
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত বছরের জানুয়ারিতে সারাহ ইসলামের অঙ্গদানের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয় ব্রেন ডেথ মানুষের থেকে কিডনি নিয়ে অন্য রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া। যা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে। তবে সফলতার যে কথা বলা হয়েছিল, সেটি অনেকাংশে ম্লান হয়েছে। প্রথমজনের পর দ্বিতীয় রোগী শামীমা আক্তারও (৩৪) মারা গেলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে মারা যান শামীমা। ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমজন লাংয়ের ইনফেকশনে (ফুসফুসের সংক্রমণ) মারা গেছেন। এবার দ্বিতীয়জনও চলে গেলেন। এটি আমাদের জন্য খুবই কষ্টের।
তিনি বলেন, শেষ ছয় মাস আমাদের আওতার বাইরে ছিল শামীমা। সম্প্রতি শামীমার ভাই জানায়, কিডনির ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে, একেবারে শুকিয়ে গেছে শামীমা। পরে তিন সপ্তাহ আবারও বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। শুরুর দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কেন শুকিয়ে যাচ্ছিল সেটি ধরতে পারছিলেন না চিকিৎসকেরা। ক্রিয়েটিনিন পুনরায় বাড়ায় ওয়ার্ড থেকে কেবিনে আনা হয়। তারপরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চার দিন আগে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে এই সার্জন বলেন, তার রক্তে সি ভাইরাস ও বিরল নিউমোনিয়া ধরা পড়েছিল। সে অনুযায়ী কিডনি ডায়ালাইসিসও শুরু করেছিলাম আমরা। কিন্তু আমাদের সেখানে সমস্যা হওয়ায় ওয়ার্ডে নিয়েও সি ভাইরাস ডায়ালাইসিস দিয়েছিলাম। এরপর আর উন্নতি হয়নি। বাইরের হাসপাতালেও একদিন নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় আবারও আমাদের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই রাত ৯টার দিকে মারা যায়।
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, হেপাটাইটিস সি পজিটিভ হলে ব্লাড কাজ করে না। এজন্য বিশেষ ধরে রক্ত লাগে, সেটিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আর রেসপন্স করেনি। বাড়িতে থাকার সময়ে অবস্থা খারাপ হলেও সময়মতো আমাদের জানানো হয়নি। অনেকটা অবহেলা ছিল। খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো এ অবস্থা দেখতে হতো না।
এদিকে দ্বিতীয় ক্যাডাভেরিকেও দুজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৭ বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভোগা এক ব্যক্তিকে এ বছরের ২৫ জানুয়ারি দেশের দ্বিতীয়বারের মতো ব্রেন ডেড রোগীর দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। রাজধানীর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হওয়া ওই প্রতিস্থাপনে ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান ৪৪ বছর বয়সি ওই রোগী। তবে বিসএমএমইউতে প্রতিস্থাপন হওয়া আরেক রোগী এখন পর্যন্ত সুস্থ।

গত বছরের জানুয়ারিতে সারাহ ইসলামের অঙ্গদানের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয় ব্রেন ডেথ মানুষের থেকে কিডনি নিয়ে অন্য রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া। যা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে। তবে সফলতার যে কথা বলা হয়েছিল, সেটি অনেকাংশে ম্লান হয়েছে। প্রথমজনের পর দ্বিতীয় রোগী শামীমা আক্তারও (৩৪) মারা গেলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে মারা যান শামীমা। ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমজন লাংয়ের ইনফেকশনে (ফুসফুসের সংক্রমণ) মারা গেছেন। এবার দ্বিতীয়জনও চলে গেলেন। এটি আমাদের জন্য খুবই কষ্টের।
তিনি বলেন, শেষ ছয় মাস আমাদের আওতার বাইরে ছিল শামীমা। সম্প্রতি শামীমার ভাই জানায়, কিডনির ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে, একেবারে শুকিয়ে গেছে শামীমা। পরে তিন সপ্তাহ আবারও বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। শুরুর দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কেন শুকিয়ে যাচ্ছিল সেটি ধরতে পারছিলেন না চিকিৎসকেরা। ক্রিয়েটিনিন পুনরায় বাড়ায় ওয়ার্ড থেকে কেবিনে আনা হয়। তারপরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চার দিন আগে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে এই সার্জন বলেন, তার রক্তে সি ভাইরাস ও বিরল নিউমোনিয়া ধরা পড়েছিল। সে অনুযায়ী কিডনি ডায়ালাইসিসও শুরু করেছিলাম আমরা। কিন্তু আমাদের সেখানে সমস্যা হওয়ায় ওয়ার্ডে নিয়েও সি ভাইরাস ডায়ালাইসিস দিয়েছিলাম। এরপর আর উন্নতি হয়নি। বাইরের হাসপাতালেও একদিন নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় আবারও আমাদের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই রাত ৯টার দিকে মারা যায়।
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, হেপাটাইটিস সি পজিটিভ হলে ব্লাড কাজ করে না। এজন্য বিশেষ ধরে রক্ত লাগে, সেটিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আর রেসপন্স করেনি। বাড়িতে থাকার সময়ে অবস্থা খারাপ হলেও সময়মতো আমাদের জানানো হয়নি। অনেকটা অবহেলা ছিল। খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো এ অবস্থা দেখতে হতো না।
এদিকে দ্বিতীয় ক্যাডাভেরিকেও দুজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৭ বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভোগা এক ব্যক্তিকে এ বছরের ২৫ জানুয়ারি দেশের দ্বিতীয়বারের মতো ব্রেন ডেড রোগীর দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। রাজধানীর কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হওয়া ওই প্রতিস্থাপনে ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান ৪৪ বছর বয়সি ওই রোগী। তবে বিসএমএমইউতে প্রতিস্থাপন হওয়া আরেক রোগী এখন পর্যন্ত সুস্থ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, বংশাল এলাকার একটি সেলুনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময়ে চুক্তি অনুযায়ী দেশে ফেরাতে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারকে। দেশে এলেই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গবেষণার প্রধান বৈজ্ঞানিক গবেষক অধ্যাপক তেরেসা ল্যাম্ব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বুন্দিবুগিও ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার মাত্র ৫৭ দিনের মধ্যেই টিকাটি মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এই সংকট মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
১৫ ঘণ্টা আগে