বইমেলায় সব্যসাচীর স্টলে হামলা: প্রতিবাদে ১২৪ লেখক-শিল্পী-অধিকার কর্মীর বিবৃতি

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বইমেলায় সব্যসাচীর স্টল। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

আগে থেকে ফেসবুকে হুমকি দিয়ে অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশনা সংস্থা সব্যসাচীর স্টলে ‘মব’ স্টলে হামলাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর এক গুরুতর আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন লেখক, শিল্পী, অধিকার কর্মীরা। এ হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছ তারা বিবৃতি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। বিবৃতিতে সই করেছেন ১২৪ জন লেখক, শিল্পী ও অধিকার কর্মী। গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বইমেলায় এ ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও প্রকাশককে লাঞ্ছিত করে স্টল ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দেওয়ার যে হুমকি দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্টতই প্রমাণ করে যে এই মবগোষ্ঠী দেশের জনগণের মৌলিক মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরোধী।

সব্যসাচীর স্টলে হামলাকে একই ধরনের আরও কিছু হামলার ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিবৃতিদারা। তারা বলেন, এই ঘৃণ্য আক্রমণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০০৪ সালে কবি হুমায়ুন আজাদের ওপর নৃশংস হামলা, ২০১৫ সালে লেখক অভিজিৎ রায় ও প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনের হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে মাজার ভাঙা, মেয়েদের ফুটবল খেলতে বাঁধা দেওয়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের আলটিমেটাম দেওয়া একই ধরনের সহিংসতার ধারাবাহিকতার অংশ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশেষত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ব্লগার এবং ভিন্ন চিন্তা ও বৈশিষ্ট্যের মানুষদের হত্যার ক্ষেত্রে প্রথমে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর প্রচারণা ও সম্মতি উৎপাদন; পরে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও পরোক্ষ মদতে এসব হত্যার ঘটনা আমরা ঘটতে দেখেছি। খুনিদের আড়াল করা, মনগড়া নানা মিথ্যা ভাষ্য দেওয়া এবং বিচারে অনীহার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সময়ে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে ফ্যাসিবাদী শাসক ও ধর্মীয় উগ্রবাদীরা একই স্বার্থে কাজ করেছে।

বিবৃতিদাতারা বলেন, আমরা দেখেছি, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কীভাবে লেখক মুশতাকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে তাকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আমরা একইভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে বিপণ্ন হতে দেখছি। গতকালকের (সব্যসাচীর স্টলে হামলা) ঘটনাটি প্রমাণ করে যে বইমেলার বর্তমান নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকার্যকর।

হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করছি, হামলায় সাথে জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। বইমেলার নিরাপত্তাব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে বহুগুণ জোরদার করতে হবে। এ ধরনের সহিংস বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধে কোনো নতি স্বীকার না করে রাষ্ট্রকে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। যদি এই ন্যূনতম দাবিগুলোও পূরণ না করা হয়, তবে বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের এ ব্যর্থতার দায় নিতে হবে।

বিবৃতিদাতারা বলেন, আমরা সব গণতন্ত্রমনা মানুষকে এই সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের অপরিহার্য অধিকার। এই অধিকার রক্ষায় আমরা অবিচল থাকব।

বিবৃতিতে যারা সই করেছেন তারা হলেন—

গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা নিত্রা, নৃবিজ্ঞানী নাসরিন খন্দকার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার, চলচ্চিত্রকার ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের শিক্ষক লাবনী আশরাফি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ‍্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ‍্যাপক মাসউদ ইমরান মান্নু, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, চিকিৎসক এবং মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. হারুন উর রশীদ, লেখক ও গবেষক কল্লোল মোস্তফা, নৃবিজ্ঞানী নাসরিন খন্দকার, আইনজীবী মানজুর আল মতিন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ, লইয়ারস ফর এনার্জি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ আল নোমান, লেখক ও অনুবাদক বর্ণালী সাহা, নাট্য নির্দেশক দীপক কুমার গোস্বামী, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট বাকী বিল্লাহ, চলচ্চিত্রকার আকরাম খান, কবি ও অধিকার কর্মী ফেরদৌস আরা রুমী, লিটল ম্যাগাজিন ‘পোস্টকার্ডে’র সম্পাদক ডা. তন্ময় সান্যাল, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা সজীব তানভীর, চলচ্চিত্রকার রাফসান আহমেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা ইমেল হক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগীব নাঈম, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের আহ্বায়ক আরমানুল হক, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, মানবাধিকার কর্মী সাইদ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী আকলিমা ফেরদৌস লিসা, মানবাধিকার কর্মী মোশফেক আরা শিমুল, শিক্ষক তানিয়াহ্ মাহমুদা তিন্নি, শিক্ষক অলিউর সান, অ্যাকটিভিস্ট মারুফ হাসান ভূঞা, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, ডেন্টাল সার্জন ডা. নাজমুস সাকিব, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী আবদুর রহমান, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সংগঠক সুস্মিতা রায় সুপ্তি, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিমা আক্তার, চলচ্চিত্রকার রাফসান আহমেদ, ব্যবসায়ী ও সংগঠক রবিউল করিম নান্টু, লেখক ও সাংবাদিক খোকন দাস, অ্যাকটিভিস্ট আফজাল হোসেন, সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তুহিন, চলচ্চিত্রকর্মী শাহীনূর আক্তার শাহীন, ডেন্টাল সার্জন ডা. রাকিবা আমাতুল কারীম, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট অনুপম সৈকত শান্ত, কবি ও লেখক মুতাসিম আলী, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মানস নন্দী, অধিকার কর্মী মাইনুল হাসান, চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা শ্যামল শিশির, চলচ্চিত্র নির্মাতা সেতু আরিফ, অধিকার কর্মী মুনওয়ার আলম নির্ঝর, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ফাহিমা কানিজ লাভা, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা ধ্রুব দাশ, লেখক নাশাদ ময়ুখ, কবি সিফাত বিনতে ওয়াহিদ, রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ, সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল রাশীদ, সাংবাদিক জহির রায়হান জুয়েল।

বিবৃতিতে আরও সেই করেছেন লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট আরিফ রহমান, সংস্কৃতি কর্মী রুমি প্রভা, বাংলা প্রেসের প্রকাশক শোয়াইব আহম্মেদ, সিপিবির জাতীয় পরিষদ সদস্য সিরাজুমমুনীর, কবি ও কথাসাহিত্যিক সৈকত দে, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ) সহকারী সাধারণ সম্পাদক কে এম আব্দুল্লাহ আল নিশাত, সাংবাদিক তাসীন মল্লিক, অ্যাকটিভিস্ট ও আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়া, আর্টিস্ট এশা দেওয়ান, কবি সোয়েব মাহমুদ, শিক্ষার্থী মাহির আহনাফ হোসেন, কবি রহমান মুফিজ, গবেষক ও লেখক-অ্যাকটিভিস্ট মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, সাংবাদিক অনিক রায়, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা, অ্যাকটিভিস্ট সুব্রত শুভ, লেখক ও অনুবাদক মাজহার জীবন, শিক্ষক ইসহাক সরকার, গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ বিশ্বাস, কবি শামসুল হুদা মুস্তফা, কবি তাহমীদ চৌধুরী, কবি আযুমা হীম, লেখক ও সাহিত্য সম্পাদক তারেক শাহরিয়ার, কবি কায়েস মাহমুদ, আর্টিস্ট ধ্রুবানী মাহবুব, অভিনয়শিল্পী ও অ্যাকটিভিস্ট নাঈমা তাসনীম, সাংবাদিক আয়েন উদ্দীন, অ্যাকটিভিস্ট কল্যান দত্ত, গবেষক ও অ্যাকটিভিস্ট কৌশিক আহমেদ, গবেষক ও অ্যাকটিভিস্ট মীর হুযাইফা মামদূহ, গবেষক ও অ্যাকটিভিস্ট রেং ইয়াং ম্রো, রাজনৈতিক কর্মী সাদরুল হাসান রিপন, ছোটকাগজ সম্পাদক ও সংস্কৃতি কর্মী শিমন রায়হান, স্থপতি ও মানবিক সহায়তা কর্মী ফারহানা শারমীন ইমু, বিপ্লবী নারী ফোরামের আমেনা আক্তার আশা, কৃষক-পরিবেশ কর্মী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ব্রাত্য আমিন, অ্যাকটিভিস্ট মারজিয়া প্রভা, সংস্কৃতি কর্মী আরিফ নুর, আলোকচিত্রী হিমু, ব্যবসায়ী রায়হান কবির, আলোকচিত্রী আফরিন শরীফ বীথি, চলচ্চিত্র সম্পাদক জাহেদ আহমেদ, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা আশিকুর রহমান অনিক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস, ছাত্র আন্দোলন সংগঠক ইসরাত জাহান ইমু, ছাত্র আন্দোলন সংগঠক সামি আব্দুল্লাহ, ছাত্র আন্দোলন সংগঠক নূজিয়া হাসিন রাশা, শিক্ষার্থী ও আন্দোলন কর্মী নিনাদ খান, শিক্ষার্থী ও আন্দোলন কর্মী নিকি জামান, শিক্ষার্থী ও আন্দোলন কর্মী আহমেদ আতিফ আবরার, লেখক মুহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, নির্মাতা মাহাবুব মোর্শেদ রিফাত, প্রযোজক রাসেল আজম, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইমাম, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট সুদীপ্ত বিশ্বাস, কলামিস্ট ও অনুবাদক সৈয়দ ফায়েজ আহমেদ, লেখক তুহিন খান, সংস্কৃতি কর্মী মোরসালিন আনিকা, কবি ওয়াসিফা জাফর অদ্রি, গণতান্ত্রিক শ্রমিক আন্দোলনের সদস্য সচিব সুশান্ত সিনহা সুমন, কবি রফিক আমিন এবং আইনজীবী রোকন রকি।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন। পরে তিনি পার্ক ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৪ ঘণ্টা আগে

নাঈমকে মারধরের ঘটনায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস সিএমপি কমিশনারের

এর আগে, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় নাঈমকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

১৫ ঘণ্টা আগে

হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে বিড়াল ঢুকে পড়ায় মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ

সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

১৭ ঘণ্টা আগে

মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ প্রাণহানি, আহত ১৬৫২

সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।

১৭ ঘণ্টা আগে