
শাহরিয়ার শরীফ

আবহাওয়া বিভাগের চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ছয়টি তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গত ৩ এপ্রিল ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যা মানুষের অস্বস্তি ও অসুস্থতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের হিসাব অনুযায়ী তাপপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করে। কোনও স্থানের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা যখন ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তাকে বলে মাঝারি তাপপ্রবাহ।
আর তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে আবার বলে তীব্র তাপপ্রবাহ।
এপ্রিলের শুরুতেই ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রায় প্রতিদিনই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই তাপপ্রবাহ সোমবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এপ্রিলেই আরও একটি তাপপ্রবাহ আসছে।
আমাদের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাইরের তাপমাত্রা যদি তার চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি উঠে যায় এবং সে কারণে যদি দেহের ভেতরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি বা তার চেয়েও বেশি হয়, তাহলে হিটস্ট্রোক হতে পারে।
যদিও সচরাচর এ রকম হয় না। কারণ শরীর তার নিজস্ব ব্যবস্থায় ঘাম ঝরিয়ে বা অন্যান্য উপায়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
তবে হঠাৎ তাপমাত্রার উর্ধ্বগতি হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। এই সময় আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।
লক্ষণ
হিটস্ট্রোক শরীর নিস্তেজ করে ফেলে। অতিরিক্ত তাপে লাংগস, হার্ট, কিডনিসহ দরকারি যন্ত্রপাতি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে; তীব্র মাথাব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, প্রচণ্ড তৃষ্ণা, পানিশূন্যতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব, প্রলাপ বকা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, পেশিতে ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি।
এমন লক্ষণ দেখলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কাছাকাছি কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়া ভালো।
যা করবেন
রমজানে সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত যেহেতু পানি পান করার সুযোগ নেই, তাই ইফতারে পানীয় জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করতে হবে।
তবে একবারে অনেক খাবার গ্রহণ না করে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বয়স্ক মানুষ, শিশু, গর্ভবতী, খেলোয়াড় এবং যারা বাইরে কায়িক পরিশ্রমের পেশার সঙ্গে জড়িত, তারা সব চাইতে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকেন তাপপ্রবাহের সময়।
তাই এই সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে
> রোদে না যাওয়া ভালো, সরাসরি সূর্যের নিচে যাদের কাজ, তাদের ঝুঁকি বেশি।
> রোদে কাজ করতে হলে বার বার ছায়ায় যেতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে।
> বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত তাপমাত্রা বেশি থাকে, তখন বাইরের কাজ কমিয়ে আনার চেষ্টা।
> প্রচুর পানি এবং তরল পানীয়, যেমন শরবত, ডাব, তরমুজ ও বিভিন্ন ফলের রস পান করতে হবে।
> প্রয়োজনমাফিক গোসল করা।
> বারবার মুখ ও শরীরে পানির ঝাপটা দিন।
> যথেষ্ট বিশ্রাম নিতে হবে।
> ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
> ঘরের বাইরে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
> ব্যায়াম সীমিত করতে হবে।
> রোদে গাড়ি পার্ক না করা উচিত নয়।
> অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
> স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি পানি পান করতে হবে।

আবহাওয়া বিভাগের চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ছয়টি তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গত ৩ এপ্রিল ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যা মানুষের অস্বস্তি ও অসুস্থতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের হিসাব অনুযায়ী তাপপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করে। কোনও স্থানের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা যখন ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তাকে বলে মাঝারি তাপপ্রবাহ।
আর তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে সেটিকে আবার বলে তীব্র তাপপ্রবাহ।
এপ্রিলের শুরুতেই ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রায় প্রতিদিনই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই তাপপ্রবাহ সোমবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এপ্রিলেই আরও একটি তাপপ্রবাহ আসছে।
আমাদের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাইরের তাপমাত্রা যদি তার চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি উঠে যায় এবং সে কারণে যদি দেহের ভেতরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি বা তার চেয়েও বেশি হয়, তাহলে হিটস্ট্রোক হতে পারে।
যদিও সচরাচর এ রকম হয় না। কারণ শরীর তার নিজস্ব ব্যবস্থায় ঘাম ঝরিয়ে বা অন্যান্য উপায়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
তবে হঠাৎ তাপমাত্রার উর্ধ্বগতি হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। এই সময় আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।
লক্ষণ
হিটস্ট্রোক শরীর নিস্তেজ করে ফেলে। অতিরিক্ত তাপে লাংগস, হার্ট, কিডনিসহ দরকারি যন্ত্রপাতি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে; তীব্র মাথাব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, প্রচণ্ড তৃষ্ণা, পানিশূন্যতা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব, প্রলাপ বকা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, পেশিতে ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি।
এমন লক্ষণ দেখলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কাছাকাছি কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়া ভালো।
যা করবেন
রমজানে সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত যেহেতু পানি পান করার সুযোগ নেই, তাই ইফতারে পানীয় জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করতে হবে।
তবে একবারে অনেক খাবার গ্রহণ না করে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বয়স্ক মানুষ, শিশু, গর্ভবতী, খেলোয়াড় এবং যারা বাইরে কায়িক পরিশ্রমের পেশার সঙ্গে জড়িত, তারা সব চাইতে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকেন তাপপ্রবাহের সময়।
তাই এই সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে
> রোদে না যাওয়া ভালো, সরাসরি সূর্যের নিচে যাদের কাজ, তাদের ঝুঁকি বেশি।
> রোদে কাজ করতে হলে বার বার ছায়ায় যেতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে।
> বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত তাপমাত্রা বেশি থাকে, তখন বাইরের কাজ কমিয়ে আনার চেষ্টা।
> প্রচুর পানি এবং তরল পানীয়, যেমন শরবত, ডাব, তরমুজ ও বিভিন্ন ফলের রস পান করতে হবে।
> প্রয়োজনমাফিক গোসল করা।
> বারবার মুখ ও শরীরে পানির ঝাপটা দিন।
> যথেষ্ট বিশ্রাম নিতে হবে।
> ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
> ঘরের বাইরে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
> ব্যায়াম সীমিত করতে হবে।
> রোদে গাড়ি পার্ক না করা উচিত নয়।
> অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
> স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি পানি পান করতে হবে।

গবেষণার প্রধান বৈজ্ঞানিক গবেষক অধ্যাপক তেরেসা ল্যাম্ব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বুন্দিবুগিও ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার মাত্র ৫৭ দিনের মধ্যেই টিকাটি মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এই সংকট মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০০১ সালের ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ রদ করে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ সংসদে পাস হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনার এ সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে হুংকার ছাড়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আত্মসমর্পণ করবেন। আমি আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে গোটা জাতিকে জানাতে চাই, যারা হুংকার দিচ্ছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
১৩ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়নে সচিব কমিটি ষষ্ঠ সভায় বসবে। এ সভায় আগের পাঁচ বৈঠকের নানা সুপারিশ সমন্বয় করে চূড়ান্ত একটি সুপারিশ প্রণয়ন করা হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে