
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রত্যেক জীবকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, কবরই পরকালীন জীবনের প্রথম ধাপ। তাই মুসলিম সমাজে কবরসংক্রান্ত নানা আমল ও রেওয়াজ যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এর মধ্যে একটি বহুল পরিচিত প্রথা হলো— কবর দেওয়ার পর সেখানে খেজুর গাছের ডাল বা অন্য কোনো গাছের ডাল গেঁড়ে দেওয়া।
জিয়া উদ্যানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরেও খেজুরগাছের ডাল পোঁতা হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে দেখছেন খেজুরের এই ডালটি। সাধারণ মানুষ থেকে অসাধারণ—প্রায় সব মুসলিমের কবরেই খেজুরের ডাল পোঁতা হয়। কিন্তু কেন?
হাদিসে কবরের গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আখিরাতের মানজিলসমূহের মধ্যে কবর হলো প্রথম মানজিল। এখান থেকে কেউ মুক্তি পেয়ে গেলে তার জন্য পরবর্তী মানজিলগুলো সহজ হয়ে যায়, আর এখান থেকে মুক্তি না পেলে পরবর্তী মানজিলগুলো আরও কঠিন হয়। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৮)
কবরের ওপর খেজুরের কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়ার বিষয়টি একটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জানতে পারেন যে সেখানে শাস্তি হচ্ছে। তখন তিনি একটি কাঁচা খেজুরের ডাল দুই ভাগ করে কবর দুটির ওপর গেঁড়ে দেন এবং বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই ডাল দুটি সতেজ থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এদের তাসবিহর কারণে তাদের শাস্তি লাঘব হতে থাকবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১৮)
অন্য একটি বর্ণনায় জানা যায়, সাহাবি বুরাইদা আসলামি (রা.) মৃত্যুর আগে অসিয়ত করেছিলেন, যেন তার কবরে খেজুরগাছের দুটি ডাল গেঁড়ে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১৭)
ফুকাহায়ে কেরামের মতে, এসব হাদিস থেকে প্রমাণিত হয় যে— বিশেষ পরিস্থিতিতে কবরে কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়া নবীজি (সা.)-এর একটি আমল। তাই কেউ চাইলে এটি করতে পারেন; এতে শরিয়তগত কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে এই আমলের ফলাফল বা উপকার কতটা হবে, তা আল্লাহই ভালো জানেন।
তবে আমাদের সমাজে কবর দেওয়ার পর আরও কিছু আমলের প্রচলন দেখা যায়— যার কোনো শরিয়তসম্মত ভিত্তি নেই। যেমন: কবরের চার কোণে চারজন দাঁড়িয়ে চারটি ডাল বা খুঁটি গেঁড়ে দেওয়া, কিংবা এসব আমলকে মৃতের নাজাতের নিশ্চিত উপায় মনে করা। এগুলোর কোনোটিই সুন্নত, মুস্তাহাব বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ নয়।
ইসলাম সুস্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয়— মৃত ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে উপকারী আমল হলো দোয়া, দান-সদকা, কোরআন তেলাওয়াত এবং নেক আমলের সওয়াব পৌঁছে দেওয়া। আর কবরের ওপর খেজুরের কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়া একটি প্রমাণিত আমল।

প্রত্যেক জীবকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, কবরই পরকালীন জীবনের প্রথম ধাপ। তাই মুসলিম সমাজে কবরসংক্রান্ত নানা আমল ও রেওয়াজ যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এর মধ্যে একটি বহুল পরিচিত প্রথা হলো— কবর দেওয়ার পর সেখানে খেজুর গাছের ডাল বা অন্য কোনো গাছের ডাল গেঁড়ে দেওয়া।
জিয়া উদ্যানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরেও খেজুরগাছের ডাল পোঁতা হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে দেখছেন খেজুরের এই ডালটি। সাধারণ মানুষ থেকে অসাধারণ—প্রায় সব মুসলিমের কবরেই খেজুরের ডাল পোঁতা হয়। কিন্তু কেন?
হাদিসে কবরের গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আখিরাতের মানজিলসমূহের মধ্যে কবর হলো প্রথম মানজিল। এখান থেকে কেউ মুক্তি পেয়ে গেলে তার জন্য পরবর্তী মানজিলগুলো সহজ হয়ে যায়, আর এখান থেকে মুক্তি না পেলে পরবর্তী মানজিলগুলো আরও কঠিন হয়। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৮)
কবরের ওপর খেজুরের কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়ার বিষয়টি একটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জানতে পারেন যে সেখানে শাস্তি হচ্ছে। তখন তিনি একটি কাঁচা খেজুরের ডাল দুই ভাগ করে কবর দুটির ওপর গেঁড়ে দেন এবং বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই ডাল দুটি সতেজ থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এদের তাসবিহর কারণে তাদের শাস্তি লাঘব হতে থাকবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১৮)
অন্য একটি বর্ণনায় জানা যায়, সাহাবি বুরাইদা আসলামি (রা.) মৃত্যুর আগে অসিয়ত করেছিলেন, যেন তার কবরে খেজুরগাছের দুটি ডাল গেঁড়ে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১৭)
ফুকাহায়ে কেরামের মতে, এসব হাদিস থেকে প্রমাণিত হয় যে— বিশেষ পরিস্থিতিতে কবরে কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়া নবীজি (সা.)-এর একটি আমল। তাই কেউ চাইলে এটি করতে পারেন; এতে শরিয়তগত কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে এই আমলের ফলাফল বা উপকার কতটা হবে, তা আল্লাহই ভালো জানেন।
তবে আমাদের সমাজে কবর দেওয়ার পর আরও কিছু আমলের প্রচলন দেখা যায়— যার কোনো শরিয়তসম্মত ভিত্তি নেই। যেমন: কবরের চার কোণে চারজন দাঁড়িয়ে চারটি ডাল বা খুঁটি গেঁড়ে দেওয়া, কিংবা এসব আমলকে মৃতের নাজাতের নিশ্চিত উপায় মনে করা। এগুলোর কোনোটিই সুন্নত, মুস্তাহাব বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ নয়।
ইসলাম সুস্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয়— মৃত ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে উপকারী আমল হলো দোয়া, দান-সদকা, কোরআন তেলাওয়াত এবং নেক আমলের সওয়াব পৌঁছে দেওয়া। আর কবরের ওপর খেজুরের কাঁচা ডাল গেঁড়ে দেওয়া একটি প্রমাণিত আমল।

শোকসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা রাখেন সংগঠনটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম, মহাসচিব আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং খালেদা জিয়ার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব সিনিয়র সচিব মোঃ সামসুল আলম।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্যের প্রদর্শনী নয়, এটি বাংলাদেশের উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিক উন্নয়নের প্রদর্শনীও বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সবার ভালো সম্পর্ক। আমরাই নির্বাচন করতে চাই, নির্বাচন নিয়ে বহির্বিশ্বের কোনও চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। শনিবার মুন্সিগঞ্জে সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে