
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সমিতি গঠন করায় ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বেসরকারি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়।
দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিক সমিতি রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের হয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু বেসরকারি তিন-চারটি ছাড়া শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই।
বুধবার (১৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন ও রেজিস্ট্রার মো. আবু তারেক স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নাম ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক ছাত্র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি সমিতি চালাচ্ছেন। ঢাকা ইন্টান্যাশনাল ইউনিভাসিটিতে এ ধরনের কোনও সাংবাদিক সমিতি নেই এবং ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষ এ ধরনের সাংবাদিক সমিতিকে স্বীকৃতি প্রদান করেনি।
আদেশে আরো বলা হয়, এ বিষয়ে গত ৫ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। উক্ত সাংবাদিক সমিতি ইউনিভার্সিটির অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসে ক্লাস রুম ব্যবহার করে ৯ মার্চ ২০২৪ সাধারণ সভা আয়োজন করে। ১০ মার্চ ২০২৪-২৫ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মবহির্ভূত।
এতে আরও বলা হয়, ১৩ মার্চ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার (ইনচার্জ), প্রক্টর এবং সকল বিভাগীয় প্রধানের সমন্বয়ে একটি সভা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত সাংবাদিক সমিতির সংশ্লিষ্ট সদস্যদের কেন বহিষ্কার করা হবে না, এই মর্মে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু ফেসবুক পোস্টে এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ছাত্রদের সাংবাদিক সমিতি করার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
এদিকে এ ঘটনায় প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি হাসান ওয়ালী ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সৌরভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বৈরাচারী শাসকের রূপে আবির্ভূত হয়েছে। সাধারণ ছাত্রদের মৌলিক অধিকার হরণ করে বাক স্বাধীনতাকে গলা টিপে হত্যা করছে।
আমরা এই ঘটনার নিন্দা এবং অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার না করলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সমিতি গঠন করায় ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বেসরকারি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়।
দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিক সমিতি রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের হয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু বেসরকারি তিন-চারটি ছাড়া শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই।
বুধবার (১৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন ও রেজিস্ট্রার মো. আবু তারেক স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নাম ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক ছাত্র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি সমিতি চালাচ্ছেন। ঢাকা ইন্টান্যাশনাল ইউনিভাসিটিতে এ ধরনের কোনও সাংবাদিক সমিতি নেই এবং ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষ এ ধরনের সাংবাদিক সমিতিকে স্বীকৃতি প্রদান করেনি।
আদেশে আরো বলা হয়, এ বিষয়ে গত ৫ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। উক্ত সাংবাদিক সমিতি ইউনিভার্সিটির অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসে ক্লাস রুম ব্যবহার করে ৯ মার্চ ২০২৪ সাধারণ সভা আয়োজন করে। ১০ মার্চ ২০২৪-২৫ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মবহির্ভূত।
এতে আরও বলা হয়, ১৩ মার্চ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার (ইনচার্জ), প্রক্টর এবং সকল বিভাগীয় প্রধানের সমন্বয়ে একটি সভা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত সাংবাদিক সমিতির সংশ্লিষ্ট সদস্যদের কেন বহিষ্কার করা হবে না, এই মর্মে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে তাদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু ফেসবুক পোস্টে এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ছাত্রদের সাংবাদিক সমিতি করার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
এদিকে এ ঘটনায় প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি হাসান ওয়ালী ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সৌরভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বৈরাচারী শাসকের রূপে আবির্ভূত হয়েছে। সাধারণ ছাত্রদের মৌলিক অধিকার হরণ করে বাক স্বাধীনতাকে গলা টিপে হত্যা করছে।
আমরা এই ঘটনার নিন্দা এবং অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার না করলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
১২ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১৫ ঘণ্টা আগে