
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে চলমান নৈরাজ্য নিরসন ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন কুইন্সল্যান্ড বিএনপির নেতারা।
ব্রিজবেনে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম বিষয়ক এক আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম সহ্য করেও বেগম জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেননি। অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে বিগত সরকারের নিষ্ঠুর আচরণের চিত্র তুলে ধরেন এবং দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাঁর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন সহনশীলতা ও আপসহীন নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চরম ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের আমলে বর্বরোচিত নির্যাতন ও অবহেলা সহ্য করেও তিনি দেশের মানুষের কথা ভেবে গেছেন। বিশেষ করে পরিত্যক্ত কারাগারে তাঁকে বন্দি রাখার ঘটনাকে বিশ্ব ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন আলোচকরা।
অনুষ্ঠানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডক্টর মোহাম্মদ ইসলাম- খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে তৎকালীন সরকারের নিষ্ঠুর আচরণ, অবহেলার ও মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁর প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন।
ব্রিজবেন বিএনপির সহ-সভাপতি সাঈদ চৌধুরী বলেন, ‘বেগম জিয়া সবসময়ই প্রতিহিংসা ও সহিংসতার রাজনীতি পরিহার করে চলেছেন। এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পরও তিনি দেশবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বর্তমানের এই সংকটময় সময়ে তাঁর মতো অভিভাবককে বাংলাদেশের খুব প্রয়োজন।’
কুইন্সল্যান্ড বিএনপির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন স্থিতিশীলতা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ। আর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল এই স্থিতিশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠান শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

বাংলাদেশে চলমান নৈরাজ্য নিরসন ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন কুইন্সল্যান্ড বিএনপির নেতারা।
ব্রিজবেনে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম বিষয়ক এক আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম সহ্য করেও বেগম জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেননি। অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে বিগত সরকারের নিষ্ঠুর আচরণের চিত্র তুলে ধরেন এবং দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাঁর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন সহনশীলতা ও আপসহীন নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চরম ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের আমলে বর্বরোচিত নির্যাতন ও অবহেলা সহ্য করেও তিনি দেশের মানুষের কথা ভেবে গেছেন। বিশেষ করে পরিত্যক্ত কারাগারে তাঁকে বন্দি রাখার ঘটনাকে বিশ্ব ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন আলোচকরা।
অনুষ্ঠানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডক্টর মোহাম্মদ ইসলাম- খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে তৎকালীন সরকারের নিষ্ঠুর আচরণ, অবহেলার ও মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁর প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন।
ব্রিজবেন বিএনপির সহ-সভাপতি সাঈদ চৌধুরী বলেন, ‘বেগম জিয়া সবসময়ই প্রতিহিংসা ও সহিংসতার রাজনীতি পরিহার করে চলেছেন। এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পরও তিনি দেশবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বর্তমানের এই সংকটময় সময়ে তাঁর মতো অভিভাবককে বাংলাদেশের খুব প্রয়োজন।’
কুইন্সল্যান্ড বিএনপির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন স্থিতিশীলতা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ। আর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল এই স্থিতিশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠান শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইজতেমার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাবলিগ জামাতের উভয় পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা হয়েছে। সাদপন্থী মুরুব্বিদের সঙ্গে আজকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, এর আগে জুবায়েরপন্থী শীর্ষ দায়িত্বশীলদের সঙ্গেও বিস্তারিত কথা বলেছে সরকার।
৪ ঘণ্টা আগে
তার দাবি, পেশাগত ঈর্ষা এবং ডিআইএতে পদায়ন না পাওয়া কয়েকজন কর্মকর্তার বিরোধিতার কারণেই তাকে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম এবং সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময় সময় কংস-চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি জিইয়ে রাখার অপচে
৫ ঘণ্টা আগে