যাগ ছিল। আশপাশের মানুষের মন্তব্যে বোঝা গেছে তারা সিটি কলেজের ছাত্র।
বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি উগ্রবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাদের লক্ষ্য ছিল খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা। রোববার সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের এক দিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দক্ষিণ পাশে লালমাই পাহাড়ের গভীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুহিন, আনাস ও ফাহিম ন
১০ ঘণ্টা আগে
সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘ঘাতকদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মহাসড়ক উত্তাল করে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালি
১১ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
১ দিন আগে