
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুনিয়াতে কত দেশের কত নাম! কেউ স্বর্ণভূমি, কেউ মরুরাজ্য, কেউ বা হিমালয়ের দেশ। কিন্তু আজারবাইজান? তার পরিচয় 'আগুনের দেশ' নামে। নাম শুনেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে লেলিহান শিখার মিছিল। কিন্তু কেন এই নাম? এর পেছনে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির এক বিস্ময়কর রহস্য।
আজারবাইজানের মাটির গভীরে লুকিয়ে আছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার। এই গ্যাস কখনো কখনো মাটির ফাটল দিয়ে বেরিয়ে আসে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠে। মনে হয় যেন পৃথিবী নিজেই শ্বাস নিচ্ছে আগুনের মাধ্যমে। এই অগ্ন্যুৎপাত স্থানীয়দের কাছে স্বাভাবিক ঘটনা হলেও বিশ্বব্যাপী এটি এক অনন্য প্রাকৃতিক বিস্ময়।
আজারবাইজানের সবচেয়ে বিখ্যাত অগ্নিকাণ্ডের নাম 'ইয়ানার দ্যাগ'। স্থানীয় ভাষায় যার অর্থ 'জ্বলন্ত পর্বত'। এই স্থানের আগুন প্রায় চার হাজার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বলছে! বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপের কারণেই এই অবিরাম শিখা তৈরি হয়েছে।
শীতকালে ইয়ানার দ্যাগের দৃশ্য হয় আরও চমকপ্রদ। বরফের স্ফটিকগুলো মাটিতে পড়ার আগেই আগুনের তাপে বাতাসেই গলে যায়। রাতের অন্ধকারে এই শিখাগুলো চারপাশে এক মায়াবী আলোর খেলা তৈরি করে। পর্যটকরা দূরদূরান্ত থেকে এই দৃশ্য দেখতে আসেন।
এই অগ্নিকাণ্ডের ইতিহাস প্রাচীন। বিখ্যাত পরিব্রাজক মার্কো পোলো ১৩শ শতকে আজারবাইজান ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে ইয়ানার দ্যাগের রহস্যময় আগুনের কথা বিস্তারিত লিখেছেন। সেই থেকে আজারবাইজান বিশ্বে 'ল্যান্ড অফ ফায়ার' বা 'অগ্নিভূমি' নামে পরিচিতি পায়।
একসময় আজারবাইজানের বিভিন্ন স্থানে এমন স্বতঃস্ফূর্ত অগ্ন্যুৎপাত দেখা যেত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলনের ফলে অনেক আগুনই নিভে গেছে। ইয়ানার দ্যাগ এখন সেই ঐতিহ্যের বিরল নিদর্শনগুলোর একটি।
আজারবাইজানের অগ্নিময় ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো 'আতেশগাহ' অগ্নি মন্দির। ফারসি ভাষায় 'আতেশগাহ' মানে 'আগুনের ঘর'। বাকু শহরের পূর্বে অবস্থিত এই মন্দির একসময় অগ্নি উপাসকদের প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র ছিল।
এই মন্দির কেন্দ্রে একটি চিরজ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড ছিল যেখানে পূজারীরা প্রার্থনা করতেন। আজ এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে সংরক্ষিত আছে। মন্দিরের দেয়ালে ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় লেখা প্রাচীন শিলালিপিগুলো আজও অতীতের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।
ইয়ানার দ্যাগ বাকু শহর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে তেমন কোনো বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা নেই। আছে শুধু প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্য আর চিরন্তন আগুনের মায়াবী নৃত্য। পর্যটকদের জন্য একটি ছোট ক্যাফে থাকলেও মূল আকর্ষণই হলো সেই অবিরাম শিখা।
আজারবাইজানের এই অগ্নিময় ঐতিহ্য প্রকৃতি ও মানবসভ্যতার এক আশ্চর্য সমন্বয়। ইয়ানার দ্যাগ এবং আতেশগাহ মন্দির দেশটিকে দিয়েছে এক অনন্য পরিচয়। এই স্থানগুলো শুধু প্রাকৃতিক বিস্ময়ই নয়, এগুলো আজারবাইজানের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।
আগুন সাধারণত ধ্বংসের প্রতীক। কিন্তু আজারবাইজানে এই আগুন হয়ে উঠেছে সৃষ্টির উৎস, সংস্কৃতির অংশ, ইতিহাসের পাতায় অমর এক অধ্যায়। প্রকৃতির এই অদ্ভুত খেয়াল আমাদের মনে করিয়ে দেয় পৃথিবী কত বিচিত্র আর রহস্যময়। আজারবাইজান সত্যিই এক অনন্য দেশ, যেখানে মাটির গভীর থেকে জ্বলে উঠেছে চিরন্তন আগুনের এক মহাকাব্য।

দুনিয়াতে কত দেশের কত নাম! কেউ স্বর্ণভূমি, কেউ মরুরাজ্য, কেউ বা হিমালয়ের দেশ। কিন্তু আজারবাইজান? তার পরিচয় 'আগুনের দেশ' নামে। নাম শুনেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে লেলিহান শিখার মিছিল। কিন্তু কেন এই নাম? এর পেছনে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির এক বিস্ময়কর রহস্য।
আজারবাইজানের মাটির গভীরে লুকিয়ে আছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার। এই গ্যাস কখনো কখনো মাটির ফাটল দিয়ে বেরিয়ে আসে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠে। মনে হয় যেন পৃথিবী নিজেই শ্বাস নিচ্ছে আগুনের মাধ্যমে। এই অগ্ন্যুৎপাত স্থানীয়দের কাছে স্বাভাবিক ঘটনা হলেও বিশ্বব্যাপী এটি এক অনন্য প্রাকৃতিক বিস্ময়।
আজারবাইজানের সবচেয়ে বিখ্যাত অগ্নিকাণ্ডের নাম 'ইয়ানার দ্যাগ'। স্থানীয় ভাষায় যার অর্থ 'জ্বলন্ত পর্বত'। এই স্থানের আগুন প্রায় চার হাজার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বলছে! বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপের কারণেই এই অবিরাম শিখা তৈরি হয়েছে।
শীতকালে ইয়ানার দ্যাগের দৃশ্য হয় আরও চমকপ্রদ। বরফের স্ফটিকগুলো মাটিতে পড়ার আগেই আগুনের তাপে বাতাসেই গলে যায়। রাতের অন্ধকারে এই শিখাগুলো চারপাশে এক মায়াবী আলোর খেলা তৈরি করে। পর্যটকরা দূরদূরান্ত থেকে এই দৃশ্য দেখতে আসেন।
এই অগ্নিকাণ্ডের ইতিহাস প্রাচীন। বিখ্যাত পরিব্রাজক মার্কো পোলো ১৩শ শতকে আজারবাইজান ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে ইয়ানার দ্যাগের রহস্যময় আগুনের কথা বিস্তারিত লিখেছেন। সেই থেকে আজারবাইজান বিশ্বে 'ল্যান্ড অফ ফায়ার' বা 'অগ্নিভূমি' নামে পরিচিতি পায়।
একসময় আজারবাইজানের বিভিন্ন স্থানে এমন স্বতঃস্ফূর্ত অগ্ন্যুৎপাত দেখা যেত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলনের ফলে অনেক আগুনই নিভে গেছে। ইয়ানার দ্যাগ এখন সেই ঐতিহ্যের বিরল নিদর্শনগুলোর একটি।
আজারবাইজানের অগ্নিময় ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো 'আতেশগাহ' অগ্নি মন্দির। ফারসি ভাষায় 'আতেশগাহ' মানে 'আগুনের ঘর'। বাকু শহরের পূর্বে অবস্থিত এই মন্দির একসময় অগ্নি উপাসকদের প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র ছিল।
এই মন্দির কেন্দ্রে একটি চিরজ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড ছিল যেখানে পূজারীরা প্রার্থনা করতেন। আজ এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে সংরক্ষিত আছে। মন্দিরের দেয়ালে ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় লেখা প্রাচীন শিলালিপিগুলো আজও অতীতের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।
ইয়ানার দ্যাগ বাকু শহর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে তেমন কোনো বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা নেই। আছে শুধু প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্য আর চিরন্তন আগুনের মায়াবী নৃত্য। পর্যটকদের জন্য একটি ছোট ক্যাফে থাকলেও মূল আকর্ষণই হলো সেই অবিরাম শিখা।
আজারবাইজানের এই অগ্নিময় ঐতিহ্য প্রকৃতি ও মানবসভ্যতার এক আশ্চর্য সমন্বয়। ইয়ানার দ্যাগ এবং আতেশগাহ মন্দির দেশটিকে দিয়েছে এক অনন্য পরিচয়। এই স্থানগুলো শুধু প্রাকৃতিক বিস্ময়ই নয়, এগুলো আজারবাইজানের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।
আগুন সাধারণত ধ্বংসের প্রতীক। কিন্তু আজারবাইজানে এই আগুন হয়ে উঠেছে সৃষ্টির উৎস, সংস্কৃতির অংশ, ইতিহাসের পাতায় অমর এক অধ্যায়। প্রকৃতির এই অদ্ভুত খেয়াল আমাদের মনে করিয়ে দেয় পৃথিবী কত বিচিত্র আর রহস্যময়। আজারবাইজান সত্যিই এক অনন্য দেশ, যেখানে মাটির গভীর থেকে জ্বলে উঠেছে চিরন্তন আগুনের এক মহাকাব্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
৮ ঘণ্টা আগে