
অরুণ কুমার

কিছু মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীকে গড়ার জন্য। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সভ্যাতাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন তাঁরা। কিছু মানুষ আবার হাঁটেন উল্টো পথে। ঢাল-তলোয়ার, অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মানুষ মারাতেই তাঁদের যত আনন্দ। এদের মতো উন্মাদদের হাতে কত অমূল্য প্রাণ ঝরে গেছে, ইতিহাস সে সবের কয়টার হিসাব রেখেছে। গ্রিক পণ্ডিত আর্কিমিডিসের জীবনপ্রদীপ নিভে গিয়েছির এক উন্মাদ যোদ্ধার মুর্খতার কারণেই।কিছু মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীকে গড়ার জন্য। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সভ্যাতাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন তাঁরা। কিছু মানুষ আবার হাঁটেন উল্টো পথে। ঢাল-তলোয়ার, অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মানুষ মারাতেই তাঁদের যত আনন্দ। এদের মতো উন্মাদদের হাতে কত অমূল্য প্রাণ ঝরে গেছে, ইতিহাস সে সবের কয়টার হিসাব রেখেছে। গ্রিক পণ্ডিত আর্কিমিডিসের জীবনপ্রদীপ নিভে গিয়েছির এক উন্মাদ যোদ্ধার মুর্খতার কারণেই।
আর্কিমিডিস পৃথিবীর প্রাচীন বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। বস্তুর আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণয়ের সূত্র তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন। তিনি যখন গণিতে ডুবে থাকেন, চারপাশের জগতের কোনো খোঁজ রাখেন না। ঠিক সে সময় রোমানরা আক্রমণ করেছে তাঁর দেশে। যুদ্ধে তাঁর দেশের সম্রাট হেরেও গেছেন। কিন্তু আর্কিমিডিসের সেদিকে খেয়াল নেই। তিনি নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত। এক মাথামোটা সৈনিক এসে আর্কিমিডিসকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। হাতে তাঁর ধারালো খোলা তরবারি। আর্কিমিডিসের বয়েই গেল তাকে কেয়ার করতে। বরং তিনি বিরক্ত হলেন। বললেন, ‘আহ, বিরক্ত কোরো না, দেখছ না ব্যস্ত আছি!’
মাথামোটা ভূতটা জ্যামিতি বা গণিতের কী বোঝে! আর্কিমিডিসকে সে চেনে না, জানে শুধু যুদ্ধ করতে। আর্কিমিডিসের কথায় তার আঁতে ঘা লাগে —‘কী! পরাজিত দেশের নাগরিকের এত বড় আস্পর্ধা, তাঁকে সরে যেতে বলে!’ মহাবিক্রমে সে তলোয়ারের এক কোপ বসিয়ে দেয় আর্কিমিডিসের ঘাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ধুলোয় লুটিয়ে পড়েন আর্কিমিডিস। পরে আর্কিমিডিসের কাটা মুণ্ডু দেখে বিজয়ী রোমান সম্রাট দুঃখ পেয়েছিলেন। অথচ তিনি যুদ্ধের আগে তাঁর সৈন্যদের বলে দিয়েছিলেন যেন আর্কিমিডিসকে হত্যা করা না হয়। তিনি গুণের কদর করতেন। যদিও আর্কিমিডিসের কারণে বারবার হেরেছেন তিনি। তাঁর তৈরি আয়না পুড়িয়ে মেরেছে রোমান সৈন্যদের, তাঁর অদ্ভুত যন্ত্র ডুবিয়ে দিয়েছে বহু জাহাজ। তবু আর্কিমিডিসের প্রতি ক্ষিপ্ত হননি সম্রাট। বরং গুণী মানুষটিকে একবার স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। আহাম্মক সৈন্যটির নির্বুদ্ধিতায় মহান মানুষটাকে দেখার সাধ মিটল না রোমান সম্রাটের।

কিছু মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীকে গড়ার জন্য। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সভ্যাতাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন তাঁরা। কিছু মানুষ আবার হাঁটেন উল্টো পথে। ঢাল-তলোয়ার, অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মানুষ মারাতেই তাঁদের যত আনন্দ। এদের মতো উন্মাদদের হাতে কত অমূল্য প্রাণ ঝরে গেছে, ইতিহাস সে সবের কয়টার হিসাব রেখেছে। গ্রিক পণ্ডিত আর্কিমিডিসের জীবনপ্রদীপ নিভে গিয়েছির এক উন্মাদ যোদ্ধার মুর্খতার কারণেই।কিছু মানুষের জন্ম হয় পৃথিবীকে গড়ার জন্য। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সভ্যাতাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেন তাঁরা। কিছু মানুষ আবার হাঁটেন উল্টো পথে। ঢাল-তলোয়ার, অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মানুষ মারাতেই তাঁদের যত আনন্দ। এদের মতো উন্মাদদের হাতে কত অমূল্য প্রাণ ঝরে গেছে, ইতিহাস সে সবের কয়টার হিসাব রেখেছে। গ্রিক পণ্ডিত আর্কিমিডিসের জীবনপ্রদীপ নিভে গিয়েছির এক উন্মাদ যোদ্ধার মুর্খতার কারণেই।
আর্কিমিডিস পৃথিবীর প্রাচীন বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। বস্তুর আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণয়ের সূত্র তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন। তিনি যখন গণিতে ডুবে থাকেন, চারপাশের জগতের কোনো খোঁজ রাখেন না। ঠিক সে সময় রোমানরা আক্রমণ করেছে তাঁর দেশে। যুদ্ধে তাঁর দেশের সম্রাট হেরেও গেছেন। কিন্তু আর্কিমিডিসের সেদিকে খেয়াল নেই। তিনি নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত। এক মাথামোটা সৈনিক এসে আর্কিমিডিসকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। হাতে তাঁর ধারালো খোলা তরবারি। আর্কিমিডিসের বয়েই গেল তাকে কেয়ার করতে। বরং তিনি বিরক্ত হলেন। বললেন, ‘আহ, বিরক্ত কোরো না, দেখছ না ব্যস্ত আছি!’
মাথামোটা ভূতটা জ্যামিতি বা গণিতের কী বোঝে! আর্কিমিডিসকে সে চেনে না, জানে শুধু যুদ্ধ করতে। আর্কিমিডিসের কথায় তার আঁতে ঘা লাগে —‘কী! পরাজিত দেশের নাগরিকের এত বড় আস্পর্ধা, তাঁকে সরে যেতে বলে!’ মহাবিক্রমে সে তলোয়ারের এক কোপ বসিয়ে দেয় আর্কিমিডিসের ঘাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ধুলোয় লুটিয়ে পড়েন আর্কিমিডিস। পরে আর্কিমিডিসের কাটা মুণ্ডু দেখে বিজয়ী রোমান সম্রাট দুঃখ পেয়েছিলেন। অথচ তিনি যুদ্ধের আগে তাঁর সৈন্যদের বলে দিয়েছিলেন যেন আর্কিমিডিসকে হত্যা করা না হয়। তিনি গুণের কদর করতেন। যদিও আর্কিমিডিসের কারণে বারবার হেরেছেন তিনি। তাঁর তৈরি আয়না পুড়িয়ে মেরেছে রোমান সৈন্যদের, তাঁর অদ্ভুত যন্ত্র ডুবিয়ে দিয়েছে বহু জাহাজ। তবু আর্কিমিডিসের প্রতি ক্ষিপ্ত হননি সম্রাট। বরং গুণী মানুষটিকে একবার স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। আহাম্মক সৈন্যটির নির্বুদ্ধিতায় মহান মানুষটাকে দেখার সাধ মিটল না রোমান সম্রাটের।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপ
১৫ ঘণ্টা আগে
সভায় বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই চুক্তির আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পছন্দ করে না কিংবা তাদের স্বার্থের সঙ্গে অসঙ্গতি হয় এরকম কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ কোনো ধরনের চুক্তি করতে পারবে না।’
১৫ ঘণ্টা আগে
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
১৬ ঘণ্টা আগে