
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টার আগ্রহ ও উত্সাহের ভিত্তিতে আমাদের যারা রেমিটেন্স যোদ্ধা আছে তাদের বিমানবন্দরে ভিআইপি সার্ভিস দিবো। একজন ভিআইপি যখন বিমানবন্দরে যায় তখন তাদের সঙ্গে লাগেজ এবং চেকিংকের জন্য একজন থাকে, ইমিগ্রেশন করার সময় পাশে একজন থাকে। প্রত্যেকটা স্তরে আমরা অনুরুপ সেবা চালু করব। আজ মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রথম স্তরে আমরা মধ্যপ্রাচ্য টার্গেট করেছি, ইউরোপ পরে করবো। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের অধিকাংশ শ্রমবাজার। প্রথম স্তরে মধ্যপ্রাচ্যে যে সমস্ত শ্রমিক যাচ্ছে ওনারা যখন ফেরত আসবে একজন ভিআইপি যে রকম সেবা পান সেটা পাবেন। আমরা লাউঞ্জ ব্যবহার করার চিন্তা করছি। এটা অনেক পরের কাজ। আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যগামী কর্মীদের জন্য এ সেবা চালু করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে যেটা করবো লাউঞ্জ ব্যবহার ছাড়া বা আলাদা একটা ইমিগ্রেশনে কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হবে। তবে তার জন্য কর্তৃপেক্ষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রত্যেকটা স্তরে পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করবে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মী। দরকার হলে আমরা আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষত কর্মী নিয়োগ করবো।’
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে আসিফ নজরুল বলেন, ‘মালয়েশিয়ার বিষয়ে আমরা রিক্রুটিং এজেন্সিদের সঙ্গে বসেছি। আমরা বলেছিলাম প্রাথমিক স্তরে কর্মীরা সাব এজেন্টেদের অর্থ বুঝিয়ে দিবে। সাব এজেন্টরা মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের টাকা ফেরত দিবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো ১০০ শতাংশ অর্থ সাব এজেন্টদের বুঝিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সাব এজেন্টরা মাত্র ২৫ শতাংশ কর্মীকে অর্থ ফেরত দিয়েছে। আমরা আশা করছি ১০০ শতাংশ কর্মী অর্থ ফেরত পাবে। সিন্ডিকেট যেনো ভেঙ্গে যায় সেজন্য আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে অতন্ত জোড়ালোভাবে অনুরোধ করছি। আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে বলেছি এই বাজার যেনো সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।’
অভিবাসন ব্যয় কমানোর ব্যাপারে কি ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে সাব এজেন্টেদেরকে দায়বদ্ধতার জায়গায় এনে ভোগান্তি কমাতে হবে। কর্মীদের যে বৈধ টাকা দিতে হয় তার বাইরে যেনো একটি টাকাও কর্মীদের দিতে না হয়। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যতদিন যাবে তত অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে। আমরা নতুন নতুন বাজার সম্প্রসারনের চেষ্টা করছি।’
বিদেশে কর্মী যেতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে না জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, ‘দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে প্রবাসগামী কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে না। এখন থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বিষয়টি দেখভাল করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তিনটা জায়গার পরিবর্তে যখন দুইটা জায়গার অনুমোদন নিলে প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন প্রক্রিয়ার যে ভোগান্তি আমাদের হিসেব মতো অনেক কমবে। ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় কমে যাবে। ওনাদের যাওয়ার প্রস্তুতির সময়টা যদি আগে তিন মাস লাগত এখন আমরা আশা করি, দুই থেকে আড়াই মাস লাগবে বড়জোর। আমরা চেষ্টা করব এক মাস কমানোর জন্য। আপনাদের নিশ্চিত করছি, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আর দরকার পড়বে না।’

প্রধান উপদেষ্টার আগ্রহ ও উত্সাহের ভিত্তিতে আমাদের যারা রেমিটেন্স যোদ্ধা আছে তাদের বিমানবন্দরে ভিআইপি সার্ভিস দিবো। একজন ভিআইপি যখন বিমানবন্দরে যায় তখন তাদের সঙ্গে লাগেজ এবং চেকিংকের জন্য একজন থাকে, ইমিগ্রেশন করার সময় পাশে একজন থাকে। প্রত্যেকটা স্তরে আমরা অনুরুপ সেবা চালু করব। আজ মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রথম স্তরে আমরা মধ্যপ্রাচ্য টার্গেট করেছি, ইউরোপ পরে করবো। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের অধিকাংশ শ্রমবাজার। প্রথম স্তরে মধ্যপ্রাচ্যে যে সমস্ত শ্রমিক যাচ্ছে ওনারা যখন ফেরত আসবে একজন ভিআইপি যে রকম সেবা পান সেটা পাবেন। আমরা লাউঞ্জ ব্যবহার করার চিন্তা করছি। এটা অনেক পরের কাজ। আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যগামী কর্মীদের জন্য এ সেবা চালু করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে যেটা করবো লাউঞ্জ ব্যবহার ছাড়া বা আলাদা একটা ইমিগ্রেশনে কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হবে। তবে তার জন্য কর্তৃপেক্ষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রত্যেকটা স্তরে পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করবে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মী। দরকার হলে আমরা আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষত কর্মী নিয়োগ করবো।’
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে আসিফ নজরুল বলেন, ‘মালয়েশিয়ার বিষয়ে আমরা রিক্রুটিং এজেন্সিদের সঙ্গে বসেছি। আমরা বলেছিলাম প্রাথমিক স্তরে কর্মীরা সাব এজেন্টেদের অর্থ বুঝিয়ে দিবে। সাব এজেন্টরা মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের টাকা ফেরত দিবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো ১০০ শতাংশ অর্থ সাব এজেন্টদের বুঝিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সাব এজেন্টরা মাত্র ২৫ শতাংশ কর্মীকে অর্থ ফেরত দিয়েছে। আমরা আশা করছি ১০০ শতাংশ কর্মী অর্থ ফেরত পাবে। সিন্ডিকেট যেনো ভেঙ্গে যায় সেজন্য আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে অতন্ত জোড়ালোভাবে অনুরোধ করছি। আমরা মালয়েশিয়া সরকারকে বলেছি এই বাজার যেনো সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।’
অভিবাসন ব্যয় কমানোর ব্যাপারে কি ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে সাব এজেন্টেদেরকে দায়বদ্ধতার জায়গায় এনে ভোগান্তি কমাতে হবে। কর্মীদের যে বৈধ টাকা দিতে হয় তার বাইরে যেনো একটি টাকাও কর্মীদের দিতে না হয়। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যতদিন যাবে তত অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে। আমরা নতুন নতুন বাজার সম্প্রসারনের চেষ্টা করছি।’
বিদেশে কর্মী যেতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে না জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, ‘দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে প্রবাসগামী কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে না। এখন থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) বিষয়টি দেখভাল করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তিনটা জায়গার পরিবর্তে যখন দুইটা জায়গার অনুমোদন নিলে প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন প্রক্রিয়ার যে ভোগান্তি আমাদের হিসেব মতো অনেক কমবে। ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় কমে যাবে। ওনাদের যাওয়ার প্রস্তুতির সময়টা যদি আগে তিন মাস লাগত এখন আমরা আশা করি, দুই থেকে আড়াই মাস লাগবে বড়জোর। আমরা চেষ্টা করব এক মাস কমানোর জন্য। আপনাদের নিশ্চিত করছি, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আর দরকার পড়বে না।’

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি এক বছর ধরে ছুটিতে থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগ পত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে পাঠান তিনি। কানাডা থেকে বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ পত্রটি পাঠ
৪ ঘণ্টা আগে
ইসি জনবল ব্যবস্থাপনার শাখার সহকারি সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমানের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ বিভিন্ন উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তা পর্যায়ের ১১২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রত্যাহার হওয়া সচিবদের মধ্যে রয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মিজ রেহানা পারভীন।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন- কবিতায় মোহন রায়হান, কথাসাহিত্যে নাসিমা আনিস, প্রবন্ধ/গদ্যে সৈয়দ আজিজুল হক, শিশুসাহিত্যে হাসান হাফিজ, অনুবাদে আলী আহমদ, গবেষণায় মুস্তাফা মজিদ ও ইসরাইল খান, বিজ্ঞানে ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী ও মুক্তিযুদ্ধে মঈদুল হাসান।
৫ ঘণ্টা আগে