
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মরা অনেকেই রান্নাঘরে প্রায়ই দুটি শব্দ শুনি—বেকিং পাউডার আর খাবার সোডা। দেখতে একরকম সাদা গুঁড়ো হলেও, এই দুটি জিনিস একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে যারা কেক, বিস্কুট বা পাউরুটি বানাতে পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে এই দুটি উপাদান খুবই পরিচিত। কিন্তু এগুলো কী, কীভাবে কাজ করে, আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকর—এসব নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। চলুন, বিষয়টি সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি।
খাবার সোডার আসল নাম হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট। বাংলা হরফে বললে এটি ‘সোডিয়াম বাইকার্বোনেট’। এটি একটি ক্ষারীয় পদার্থ, যা কোনো অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলেই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে। এই গ্যাস বেকিংয়ে ডো-কে ফুলিয়ে তোলে। যেমন, যদি লেবুর রস বা টক দইয়ের সঙ্গে খাবার সোডা মেশানো হয়, তাহলে গ্যাস তৈরি হয় এবং সেই গ্যাস কেক বা বিস্কুটকে নরম, হালকা করে তোলে।
অন্যদিকে, বেকিং পাউডার হলো এমন এক ধরনের যৌগ যা নিজেই অ্যাসিড এবং ক্ষারীয় উভয় উপাদান বহন করে। অর্থাৎ, এতে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট তো থাকে, সঙ্গে অ্যাসিডিক উপাদানও থাকে—যেমন ক্রিম অব টারটার। এর মানে, বেকিং পাউডার মিশিয়ে আলাদা করে টক উপাদান যোগ করতে হয় না। তাপমাত্রা বা পানি পেলেই এটি সক্রিয় হয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে।
যেহেতু এই দুটি উপাদানই রাসায়নিক এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা হয়, তাই খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া শরীরের পক্ষে মোটেই ভালো নয়। তবে সীমিত ব্যবহারে কিছু উপকারও হতে পারে।
বিশ্বখ্যাত মায়ো ক্লিনিক-এর চিকিৎসক ড. পল ম্যাসন জানান, “সোডিয়াম বাইকার্বনেট অল্প পরিমাণে খেলে অম্বল বা এসিডিটির মতো সমস্যা কমানো যায়। তবে নিয়মিত বা মাত্রাতিরিক্ত গ্রহণে এটি রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।”
বেকিং সোডা কখনো কখনো ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেমন দাঁতের ব্যথা বা মুখের ঘায়ের চিকিৎসায়। তবে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে মুখের স্বাভাবিক পিএইচ (pH) স্তরে বিঘ্ন ঘটে এবং দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. লরেল টেইলর। তাঁর মতে, “এই জাতীয় ক্ষারীয় উপাদান মুখের ভেতর দীর্ঘদিন থাকলে উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়।”
বেকিং সোডা কিংবা বেকিং পাউডার শুধু রান্নাতেই নয়, বহু ঘরোয়া কাজেও ব্যবহৃত হয়। যেমন—ফ্রিজ বা রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে, ত্বকে হালকা স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে, কিংবা ঘর পরিষ্কারে। তবে এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই সতর্কতা জরুরি। যেমন ত্বকে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে তা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, এমনকি র্যাশও দেখা দিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনির ডার্মাটোলজি বিভাগের গবেষক ড. এমা বেনেট বলেন, “বেকিং সোডার ক্ষারীয় প্রকৃতি ত্বকের স্বাভাবিক অম্লীয়ত্ব (acidity) নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে জ্বালা বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এখনো বেকিং সোডা বা বেকিং পাউডারকে ‘সাধারণভাবে নিরাপদ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে তারা স্পষ্ট করে বলেছে, এই জাতীয় উপাদান নিয়মিত ও প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাঁরা উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা বা হৃদ্রোগে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এগুলোর অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
খাবার সোডা বা বেকিং পাউডার একবারে বেশি খেলে বমি, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ক্যাপিটাল পয়জন সেন্টার’-এর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভুলবশত অতিরিক্ত সোডিয়াম বাইকার্বনেট খেয়ে ফেলার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন শিশুরা।
যে কোনো প্যাকেটজাত বেকিং পাউডার বা সোডার গায়ে ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া থাকে। তা অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। বিশেষ করে বাড়িতে কেক বা বিস্কুট বানাতে গিয়ে অনেকে আন্দাজে বেশি সোডা মিশিয়ে দেন। এতে খাবার যেমন তিতা হয়, তেমনি শরীরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই মাপ অনুযায়ী এবং প্রয়োজন বুঝেই এই উপাদানগুলো ব্যবহার করা উচিত।
বেকিং পাউডার এবং খাবার সোডা—এই দুটি উপাদান আধুনিক রান্নার অঙ্গ। কেক, পিঠা, বিস্কুট বানাতে এদের বিকল্প নেই বললেই চলে। আবার কিছু ঘরোয়া সমস্যায়ও এগুলোর ব্যবহার রয়েছে। তবে এগুলোর মূল উপাদান সোডিয়াম হওয়ায় অতিরিক্ত গ্রহণে হতে পারে শরীরের ক্ষতি। তাই রাঁধুনি হোন বা স্বাস্থ্য সচেতন কেউ, সবারই জানা উচিত—এই সাদা গুঁড়োটি যতটা উপকারী, অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ততটাই ক্ষতিকর। পরিমিত ব্যবহারে এর সুবিধা নেওয়া গেলেও দাওয়াই বা দৈনিক খাদ্য হিসেবে গ্রহণ মোটেই সমীচীন নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক তথ্য ও সজাগতার মাধ্যমেই আমরা এগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি।

মরা অনেকেই রান্নাঘরে প্রায়ই দুটি শব্দ শুনি—বেকিং পাউডার আর খাবার সোডা। দেখতে একরকম সাদা গুঁড়ো হলেও, এই দুটি জিনিস একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে যারা কেক, বিস্কুট বা পাউরুটি বানাতে পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে এই দুটি উপাদান খুবই পরিচিত। কিন্তু এগুলো কী, কীভাবে কাজ করে, আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকর—এসব নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। চলুন, বিষয়টি সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি।
খাবার সোডার আসল নাম হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট। বাংলা হরফে বললে এটি ‘সোডিয়াম বাইকার্বোনেট’। এটি একটি ক্ষারীয় পদার্থ, যা কোনো অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলেই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে। এই গ্যাস বেকিংয়ে ডো-কে ফুলিয়ে তোলে। যেমন, যদি লেবুর রস বা টক দইয়ের সঙ্গে খাবার সোডা মেশানো হয়, তাহলে গ্যাস তৈরি হয় এবং সেই গ্যাস কেক বা বিস্কুটকে নরম, হালকা করে তোলে।
অন্যদিকে, বেকিং পাউডার হলো এমন এক ধরনের যৌগ যা নিজেই অ্যাসিড এবং ক্ষারীয় উভয় উপাদান বহন করে। অর্থাৎ, এতে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট তো থাকে, সঙ্গে অ্যাসিডিক উপাদানও থাকে—যেমন ক্রিম অব টারটার। এর মানে, বেকিং পাউডার মিশিয়ে আলাদা করে টক উপাদান যোগ করতে হয় না। তাপমাত্রা বা পানি পেলেই এটি সক্রিয় হয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে।
যেহেতু এই দুটি উপাদানই রাসায়নিক এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা হয়, তাই খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া শরীরের পক্ষে মোটেই ভালো নয়। তবে সীমিত ব্যবহারে কিছু উপকারও হতে পারে।
বিশ্বখ্যাত মায়ো ক্লিনিক-এর চিকিৎসক ড. পল ম্যাসন জানান, “সোডিয়াম বাইকার্বনেট অল্প পরিমাণে খেলে অম্বল বা এসিডিটির মতো সমস্যা কমানো যায়। তবে নিয়মিত বা মাত্রাতিরিক্ত গ্রহণে এটি রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।”
বেকিং সোডা কখনো কখনো ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেমন দাঁতের ব্যথা বা মুখের ঘায়ের চিকিৎসায়। তবে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে মুখের স্বাভাবিক পিএইচ (pH) স্তরে বিঘ্ন ঘটে এবং দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. লরেল টেইলর। তাঁর মতে, “এই জাতীয় ক্ষারীয় উপাদান মুখের ভেতর দীর্ঘদিন থাকলে উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়।”
বেকিং সোডা কিংবা বেকিং পাউডার শুধু রান্নাতেই নয়, বহু ঘরোয়া কাজেও ব্যবহৃত হয়। যেমন—ফ্রিজ বা রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে, ত্বকে হালকা স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে, কিংবা ঘর পরিষ্কারে। তবে এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই সতর্কতা জরুরি। যেমন ত্বকে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে তা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, এমনকি র্যাশও দেখা দিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সিডনির ডার্মাটোলজি বিভাগের গবেষক ড. এমা বেনেট বলেন, “বেকিং সোডার ক্ষারীয় প্রকৃতি ত্বকের স্বাভাবিক অম্লীয়ত্ব (acidity) নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে জ্বালা বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এখনো বেকিং সোডা বা বেকিং পাউডারকে ‘সাধারণভাবে নিরাপদ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে তারা স্পষ্ট করে বলেছে, এই জাতীয় উপাদান নিয়মিত ও প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাঁরা উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা বা হৃদ্রোগে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এগুলোর অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
খাবার সোডা বা বেকিং পাউডার একবারে বেশি খেলে বমি, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ক্যাপিটাল পয়জন সেন্টার’-এর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভুলবশত অতিরিক্ত সোডিয়াম বাইকার্বনেট খেয়ে ফেলার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন শিশুরা।
যে কোনো প্যাকেটজাত বেকিং পাউডার বা সোডার গায়ে ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া থাকে। তা অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। বিশেষ করে বাড়িতে কেক বা বিস্কুট বানাতে গিয়ে অনেকে আন্দাজে বেশি সোডা মিশিয়ে দেন। এতে খাবার যেমন তিতা হয়, তেমনি শরীরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই মাপ অনুযায়ী এবং প্রয়োজন বুঝেই এই উপাদানগুলো ব্যবহার করা উচিত।
বেকিং পাউডার এবং খাবার সোডা—এই দুটি উপাদান আধুনিক রান্নার অঙ্গ। কেক, পিঠা, বিস্কুট বানাতে এদের বিকল্প নেই বললেই চলে। আবার কিছু ঘরোয়া সমস্যায়ও এগুলোর ব্যবহার রয়েছে। তবে এগুলোর মূল উপাদান সোডিয়াম হওয়ায় অতিরিক্ত গ্রহণে হতে পারে শরীরের ক্ষতি। তাই রাঁধুনি হোন বা স্বাস্থ্য সচেতন কেউ, সবারই জানা উচিত—এই সাদা গুঁড়োটি যতটা উপকারী, অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ততটাই ক্ষতিকর। পরিমিত ব্যবহারে এর সুবিধা নেওয়া গেলেও দাওয়াই বা দৈনিক খাদ্য হিসেবে গ্রহণ মোটেই সমীচীন নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক তথ্য ও সজাগতার মাধ্যমেই আমরা এগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি।

পল কাপুরের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি তার কাছে উল্লেখ করেছি, আমাদের দুজন বাংলাদেশি মারা গেছেন, সাতজন আহত হয়েছেন। এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘতর বা বিস্তৃত হয় তাহলে এ শঙ্কা বাড়তে পারে। তার চাইতে…এবং একইসঙ্গে আমাদের মতো দেশের পক্ষে এই যুদ্ধের অর্থনীতিক যে
৭ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, ঘটনার পর খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নেয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
নারীদের জন্য জাতীয় ঈদগাহের দক্ষিণ দিকে আলাদা প্রবেশপথসহ আসন রাখার ব্যবস্থা রাখার বিষয়টিও প্রচার করতে হবে। ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতের ইমাম মনোনয়নের জন্য তিনজন আলেম, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত পরিচালনার জন্য তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পাঠাতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাতে থাকা জ্বালানি জনগণকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
৯ ঘণ্টা আগে