
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র সবসময়ই পরিবর্তনশীল, কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা যেটা পর্যবেক্ষণ করছেন, তা অনেকটাই অস্বাভাবিক ও চমকপ্রদ। চুম্বকীয় উত্তর মেরু—যেটি আগে কানাডার দিকে ছিল—এখন দ্রুত সরে যাচ্ছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার দিকে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই পরিবর্তনের গতি এতটাই দ্রুত যে এটি এখন বছরে প্রায় ২২ মাইল দূরে চলে যাচ্ছে।
চুম্বকীয় উত্তর মেরু ঠিক কী?
পৃথিবীর দুইটি ধ্রুববিন্দু আছে—ভৌগোলিক এবং চুম্বকীয়। ভৌগোলিক উত্তর মেরু হলো সেই নির্দিষ্ট স্থান যেখানে পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষ একত্রিত হয়, যা সবসময় ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। কিন্তু চুম্বকীয় উত্তর মেরু হলো সেই জায়গা, যেখানে কম্পাস সূঁচ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে নির্দেশ করে। এই চুম্বকীয় মেরু স্থির নয়। এটি পৃথিবীর গভীরে থাকা গলিত লোহার প্রবাহের কারণে ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে।
বিজ্ঞানীদের কী বলছেন?
ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের বিজ্ঞানী উইলিয়াম ব্রাউন জানিয়েছেন, ‘এমন আচরণ আমরা আগে কখনও দেখিনি। চুম্বকীয় মেরু এখন হঠাৎ করে দক্ষিণ দিকে, সাইবেরিয়ার দিকে চলে যাচ্ছে।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সাল থেকে এটি প্রতি বছর ২২ মাইল হারে সরে গিয়ে ইতোমধ্যে ১১০ মাইল দূরে পৌঁছে গেছে। ওয়ার্ল্ড ম্যাগনেটিক মডেল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরুতে এটি থাকবে ৮৫.৭৬ ডিগ্রি উত্তরে এবং ১৩৯.২৭ ডিগ্রি পূর্বে। ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি আরও দক্ষিণে নেমে আসবে।
এর প্রভাব কী হতে পারে?
চুম্বকীয় উত্তর মেরু শুধুই এক বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের বিষয় নয়। এটি সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রযুক্তির ওপর। জিপিএস, বিমান চলাচল, জাহাজ নেভিগেশন, এমনকি মোবাইল ফোনেও নির্ভুল অবস্থান নির্ধারণে চৌম্বকীয় উত্তর মেরুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এর অস্বাভাবিক স্থানান্তর প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
তবে বিজ্ঞানীরা প্রতি পাঁচ বছর পরপর ‘ওয়ার্ল্ড ম্যাগনেটিক মডেল’ প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে চুম্বকীয় উত্তর মেরুর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া হয়, যাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আগাম প্রস্তুতি নিতে পারে।
এ পরিবর্তনের পেছনে কারণ কী?
এখনও চূড়ান্ত কোনো ব্যাখ্যা মেলেনি। তবে বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর অভ্যন্তরে থাকা গলিত লোহা ও নিকেলের প্রবাহ চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই প্রবাহে পরিবর্তনের কারণেই চুম্বকীয় মেরু তার অবস্থান বদলাচ্ছে। কিন্তু কেন এই পরিবর্তন হঠাৎ এত দ্রুত হচ্ছে, সেটি এখনো এক রহস্য।
চুম্বকীয় উত্তর মেরুর এই অস্বাভাবিক গতিপথ শুধু বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের বিষয় নয়, বরং প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং ভবিষ্যতের মানবজীবনের ওপরও এর গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা আরও গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছেন। তবে এটুকু নিশ্চিত, পৃথিবী সবসময়ই পরিবর্তনের মধ্যেই থাকে—অদৃশ্য সেই পরিবর্তনই একদিন দৃশ্যমান হয়ে ওঠে মানুষের জীবনযাত্রায়।
সূত্র: বিবিসি

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র সবসময়ই পরিবর্তনশীল, কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা যেটা পর্যবেক্ষণ করছেন, তা অনেকটাই অস্বাভাবিক ও চমকপ্রদ। চুম্বকীয় উত্তর মেরু—যেটি আগে কানাডার দিকে ছিল—এখন দ্রুত সরে যাচ্ছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার দিকে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই পরিবর্তনের গতি এতটাই দ্রুত যে এটি এখন বছরে প্রায় ২২ মাইল দূরে চলে যাচ্ছে।
চুম্বকীয় উত্তর মেরু ঠিক কী?
পৃথিবীর দুইটি ধ্রুববিন্দু আছে—ভৌগোলিক এবং চুম্বকীয়। ভৌগোলিক উত্তর মেরু হলো সেই নির্দিষ্ট স্থান যেখানে পৃথিবীর ঘূর্ণন অক্ষ একত্রিত হয়, যা সবসময় ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। কিন্তু চুম্বকীয় উত্তর মেরু হলো সেই জায়গা, যেখানে কম্পাস সূঁচ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে নির্দেশ করে। এই চুম্বকীয় মেরু স্থির নয়। এটি পৃথিবীর গভীরে থাকা গলিত লোহার প্রবাহের কারণে ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে।
বিজ্ঞানীদের কী বলছেন?
ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের বিজ্ঞানী উইলিয়াম ব্রাউন জানিয়েছেন, ‘এমন আচরণ আমরা আগে কখনও দেখিনি। চুম্বকীয় মেরু এখন হঠাৎ করে দক্ষিণ দিকে, সাইবেরিয়ার দিকে চলে যাচ্ছে।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সাল থেকে এটি প্রতি বছর ২২ মাইল হারে সরে গিয়ে ইতোমধ্যে ১১০ মাইল দূরে পৌঁছে গেছে। ওয়ার্ল্ড ম্যাগনেটিক মডেল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরুতে এটি থাকবে ৮৫.৭৬ ডিগ্রি উত্তরে এবং ১৩৯.২৭ ডিগ্রি পূর্বে। ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি আরও দক্ষিণে নেমে আসবে।
এর প্রভাব কী হতে পারে?
চুম্বকীয় উত্তর মেরু শুধুই এক বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের বিষয় নয়। এটি সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রযুক্তির ওপর। জিপিএস, বিমান চলাচল, জাহাজ নেভিগেশন, এমনকি মোবাইল ফোনেও নির্ভুল অবস্থান নির্ধারণে চৌম্বকীয় উত্তর মেরুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এর অস্বাভাবিক স্থানান্তর প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
তবে বিজ্ঞানীরা প্রতি পাঁচ বছর পরপর ‘ওয়ার্ল্ড ম্যাগনেটিক মডেল’ প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে চুম্বকীয় উত্তর মেরুর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া হয়, যাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আগাম প্রস্তুতি নিতে পারে।
এ পরিবর্তনের পেছনে কারণ কী?
এখনও চূড়ান্ত কোনো ব্যাখ্যা মেলেনি। তবে বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর অভ্যন্তরে থাকা গলিত লোহা ও নিকেলের প্রবাহ চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই প্রবাহে পরিবর্তনের কারণেই চুম্বকীয় মেরু তার অবস্থান বদলাচ্ছে। কিন্তু কেন এই পরিবর্তন হঠাৎ এত দ্রুত হচ্ছে, সেটি এখনো এক রহস্য।
চুম্বকীয় উত্তর মেরুর এই অস্বাভাবিক গতিপথ শুধু বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের বিষয় নয়, বরং প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং ভবিষ্যতের মানবজীবনের ওপরও এর গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা আরও গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছেন। তবে এটুকু নিশ্চিত, পৃথিবী সবসময়ই পরিবর্তনের মধ্যেই থাকে—অদৃশ্য সেই পরিবর্তনই একদিন দৃশ্যমান হয়ে ওঠে মানুষের জীবনযাত্রায়।
সূত্র: বিবিসি

বরাবরের মতোই এবারও ইফতার ও সেহরির জন্য অপরিহার্য প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই গত কয়েক দিনের ব্যবধানে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— সদ্য দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকার কি এই বেসামাল বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?
৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলো, বরিশাল বিভাগের সব জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর দিকের জেলাগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকতে পা
৪ ঘণ্টা আগে
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কারারক্ষীরা অচেতন অবস্থায় ওই বন্দীকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর উপধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তা করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) গেজেট
৪ ঘণ্টা আগে