
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব বিদেশি চুক্তি হয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করার তাগিদ দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, বিগত সরকার যাওয়ার আগে বিভিন্ন ধরনের বৈদেশিক চুক্তি করেছে। এসব চুক্তি শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়নি, শুধু আমাদের বন্দর দিয়ে দেওয়ার জন্য হয়নি, আরও অন্যান্য ক্ষেত্রেও হয়েছে, যেগুলো হয়তো আমরা এখনো অবহিত না। এসব চুক্তি আবার পুনর্বিবেচনা করা উচিত, যেন নতুন সরকারের কাছে এগুলোর কী ধরনের দায়-দায়িত্ব বর্তায় তা খতিয়ে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক বিফ্রিংয়ে তারেক রহমানের নতুন সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান দেবপ্রিয়। তিনি নাগরিক প্ল্যাটফর্মেরও আহ্বায়ক।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটি গঠন করেছিল। আওয়ামী লীগ আমলে আর্থিক খাতে যেসব অনিয়ম-দুর্নীতি-লুটপাট হয়েছে, সেগুলো উন্মোচনের দায়িত্ব ছিল এই শ্বেতপত্র কমিটির। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে এই কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের উদ্দেশে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যেহেতু এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনকে (স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ) আপনি পুনর্মূল্যায়ন করতে রাজি আছেন, তাহলে এগুলোকেও পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে বলে আমি মনে করি।
ব্রিফিংয়ে নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে সরকারকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন দেবপ্রিয়। চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ে (মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস) তিনি এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিপক্ষে বলে জানান।
দেবপ্রিয় বলেন, আমি তাড়াহুড়ার বিপক্ষে। এই যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির কথা বলা হচ্ছে, আমি বলব ধৈর্য ধরেন। এই অর্থবছরে আর কিছু হবে না। পরিকল্পনা দাঁড় করান। পরবর্তী অর্থবছরে অর্থায়নের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটাকে রাখুন। আপনি জানেনই না যে বাড়িটা দুইতলা নাকি এক একতলা, এটা কাঠের তৈরি নাকি টিনের। অথচ আপনি এর ওপরে দালান কোঠা বানাতে চাচ্ছেন। একটু বাস্তবসম্মত হন।
বিএনপি এবারের নির্বাচনে তাদের ইশতেহারে ‘চোখের মণি’ করেছিল ফ্যামিলি কার্ডকে। সরকারের যাত্রা শুরুর দ্বিতীয় দিনেই এই কার্ড বাস্তবায়নের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তঃমন্ত্রণালয় একটি কমিটিও করে দিয়েছেন। বলেছেন, এ রমজানেই আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বিএনপির ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ এ উপাদানটিকেও এত দ্রুত বাস্তবায়নের বিপক্ষে অভিমত জানান। তিনি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের পক্ষে মত দেন।
ঋণ পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করছেন সিপিডির এই সম্মানীয় ফেলো। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ঋণ পরিস্থিতি, দায়দেনা পরিস্থিতি যেভাবে পেয়েছিল তার চেয়ে আরেকটু খারাপ অবস্থায় রেখে গেছে। সেটা রাজস্ব আদায় কম হওয়ার কারণে হতে পারে, চলতি ব্যয়কে সংকোচন করতে না পারার কারণেও হতে পারে। কারণ যাই হোক, উত্তরাধিকার সূত্রে বিএনপি যে ঋণ পরিস্থিতি পাচ্ছে তা অন্তর্বর্তী সরকার যে অবস্থায় পেয়েছিল তার চেয়ে আরেকটু দুর্বল ও নাজুক।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন সরকার যেন টাকা ছাপানোর চিন্তা ‘স্বপ্নেও না করে’, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বিএনপির এমপি-মন্ত্রীরা বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার কথা বলেছেন। সেটি তারা কতটা করতে পারেন, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন বলেও জানান তিনি। সংযমের মাস রমজানে তিনি সরকারকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সংযম দেখানোর আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সম্মানিত কোর গ্রুপ সদস্য ও সিপিডির আরেক সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব বিদেশি চুক্তি হয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করার তাগিদ দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, বিগত সরকার যাওয়ার আগে বিভিন্ন ধরনের বৈদেশিক চুক্তি করেছে। এসব চুক্তি শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়নি, শুধু আমাদের বন্দর দিয়ে দেওয়ার জন্য হয়নি, আরও অন্যান্য ক্ষেত্রেও হয়েছে, যেগুলো হয়তো আমরা এখনো অবহিত না। এসব চুক্তি আবার পুনর্বিবেচনা করা উচিত, যেন নতুন সরকারের কাছে এগুলোর কী ধরনের দায়-দায়িত্ব বর্তায় তা খতিয়ে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক বিফ্রিংয়ে তারেক রহমানের নতুন সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান দেবপ্রিয়। তিনি নাগরিক প্ল্যাটফর্মেরও আহ্বায়ক।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটি গঠন করেছিল। আওয়ামী লীগ আমলে আর্থিক খাতে যেসব অনিয়ম-দুর্নীতি-লুটপাট হয়েছে, সেগুলো উন্মোচনের দায়িত্ব ছিল এই শ্বেতপত্র কমিটির। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে এই কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের উদ্দেশে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যেহেতু এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনকে (স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ) আপনি পুনর্মূল্যায়ন করতে রাজি আছেন, তাহলে এগুলোকেও পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে বলে আমি মনে করি।
ব্রিফিংয়ে নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে সরকারকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন দেবপ্রিয়। চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ে (মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস) তিনি এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিপক্ষে বলে জানান।
দেবপ্রিয় বলেন, আমি তাড়াহুড়ার বিপক্ষে। এই যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির কথা বলা হচ্ছে, আমি বলব ধৈর্য ধরেন। এই অর্থবছরে আর কিছু হবে না। পরিকল্পনা দাঁড় করান। পরবর্তী অর্থবছরে অর্থায়নের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটাকে রাখুন। আপনি জানেনই না যে বাড়িটা দুইতলা নাকি এক একতলা, এটা কাঠের তৈরি নাকি টিনের। অথচ আপনি এর ওপরে দালান কোঠা বানাতে চাচ্ছেন। একটু বাস্তবসম্মত হন।
বিএনপি এবারের নির্বাচনে তাদের ইশতেহারে ‘চোখের মণি’ করেছিল ফ্যামিলি কার্ডকে। সরকারের যাত্রা শুরুর দ্বিতীয় দিনেই এই কার্ড বাস্তবায়নের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তঃমন্ত্রণালয় একটি কমিটিও করে দিয়েছেন। বলেছেন, এ রমজানেই আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বিএনপির ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ এ উপাদানটিকেও এত দ্রুত বাস্তবায়নের বিপক্ষে অভিমত জানান। তিনি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের পক্ষে মত দেন।
ঋণ পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করছেন সিপিডির এই সম্মানীয় ফেলো। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ঋণ পরিস্থিতি, দায়দেনা পরিস্থিতি যেভাবে পেয়েছিল তার চেয়ে আরেকটু খারাপ অবস্থায় রেখে গেছে। সেটা রাজস্ব আদায় কম হওয়ার কারণে হতে পারে, চলতি ব্যয়কে সংকোচন করতে না পারার কারণেও হতে পারে। কারণ যাই হোক, উত্তরাধিকার সূত্রে বিএনপি যে ঋণ পরিস্থিতি পাচ্ছে তা অন্তর্বর্তী সরকার যে অবস্থায় পেয়েছিল তার চেয়ে আরেকটু দুর্বল ও নাজুক।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন সরকার যেন টাকা ছাপানোর চিন্তা ‘স্বপ্নেও না করে’, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বিএনপির এমপি-মন্ত্রীরা বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার কথা বলেছেন। সেটি তারা কতটা করতে পারেন, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন বলেও জানান তিনি। সংযমের মাস রমজানে তিনি সরকারকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সংযম দেখানোর আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সম্মানিত কোর গ্রুপ সদস্য ও সিপিডির আরেক সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

সরকার বাংলাদেশ রেলওয়েকে আর লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় না জানিয়ে নতুন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, রেলওয়েকে ঢেলে সাজিয়ে একে লাভজনক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শিগগিরই শুরু হবে জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে এর অগ্রগতি দৃশ্যমান করা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত হয়; তাই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা শুধু সাংবিধানিক নয়, নৈতিক দায়িত্বও।
১২ ঘণ্টা আগে
বিধি-বিধানের বাইরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
১২ ঘণ্টা আগে