
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটেকে সামনে রেখে ভোটারদের উদ্দেশে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পাবেন রাজনৈতিক দলের প্রধানরা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নির্বাচনি পরিবশে সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের জন্যে স্লট বরাদ্দের বিষয়ে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছে ইসি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ)- এর অনুসরণে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে স্লট নির্ধারণ করা; বিটিভি কর্তৃক প্রতি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য স্লট বরাদ্দ এবং স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করা; যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে তাদেরকে তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুয়ায়ী বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেয়া (দলীয় প্রধানদের নামের তালিকা সংযুক্ত করা হলো); প্রচারণা রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে বিটিভি নিষ্পত্তি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেহেতু বিএনপি ছাড়া অন্য কোনও রাজনৈতিক দল হতে আবেদন পাওয়া যায়নি তাই বিএনপির দলীয় প্রধানকে তাদের চাহিদা মোতাবেক ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া, বর্ণিতাবস্থায় উপরোল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ সময়ে প্রধান কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের ভাষণ বিটিভিতে প্রচার করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ভাষণ সম্প্রচার হয়। সে সময় এ-সংক্রান্ত নীতিমালাও চাওয়া হয়েছিল বিটিভির পক্ষ থেকে। তবে একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই প্রথা আর অনুসরণ করা হয়নি। এবার দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তা চালু হতে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটেকে সামনে রেখে ভোটারদের উদ্দেশে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পাবেন রাজনৈতিক দলের প্রধানরা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নির্বাচনি পরিবশে সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের জন্যে স্লট বরাদ্দের বিষয়ে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছে ইসি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ)- এর অনুসরণে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে স্লট নির্ধারণ করা; বিটিভি কর্তৃক প্রতি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য স্লট বরাদ্দ এবং স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করা; যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে তাদেরকে তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুয়ায়ী বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেয়া (দলীয় প্রধানদের নামের তালিকা সংযুক্ত করা হলো); প্রচারণা রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে বিটিভি নিষ্পত্তি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেহেতু বিএনপি ছাড়া অন্য কোনও রাজনৈতিক দল হতে আবেদন পাওয়া যায়নি তাই বিএনপির দলীয় প্রধানকে তাদের চাহিদা মোতাবেক ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া, বর্ণিতাবস্থায় উপরোল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ সময়ে প্রধান কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের ভাষণ বিটিভিতে প্রচার করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ভাষণ সম্প্রচার হয়। সে সময় এ-সংক্রান্ত নীতিমালাও চাওয়া হয়েছিল বিটিভির পক্ষ থেকে। তবে একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই প্রথা আর অনুসরণ করা হয়নি। এবার দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তা চালু হতে যাচ্ছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে লালবাগ থানা একজন, গুলশান থানা দুইজন, সূত্রাপুর থানা তিনজন, মোহাম্মদপুর থানা চারজন, খিলগাঁও থানা একজন, হাজারীবাগ থানা ৯ জন, তুরাগ থানা একজন, চকবাজার থানা একজন, যাত্রাবাড়ী থানা পাঁচজন, রামপুরা থানা একজন, উত্তরখান থানা একজন, ও বনানী থানা একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কোনো কার্পণ্য করছে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
৬ ঘণ্টা আগে
আদালতের নির্দেশনায় প্রার্থিতায় পরিবর্তন আসায় দেশের ৪টি সংসদীয় আসনে নতুন করে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পোস্টাল ব্যালট ছাপাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যশোর-৪, চট্টগ্রাম-২, রংপুর-১ ও রংপুর-৪ আসনে এসব ব্যালট ছাপানো হচ্ছে। এসব আসনের জন্য আগে ছাপানো পোস্টাল ব্যালট বাতিল করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ মিসবাহ উদ্দিন (আল-মিসবাহ)। রিটে নির্বাচন কমিশন (ইসি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে