
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ৩৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
ধানমন্ডি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার রাতে ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বাদী হয়ে এই মামলা করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়কের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ছায়ানট ভবনে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। গভীর রাতে চালানো এই হামলায় প্রতিষ্ঠানটির মনিটরিং সিস্টেম, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অডিটোরিয়াম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনার পর ছায়ানটের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আসামিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
ওই রাতে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল মিছিল নিয়ে এসে হামলা করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। প্রথমে পার্কিং লটের দিকে আগুন দেওয়া হয়। পরে তারা ভবনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এ সময় হামলাকারীরা ‘ভারতের দালাল’, ‘ভুয়া’,’ নারায়ে তাকবীর’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ভাঙো’ এসব স্লোগান দেয়। প্রয়াত সন্জীদা খাতুনের প্রতিকৃতি কেটে নষ্ট করার সময় ‘নাস্তিক’ বলে সম্বোধন করে।
মিলনায়তনে হামলাকারীর যা পেয়েছেন সেটিই ভাঙচুর করে। তবলা, হারমোনিয়াম, তানপুরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর করা হয়, পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পোড়ানোর পাশাপাশি ও তছনছ করা হয় বই, কাগজপত্র।
পুরো মনিটরিং সিস্টেম, ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা, স্পিকার, লাইট ও ফ্যান ভেঙে ফেলা হয় ওই রাতে। সেখানে থাকা মাটির তৈরি চারুকর্ম ও শিল্প কর্ম, কক্ষ ও অফিস রুমের বেশিরভাগ আসবাব ভেঙে ফেলা হয়।
বাদ যায়নি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষও। তাদের কক্ষের আলমারির গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। চেয়ার-টেবিল ভেঙেচুড়ে ওলট পালট করা হয়েছে। রমেশ চন্দ্র স্মৃতি মিলনায়তন, মূল মিলনায়তনসহ, শৌচাগারও রেহাই পায়নি ভাঙচুরের তাণ্ডব থেকে। হামলাকারীরা সেখান থেকে বাদ্যযন্ত্রসহ নানা ধরনের সামগ্রী লুটপাটও করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, হামলাকারীদের মধ্যে একটি অংশ ছিল লুটপাটকারী। তারা বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে টেবিলের ড্রয়ার ভাঙচুর করে খুঁজেছে টাকা-পয়সা আছে কি না। কেউ কেউ কিছু বাদ্যযন্ত্রসহ অন্যান্য সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
রাত আড়াইটায় যখন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ভবনটির নিয়ন্ত্রণ নেয়, তার আগেই হামলাকারীদের তাণ্ডবে তছনছ করা হয় দেশের সংস্কৃতিচর্চার সবচেয়ে বড় এই প্রতিষ্ঠানটি।
এ হামলার পর ছায়ানট ভবনে পরিচালিত ‘ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের’ ক্লাসসহ সংগঠনের সব কার্যক্রম পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
একই রাতে কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, উত্তরায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ওসি ক্যশৈনু বলেন, ‘ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ফুটে সংগ্রহ করে আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ৩৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
ধানমন্ডি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার রাতে ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বাদী হয়ে এই মামলা করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়কের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ছায়ানট ভবনে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। গভীর রাতে চালানো এই হামলায় প্রতিষ্ঠানটির মনিটরিং সিস্টেম, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অডিটোরিয়াম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনার পর ছায়ানটের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আসামিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
ওই রাতে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল মিছিল নিয়ে এসে হামলা করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। প্রথমে পার্কিং লটের দিকে আগুন দেওয়া হয়। পরে তারা ভবনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এ সময় হামলাকারীরা ‘ভারতের দালাল’, ‘ভুয়া’,’ নারায়ে তাকবীর’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ভাঙো’ এসব স্লোগান দেয়। প্রয়াত সন্জীদা খাতুনের প্রতিকৃতি কেটে নষ্ট করার সময় ‘নাস্তিক’ বলে সম্বোধন করে।
মিলনায়তনে হামলাকারীর যা পেয়েছেন সেটিই ভাঙচুর করে। তবলা, হারমোনিয়াম, তানপুরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর করা হয়, পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পোড়ানোর পাশাপাশি ও তছনছ করা হয় বই, কাগজপত্র।
পুরো মনিটরিং সিস্টেম, ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা, স্পিকার, লাইট ও ফ্যান ভেঙে ফেলা হয় ওই রাতে। সেখানে থাকা মাটির তৈরি চারুকর্ম ও শিল্প কর্ম, কক্ষ ও অফিস রুমের বেশিরভাগ আসবাব ভেঙে ফেলা হয়।
বাদ যায়নি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষও। তাদের কক্ষের আলমারির গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। চেয়ার-টেবিল ভেঙেচুড়ে ওলট পালট করা হয়েছে। রমেশ চন্দ্র স্মৃতি মিলনায়তন, মূল মিলনায়তনসহ, শৌচাগারও রেহাই পায়নি ভাঙচুরের তাণ্ডব থেকে। হামলাকারীরা সেখান থেকে বাদ্যযন্ত্রসহ নানা ধরনের সামগ্রী লুটপাটও করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, হামলাকারীদের মধ্যে একটি অংশ ছিল লুটপাটকারী। তারা বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে টেবিলের ড্রয়ার ভাঙচুর করে খুঁজেছে টাকা-পয়সা আছে কি না। কেউ কেউ কিছু বাদ্যযন্ত্রসহ অন্যান্য সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
রাত আড়াইটায় যখন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ভবনটির নিয়ন্ত্রণ নেয়, তার আগেই হামলাকারীদের তাণ্ডবে তছনছ করা হয় দেশের সংস্কৃতিচর্চার সবচেয়ে বড় এই প্রতিষ্ঠানটি।
এ হামলার পর ছায়ানট ভবনে পরিচালিত ‘ছায়ানট সঙ্গীতবিদ্যায়তনের’ ক্লাসসহ সংগঠনের সব কার্যক্রম পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
একই রাতে কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, উত্তরায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ওসি ক্যশৈনু বলেন, ‘ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ফুটে সংগ্রহ করে আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আরএসএফ বলছে, সার্বিকভাবে বিশ্বব্যাপী গত ২৫ বছরের মধ্যে এবারই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিস্থিতি সবচেয়ে বাজে। সূচক চালুর পর থেকে ১৮০ দেশের গড় স্কোর এবারই এসেছে সবচেয়ে কম।
৩ ঘণ্টা আগে
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, এসব রাজনীতিবিদ সাতচল্লিশকে (১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান গঠন) মানেন নাই, একাত্তরকেও (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ) মানেন নাই। অথচ আজ তারাই সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
৭ ঘণ্টা আগে