
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ ও মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক সংবাদ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ-নিন্দা প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে— পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের পুলিশ শারীরিকভাবে আঘাত করেছে। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার পরও এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে লাঠিপেটা ও কিল-ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে।
আসক বলেছে, এ ধরনের আচরণ চরম অপেশাদার মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যূনতম আচরণবিধির পরিপন্থি। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
সংস্থাটির মতে, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহিংস আচরণ নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তির নিরাপত্তার অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আসকের বিবৃতিতে এ ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের জোর দাবি জানিয়ে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ বিভাগের সদস্যদের বলপ্রয়োগের মতো অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আসক বিশ্বাস করে, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমেই নাগরিক আস্থা সুদৃঢ় করা সম্ভব। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনায় যথাযথ জবাবদিহি নিশ্চিত করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ ও মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক সংবাদ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ-নিন্দা প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে— পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের পুলিশ শারীরিকভাবে আঘাত করেছে। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার পরও এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে লাঠিপেটা ও কিল-ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে।
আসক বলেছে, এ ধরনের আচরণ চরম অপেশাদার মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যূনতম আচরণবিধির পরিপন্থি। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
সংস্থাটির মতে, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহিংস আচরণ নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তির নিরাপত্তার অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আসকের বিবৃতিতে এ ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের জোর দাবি জানিয়ে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ বিভাগের সদস্যদের বলপ্রয়োগের মতো অপ্রত্যাশিত ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আসক বিশ্বাস করে, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমেই নাগরিক আস্থা সুদৃঢ় করা সম্ভব। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনায় যথাযথ জবাবদিহি নিশ্চিত করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, অন্য এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে শিক্ষামন্ত্রী যতদিন তার পদ অলংকৃত করেন অথবা যতদিন তাকে নিজের একান্ত সচিব পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন, ততদিন পর্যন্ত তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব পদ
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রেস সচিব হিসেবে দুই বছরের জন্য চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন সরওয়ার আলম। সচিব পদমর্যাদায় তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে সরিয়ে দেয়। এখন নতুন করে আবার তিনি নিয়োগ পেলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা ২৯৯টি আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করেছিলাম।
১১ ঘণ্টা আগে