
ঢাবি প্রতিনিধি

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথগুলোতে নিরাপত্তা প্রহরীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের মধ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যানের সাত প্রবেশ পথে তিন শিফটের প্রতি শিফটে দুজন করে মোট ৪২ জন সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সদস্যদের মধ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সন্ধ্যা ৭টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিরুৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি উদ্যানের ভেতরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরাপত্তা প্রহরী বাড়ানো হবে, উদ্যানকে সিসি ক্যামেরার অধীন রাখা হবে এবং ক্যাম্পাসসংলগ্ন উদ্যানের গেটগুলো রাত ৮টার পর বন্ধ রাখার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রমনা পার্কের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিত নিরাপত্তা উপকমিটির আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বজলুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির প্রতিনিধি ফেরদৌস আহাম্মদ এবং শাহবাগ থানার ওসি মো. খালিদ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।
সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—
এ ছাড়া ঢাবি শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যা ৭টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না যাওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রচার এবং উদ্যানের ভেতরে স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে বৈঠকে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথগুলোতে নিরাপত্তা প্রহরীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের মধ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যানের সাত প্রবেশ পথে তিন শিফটের প্রতি শিফটে দুজন করে মোট ৪২ জন সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সদস্যদের মধ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সন্ধ্যা ৭টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিরুৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি উদ্যানের ভেতরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরাপত্তা প্রহরী বাড়ানো হবে, উদ্যানকে সিসি ক্যামেরার অধীন রাখা হবে এবং ক্যাম্পাসসংলগ্ন উদ্যানের গেটগুলো রাত ৮টার পর বন্ধ রাখার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রমনা পার্কের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিত নিরাপত্তা উপকমিটির আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বজলুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির প্রতিনিধি ফেরদৌস আহাম্মদ এবং শাহবাগ থানার ওসি মো. খালিদ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।
সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—
এ ছাড়া ঢাবি শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যা ৭টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না যাওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রচার এবং উদ্যানের ভেতরে স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে বৈঠকে।

মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে মোট ৭৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিশাল জাহাজ। সোমবার ভোর ৪টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ ‘টর্ম সিঙ্গাপুর’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। এর কিছুক্ষণ পরই বেলা ১১টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আরও
১৪ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সীমান্তে তারা যদি কাঁটাতারের সীমানা নির্ধারণ করতে চায় তবে সেটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সতর্ক রয়েছে।’
১৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মি. অধিকারী বলেন, ‘আমাদের দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন। পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার প্রশ্ন এবং যে ভাবে জনবিন্যাস বদলে গেছে, আজ প্রথম দিনেই আমরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর ও বিএসএফকে সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য জমি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব
১৬ ঘণ্টা আগে
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত ৯ হাজার ৩৭২ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড-১৯ টেস্ট, মেডিক্যাল ও পোশাক বাবদ আরো ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়। এতে
১৭ ঘণ্টা আগে