
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর বিদ্যমান পরিস্থিতি সংক্রান্ত উচ্চস্তরের সম্মেলনের পরিধি, পদ্ধতি, বিন্যাস ও সংগঠন সম্পর্কিত একটি রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ)। এই রেজ্যুলেশনে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে মালয়েশিয়া ও ফিনল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রেজ্যুলেশনটি গৃহীত হয়। রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ ইস্যুতে এই রেজ্যুলেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মো. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী সাধারণ পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্ক অধিবেশনে এই রেজ্যুলেশনটির ওপর ভোট প্রস্তাব করেন। রাশিয়ার প্রতিনিধি এর ওপর বেশকিছু সংশোধনী প্রস্তাব করেন। তবে বাংলাদেশ সে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নাকচ করে দেয়।
পরে সাধারণ পরিষদের সভাপতি এই রেজ্যুলেশনটি ভোটে দেন। প্রস্তাবটির পক্ষে পড়ে ১৪১ ভোট। এর বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। তবে ১০টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। সে হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমেই রেজ্যুলেশনটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়েছে।
এই রেজ্যুলেশনটি এমন একটি সময়ে গৃহীত হলো যখন ঢাকা আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। রেজ্যুলেশনটি ভবিষ্যতেও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
২০১৭ সালে নিজ দেশের সরকারি বাহিনীর কাছে চূড়ান্ত নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। প্রায় এক বছর সময় ধরে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আসে বাংলাদেশে। কক্সবাজারে আশ্রয় শিবির তৈরি করে স্থান দেওয়া হয় তাদের। বর্তমানে জাতিসংঘের হিসাবেই কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১৪ কোটি ৮০ লাখ।
সাম্প্রতিক সময়ে ফের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীগুলোর সংঘাত শুরু হয়েছে। গত দুই মাসে নতুন করে আরও প্রায় ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে বলে তথ্য রয়েছে।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর বিদ্যমান পরিস্থিতি সংক্রান্ত উচ্চস্তরের সম্মেলনের পরিধি, পদ্ধতি, বিন্যাস ও সংগঠন সম্পর্কিত একটি রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ)। এই রেজ্যুলেশনে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে মালয়েশিয়া ও ফিনল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রেজ্যুলেশনটি গৃহীত হয়। রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ ইস্যুতে এই রেজ্যুলেশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মো. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী সাধারণ পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্ক অধিবেশনে এই রেজ্যুলেশনটির ওপর ভোট প্রস্তাব করেন। রাশিয়ার প্রতিনিধি এর ওপর বেশকিছু সংশোধনী প্রস্তাব করেন। তবে বাংলাদেশ সে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নাকচ করে দেয়।
পরে সাধারণ পরিষদের সভাপতি এই রেজ্যুলেশনটি ভোটে দেন। প্রস্তাবটির পক্ষে পড়ে ১৪১ ভোট। এর বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। তবে ১০টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। সে হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমেই রেজ্যুলেশনটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়েছে।
এই রেজ্যুলেশনটি এমন একটি সময়ে গৃহীত হলো যখন ঢাকা আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। রেজ্যুলেশনটি ভবিষ্যতেও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
২০১৭ সালে নিজ দেশের সরকারি বাহিনীর কাছে চূড়ান্ত নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। প্রায় এক বছর সময় ধরে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আসে বাংলাদেশে। কক্সবাজারে আশ্রয় শিবির তৈরি করে স্থান দেওয়া হয় তাদের। বর্তমানে জাতিসংঘের হিসাবেই কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১৪ কোটি ৮০ লাখ।
সাম্প্রতিক সময়ে ফের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীগুলোর সংঘাত শুরু হয়েছে। গত দুই মাসে নতুন করে আরও প্রায় ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে বলে তথ্য রয়েছে।

বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১১ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
১২ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
১২ ঘণ্টা আগে