
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের রাষ্ট্রীয় আইনি সহায়তার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকেও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪’-এ সংশোধন আনা হচ্ছে। সংশোধন কার্যকর হলে তারা নিম্ন আদালত থেকে আপিল বিভাগ পর্যন্ত বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ২৮ এপ্রিল ‘আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সুবিধাভোগীর পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং ফৌজদারি ও দেওয়ানি— উভয় ধরনের মামলায় সব স্তরের আদালতে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবীর সহায়তা পাওয়া যাবে।
সূত্র আরও জানায়, জুলাই শহিদের পরিবার, জুলাই যোদ্ধা এবং গুম হওয়া ব্যক্তি বা তাদের পরিবার— বাদী বা আসামি যা-ই হোক না কেন, উভয় ক্ষেত্রেই তারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন। সংশোধিত নীতিমালা দুই-এক দিনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হতে পারে।
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন বলেন, জুলাই শহিদ, যোদ্ধা এবং গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের যথাযথ স্বীকৃতি ও সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধনের পর নতুন অন্তর্ভুক্তরা এই সুবিধা পাবেন।
নীতিমালার বর্তমান কাঠামো
রাষ্ট্রের ব্যয়ে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ২০১৪ সালে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এতদিন মূলত দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তি, নির্যাতিত নারী ও শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শ্রমিকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এ সুবিধা পেয়ে আসছিলেন।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে সংশোধনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম ও কর্মহীন ব্যক্তিদেরও এতে যুক্ত করা হয়েছে।
নীতিমালায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে— শিশু, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু, আশ্রয়হীন ব্যক্তি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি এবং বয়স্ক ভাতাভোগীরা।
এ ছাড়া ভিজিডি কার্ডধারী নারী, এসিডদগ্ধ নারী ও শিশু, আদর্শ গ্রামে ভূমি বা ঘরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও দুস্থ নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বিচারপ্রাপ্তিতে অক্ষম ব্যক্তিদেরও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নীতিমালা শুধু দরিদ্র নয়, বরং নির্যাতিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়িয়েছে। ফলে এটি দেশের বিচারপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের রাষ্ট্রীয় আইনি সহায়তার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকেও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪’-এ সংশোধন আনা হচ্ছে। সংশোধন কার্যকর হলে তারা নিম্ন আদালত থেকে আপিল বিভাগ পর্যন্ত বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ২৮ এপ্রিল ‘আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সুবিধাভোগীর পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং ফৌজদারি ও দেওয়ানি— উভয় ধরনের মামলায় সব স্তরের আদালতে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবীর সহায়তা পাওয়া যাবে।
সূত্র আরও জানায়, জুলাই শহিদের পরিবার, জুলাই যোদ্ধা এবং গুম হওয়া ব্যক্তি বা তাদের পরিবার— বাদী বা আসামি যা-ই হোক না কেন, উভয় ক্ষেত্রেই তারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন। সংশোধিত নীতিমালা দুই-এক দিনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হতে পারে।
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন বলেন, জুলাই শহিদ, যোদ্ধা এবং গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের যথাযথ স্বীকৃতি ও সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধনের পর নতুন অন্তর্ভুক্তরা এই সুবিধা পাবেন।
নীতিমালার বর্তমান কাঠামো
রাষ্ট্রের ব্যয়ে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ২০১৪ সালে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এতদিন মূলত দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তি, নির্যাতিত নারী ও শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শ্রমিকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এ সুবিধা পেয়ে আসছিলেন।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে সংশোধনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম ও কর্মহীন ব্যক্তিদেরও এতে যুক্ত করা হয়েছে।
নীতিমালায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে— শিশু, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু, আশ্রয়হীন ব্যক্তি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি এবং বয়স্ক ভাতাভোগীরা।
এ ছাড়া ভিজিডি কার্ডধারী নারী, এসিডদগ্ধ নারী ও শিশু, আদর্শ গ্রামে ভূমি বা ঘরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও দুস্থ নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বিচারপ্রাপ্তিতে অক্ষম ব্যক্তিদেরও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই নীতিমালা শুধু দরিদ্র নয়, বরং নির্যাতিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়িয়েছে। ফলে এটি দেশের বিচারপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, একটি চক্র পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরি করে ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দিত। পরে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করত। বিকাশ-নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে গ্রাহকদের
১৫ ঘণ্টা আগে
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মোতাহের হোসেনকে বর্তমান পদ থেকে সরিয়ে নিজ বাহিনী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নতুন কমিশনের যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান বলেছেন, তারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, নতুন কমিশন কাজ শুরু করলেও কোনো ‘চাপের মধ্যে নেই’।
১৭ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নিজের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববাসীর আগ্রহ রয়েছে। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সুন্দরভাবে ভোট আয়োজনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আত্মবিশ্বাসী।
১৭ ঘণ্টা আগে