
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড তথা ডিএনএ আবিষ্কার করে জীববিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটানো মার্কিন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন মারা গেছেন। এই ডিএনএকে বলা হয়েছ থাকে জীবনের নকশা।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওয়াটসন। তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।
ওয়াটসনের মৃত্যুর খবর প্রথম প্রকাশ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, যা পরে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরি— যেখানে তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।
১৯৫৩ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিকের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়াটসন ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন। আধুনিক জীববিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপনকারী এই আবিষ্কারকে বিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অনন্য এ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৬২ সালে ওয়াটসন, ক্রিক ও মরিস উইলকিনস যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। তবে ডিএনএর এক্স-রে চিত্র ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন সে সময় স্বীকৃতি পাননি, যা পরে বিজ্ঞানজগতে বিতর্ক তৈরি করে।
জীবনের শেষার্ধে ওয়াটসনের খ্যাতি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয় বর্ণ ও বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। তিনি দাবি করেছিলেন, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর গড় বুদ্ধিমত্তায় জিনগত পার্থক্য রয়েছে, যা পরে বৈজ্ঞানিক মহল তীব্রভাবে নাকচ করে দেয়।
২০০৭ সালে এমন মন্তব্যের পর চাকরি হারান ওয়াটসন। ২০১৯ সালে একই ধরনের বক্তব্য পুনরাবৃত্তির পর কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির সব সম্মানসূচক পদ থেকেও অপসারণ করা হয় তাকে।
জেমস ওয়াটসনের জন্ম ১৯২৮ সালে শিকাগোতে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ভর্তি হন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সময় ফ্রান্সিস ক্রিকের সঙ্গে যৌথভাবে ডিএনএ মডেল নির্মাণে যুক্ত হন। একসময় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেন।
কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরিকে বিশ্বসেরা জীববিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অন্যতম ভূমিকা রাখেন জেমস ওয়াটসন।

ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড তথা ডিএনএ আবিষ্কার করে জীববিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটানো মার্কিন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন মারা গেছেন। এই ডিএনএকে বলা হয়েছ থাকে জীবনের নকশা।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওয়াটসন। তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।
ওয়াটসনের মৃত্যুর খবর প্রথম প্রকাশ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, যা পরে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরি— যেখানে তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।
১৯৫৩ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিকের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়াটসন ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন। আধুনিক জীববিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপনকারী এই আবিষ্কারকে বিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অনন্য এ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৬২ সালে ওয়াটসন, ক্রিক ও মরিস উইলকিনস যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। তবে ডিএনএর এক্স-রে চিত্র ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা রোজালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন সে সময় স্বীকৃতি পাননি, যা পরে বিজ্ঞানজগতে বিতর্ক তৈরি করে।
জীবনের শেষার্ধে ওয়াটসনের খ্যাতি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয় বর্ণ ও বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। তিনি দাবি করেছিলেন, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর গড় বুদ্ধিমত্তায় জিনগত পার্থক্য রয়েছে, যা পরে বৈজ্ঞানিক মহল তীব্রভাবে নাকচ করে দেয়।
২০০৭ সালে এমন মন্তব্যের পর চাকরি হারান ওয়াটসন। ২০১৯ সালে একই ধরনের বক্তব্য পুনরাবৃত্তির পর কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির সব সম্মানসূচক পদ থেকেও অপসারণ করা হয় তাকে।
জেমস ওয়াটসনের জন্ম ১৯২৮ সালে শিকাগোতে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ভর্তি হন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সময় ফ্রান্সিস ক্রিকের সঙ্গে যৌথভাবে ডিএনএ মডেল নির্মাণে যুক্ত হন। একসময় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেন।
কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরিকে বিশ্বসেরা জীববিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে অন্যতম ভূমিকা রাখেন জেমস ওয়াটসন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে পে-স্কেল সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ ঘণ্টা আগে