
অরুণ কুমার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে তখন। হিটলারের প্রচণ্ড আক্রোশ ইহুদিদের ওপর। যেখানে ইহুদি পাচ্ছে ধরে ধরে মেরে ফেলছে নাৎসি বাহিনী। এমনকি নিজ দেশ জার্মানির বিজ্ঞানীরাও রেহাই পাচ্ছে না তাদের হাত থেকে। যুদ্ধের ডামাডোলে আটকা পড়েন দুই জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স ভন লু ও ম্যাক্স ফ্রাঙ্ক। দুজনই নোবেল পেয়েছেন। দুজনই ইহুদি। নোবেল দেওয়া হয় সুইডেন থেকে। সুইডেন আবার হিটলারের শত্রু দেশ। শত্রুদের কাছ থেকে তাঁর দেশের দুই ইহুদি বিজ্ঞানী নোবেল নিয়েছেন! হিটলার সেটা মুখ বুজে সহ্য করবেন কেন। লু আর ফ্রাঙ্ককে ধরার জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়ল নাৎসি বাহিনী। অন্যদিকে বিজ্ঞানীদ্বয় ভাবলেন, ধরা পড়লে নির্ঘাত মরতে হবে। সেই সঙ্গে নোবেল প্রাইজটাও কেড়ে নিয়ে নষ্ট করে ফেলবে হিটলারের সৈন্যরা। তাঁরা নিজেদের চেয়ে নোবেল প্রাইজ নিয়েই বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। প্যাকেটে ভরে মেডেল দুটো পাঠিয়ে দিলেন ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। বন্ধু নীলস বোরের কাছে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে তখন। হিটলারের প্রচণ্ড আক্রোশ ইহুদিদের ওপর। যেখানে ইহুদি পাচ্ছে ধরে ধরে মেরে ফেলছে নাৎসি বাহিনী। এমনকি নিজ দেশ জার্মানির বিজ্ঞানীরাও রেহাই পাচ্ছে না তাদের হাত থেকে। যুদ্ধের ডামাডোলে আটকা পড়েন দুই জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স ভন লু ও ম্যাক্স ফ্রাঙ্ক। দুজনই নোবেল পেয়েছেন। দুজনই ইহুদি। নোবেল দেওয়া হয় সুইডেন থেকে। সুইডেন আবার হিটলারের শত্রু দেশ। শত্রুদের কাছ থেকে তাঁর দেশের দুই ইহুদি বিজ্ঞানী নোবেল নিয়েছেন! হিটলার সেটা মুখ বুজে সহ্য করবেন কেন। লু আর ফ্রাঙ্ককে ধরার জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়ল নাৎসি বাহিনী। অন্যদিকে বিজ্ঞানীদ্বয় ভাবলেন, ধরা পড়লে নির্ঘাত মরতে হবে। সেই সঙ্গে নোবেল প্রাইজটাও কেড়ে নিয়ে নষ্ট করে ফেলবে হিটলারের সৈন্যরা। তাঁরা নিজেদের চেয়ে নোবেল প্রাইজ নিয়েই বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। প্যাকেটে ভরে মেডেল দুটো পাঠিয়ে দিলেন ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। বন্ধু নীলস বোরের কাছে।
বোর মেডেল দুটো যত্ন করে লুকিয়ে রাখলেন। কিন্তু বেশি দিন নয়। কারণ, নাৎসি বাহিনী ডেনমার্কেও হামলা করেছে। যেকোনো সময় বোরের গবেষণাগারেও হামলা চালাতে পারে। তখন মেডেল দুটো বাঁচানোই মুশকিল হবে। বোর প্রথমে ভাবলেন মেডেল দুটো মাটিতে পুঁতে রাখবেন। কিন্তু নাৎসিদের বিশ্বাস নেই। ওরা ঠিক মাটি খুঁড়ে বের করে ফেলবে। বোরের এক সহকারী ছিলেন। হাঙ্গেরিয়ান রসায়নবিদ জর্জ হাভেসি। তিনি বোরকে বুদ্ধি দিলেন সোনাগুলো গলিয়ে তরল করে ফেলতে। যে-সে তরলে সোনা গলে না। সোনা গলাতে লাগে রাজ অম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া। অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যাসিড। বোর আর হাভাসি তখন মডেল দুটো অ্যাকোয়া রেজিয়ার ভেতর ফেলে গলিয়ে ফেললেন। সোনা আর অ্যাসিড মিশে তখন হলুদ রঙের এক তরলে পরিণত হয়েছে। বোর সেই হলুদ তরল একটা বোতলে ভরে রেখে দিলেন আলমারিতে।
শেষশেষ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিল। হিটলারের নাৎসী বাহিনী রে রে করে তেড়ে এলো সুইডেনেও। আক্রান্ত হলো রাজধানী ডেনমার্কও। সুতরাং পাততাড়ি ফেলে বোর-হাভেসিও পারিয়ে বাঁচলেন। পড়ে রইল তাঁদের সাধের ল্যাবরেটরি। আর সেই ল্যাবরেটরি একোকোণে জীর্ণ এক তাকে পড়ে রইল দু বোতল হলদে তরল।
শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে হিটলার হেরে যান। বোর আর হাভেসি আবার ফিরে আসেন কোপেনহেগেনে। তাঁদের ল্যাবরেটরি লন্ডভন্ড করে রেখে গেছে নাৎসি সৈন্যরা। কিন্তু আলমারির কোণে সেই হলুদ তরলের বোতল একেবারে অক্ষত! মাথামোটা নাৎসিরা ওর মর্ম কী বুঝবে! পরে নীলস বোরের ছেলে অ্যাগেই বোর অ্যাকোয়া রেজিয়া থেকে আবার সোনাগুলো পুনরুদ্ধার করেন। নীলস বোর সেই সোনা পাঠিয়ে দেন সুইডেনের নোবেল কমিটির কাছে।
নোবেল কমিটি সেই সোনা নিয়ে আবার ঘষামাজা করে, কারগির দিয়ে নতুন করে তৈরি করে পুরোনো নোবেল। হুবহু আগের মতো করে তৈরি সেই নোবেল পাঠিয়ে দেয় বোরের কাছে। যথা সময়ে সে দুটো পৌঁছে লু আর ফ্রাঙ্কের কাছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে তখন। হিটলারের প্রচণ্ড আক্রোশ ইহুদিদের ওপর। যেখানে ইহুদি পাচ্ছে ধরে ধরে মেরে ফেলছে নাৎসি বাহিনী। এমনকি নিজ দেশ জার্মানির বিজ্ঞানীরাও রেহাই পাচ্ছে না তাদের হাত থেকে। যুদ্ধের ডামাডোলে আটকা পড়েন দুই জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স ভন লু ও ম্যাক্স ফ্রাঙ্ক। দুজনই নোবেল পেয়েছেন। দুজনই ইহুদি। নোবেল দেওয়া হয় সুইডেন থেকে। সুইডেন আবার হিটলারের শত্রু দেশ। শত্রুদের কাছ থেকে তাঁর দেশের দুই ইহুদি বিজ্ঞানী নোবেল নিয়েছেন! হিটলার সেটা মুখ বুজে সহ্য করবেন কেন। লু আর ফ্রাঙ্ককে ধরার জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়ল নাৎসি বাহিনী। অন্যদিকে বিজ্ঞানীদ্বয় ভাবলেন, ধরা পড়লে নির্ঘাত মরতে হবে। সেই সঙ্গে নোবেল প্রাইজটাও কেড়ে নিয়ে নষ্ট করে ফেলবে হিটলারের সৈন্যরা। তাঁরা নিজেদের চেয়ে নোবেল প্রাইজ নিয়েই বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। প্যাকেটে ভরে মেডেল দুটো পাঠিয়ে দিলেন ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। বন্ধু নীলস বোরের কাছে।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে তখন। হিটলারের প্রচণ্ড আক্রোশ ইহুদিদের ওপর। যেখানে ইহুদি পাচ্ছে ধরে ধরে মেরে ফেলছে নাৎসি বাহিনী। এমনকি নিজ দেশ জার্মানির বিজ্ঞানীরাও রেহাই পাচ্ছে না তাদের হাত থেকে। যুদ্ধের ডামাডোলে আটকা পড়েন দুই জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স ভন লু ও ম্যাক্স ফ্রাঙ্ক। দুজনই নোবেল পেয়েছেন। দুজনই ইহুদি। নোবেল দেওয়া হয় সুইডেন থেকে। সুইডেন আবার হিটলারের শত্রু দেশ। শত্রুদের কাছ থেকে তাঁর দেশের দুই ইহুদি বিজ্ঞানী নোবেল নিয়েছেন! হিটলার সেটা মুখ বুজে সহ্য করবেন কেন। লু আর ফ্রাঙ্ককে ধরার জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়ল নাৎসি বাহিনী। অন্যদিকে বিজ্ঞানীদ্বয় ভাবলেন, ধরা পড়লে নির্ঘাত মরতে হবে। সেই সঙ্গে নোবেল প্রাইজটাও কেড়ে নিয়ে নষ্ট করে ফেলবে হিটলারের সৈন্যরা। তাঁরা নিজেদের চেয়ে নোবেল প্রাইজ নিয়েই বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। প্যাকেটে ভরে মেডেল দুটো পাঠিয়ে দিলেন ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। বন্ধু নীলস বোরের কাছে।
বোর মেডেল দুটো যত্ন করে লুকিয়ে রাখলেন। কিন্তু বেশি দিন নয়। কারণ, নাৎসি বাহিনী ডেনমার্কেও হামলা করেছে। যেকোনো সময় বোরের গবেষণাগারেও হামলা চালাতে পারে। তখন মেডেল দুটো বাঁচানোই মুশকিল হবে। বোর প্রথমে ভাবলেন মেডেল দুটো মাটিতে পুঁতে রাখবেন। কিন্তু নাৎসিদের বিশ্বাস নেই। ওরা ঠিক মাটি খুঁড়ে বের করে ফেলবে। বোরের এক সহকারী ছিলেন। হাঙ্গেরিয়ান রসায়নবিদ জর্জ হাভেসি। তিনি বোরকে বুদ্ধি দিলেন সোনাগুলো গলিয়ে তরল করে ফেলতে। যে-সে তরলে সোনা গলে না। সোনা গলাতে লাগে রাজ অম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া। অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যাসিড। বোর আর হাভাসি তখন মডেল দুটো অ্যাকোয়া রেজিয়ার ভেতর ফেলে গলিয়ে ফেললেন। সোনা আর অ্যাসিড মিশে তখন হলুদ রঙের এক তরলে পরিণত হয়েছে। বোর সেই হলুদ তরল একটা বোতলে ভরে রেখে দিলেন আলমারিতে।
শেষশেষ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিল। হিটলারের নাৎসী বাহিনী রে রে করে তেড়ে এলো সুইডেনেও। আক্রান্ত হলো রাজধানী ডেনমার্কও। সুতরাং পাততাড়ি ফেলে বোর-হাভেসিও পারিয়ে বাঁচলেন। পড়ে রইল তাঁদের সাধের ল্যাবরেটরি। আর সেই ল্যাবরেটরি একোকোণে জীর্ণ এক তাকে পড়ে রইল দু বোতল হলদে তরল।
শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে হিটলার হেরে যান। বোর আর হাভেসি আবার ফিরে আসেন কোপেনহেগেনে। তাঁদের ল্যাবরেটরি লন্ডভন্ড করে রেখে গেছে নাৎসি সৈন্যরা। কিন্তু আলমারির কোণে সেই হলুদ তরলের বোতল একেবারে অক্ষত! মাথামোটা নাৎসিরা ওর মর্ম কী বুঝবে! পরে নীলস বোরের ছেলে অ্যাগেই বোর অ্যাকোয়া রেজিয়া থেকে আবার সোনাগুলো পুনরুদ্ধার করেন। নীলস বোর সেই সোনা পাঠিয়ে দেন সুইডেনের নোবেল কমিটির কাছে।
নোবেল কমিটি সেই সোনা নিয়ে আবার ঘষামাজা করে, কারগির দিয়ে নতুন করে তৈরি করে পুরোনো নোবেল। হুবহু আগের মতো করে তৈরি সেই নোবেল পাঠিয়ে দেয় বোরের কাছে। যথা সময়ে সে দুটো পৌঁছে লু আর ফ্রাঙ্কের কাছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন এলাকায় মিয়ানমার দিক থেকে বাংলাদেশে গুলিবর্ষণের সাম্প্রতিক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে