
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য আশিকা সুলতানাকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে একই মামলায় তিনি গত শুক্রবার থেকে তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন।
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে আশিকার আইনজীবী শাহাব উদ্দিন রাজু বলেন, একই মামলায় একজন নারী আসামিকে বারবার রিমান্ডে নেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পরে আদালত থেকে হাজতে নেওয়ার সময় আশিকা সুলতানা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কী করেছি, আমার অপরাধ কী? কেন আমাকে বারবার রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে?’
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯ জুন মিরপুর-১ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল সরকারবিরোধী মিছিল করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মিছিলকারীরা ব্যানার-ফেস্টুন ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় পুলিশ জানতে পারে, আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই মিছিল করা হয়েছিল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ঘটনার সঙ্গে আশিকা সুলতানার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। আবেদনে তাঁকে আওয়ামী লীগের একজন অর্থ জোগানদাতা বলেও দাবি করা হয়। মিছিলের পরিকল্পনা, নেতৃত্বদানকারীদের পরিচয় উদ্ঘাটন এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য আশিকা সুলতানাকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে একই মামলায় তিনি গত শুক্রবার থেকে তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন।
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে আশিকার আইনজীবী শাহাব উদ্দিন রাজু বলেন, একই মামলায় একজন নারী আসামিকে বারবার রিমান্ডে নেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পরে আদালত থেকে হাজতে নেওয়ার সময় আশিকা সুলতানা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কী করেছি, আমার অপরাধ কী? কেন আমাকে বারবার রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে?’
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯ জুন মিরপুর-১ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল সরকারবিরোধী মিছিল করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মিছিলকারীরা ব্যানার-ফেস্টুন ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় পুলিশ জানতে পারে, আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই মিছিল করা হয়েছিল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ঘটনার সঙ্গে আশিকা সুলতানার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। আবেদনে তাঁকে আওয়ামী লীগের একজন অর্থ জোগানদাতা বলেও দাবি করা হয়। মিছিলের পরিকল্পনা, নেতৃত্বদানকারীদের পরিচয় উদ্ঘাটন এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

দেশে দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে পরিস্থিতির উন্নতির তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান কমে ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
১১ ঘণ্টা আগে