
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
আজাদি পার্টি একই অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের নামও অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অভিযোগ জমা দেওয়ার পর আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময়ে হত্যা, গুমসহ নানা ঘটনায় সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তাদের নীরবতাকে এসব ঘটনার প্রতি ‘মৌন সম্মতি’ হিসেবে দেখছে দলটি।
দলটির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তার দাবি, তারা তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন এবং এসব ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম শুধু মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস অভিযোগে বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি তাকে মহাখালী থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রাখা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সাহাবুদ্দিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনায় ভূমিকা রেখেছেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত ঘটনায় সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনগত দায় আছে কি না, তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
আজাদি পার্টি একই অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের নামও অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অভিযোগ জমা দেওয়ার পর আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময়ে হত্যা, গুমসহ নানা ঘটনায় সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তাদের নীরবতাকে এসব ঘটনার প্রতি ‘মৌন সম্মতি’ হিসেবে দেখছে দলটি।
দলটির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তার দাবি, তারা তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন এবং এসব ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম শুধু মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস অভিযোগে বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি তাকে মহাখালী থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রাখা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সাহাবুদ্দিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনায় ভূমিকা রেখেছেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত ঘটনায় সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনগত দায় আছে কি না, তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট’ শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করে সংস্থাটি।
৫ ঘণ্টা আগে
একটি পেশাদার ও আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, পেশাগত যোগ্যতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
৭ ঘণ্টা আগে