
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে সড়ক, মহাসড়ক, সেতু ও রেলপথের যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ঈদের আগে ও পরে ৬ দিন মহাসড়কে চলবে না ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি।
গত ৯ মার্চ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এরপর ১৬ মার্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহকারী সচিব জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, 'আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আগামী ২৫ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এবং ঈদ পরবর্তী ৩ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, সার এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে। বিষয়টি বিআরটিএ কর্তৃক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা এবং সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বিআরটিএ চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত আইজিপি(হাইওয়ে পুলিশ, সকল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি ও মহাসচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি, সহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহণ মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সেক্রেটারি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পুলিশ মহাপরিদর্শক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিবকে অনুলিপি পাঠিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে সড়ক, মহাসড়ক, সেতু ও রেলপথের যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ঈদের আগে ও পরে ৬ দিন মহাসড়কে চলবে না ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি।
গত ৯ মার্চ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে আব্দুল গণি রোডের বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এরপর ১৬ মার্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহকারী সচিব জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, 'আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আগামী ২৫ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এবং ঈদ পরবর্তী ৩ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, সার এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে। বিষয়টি বিআরটিএ কর্তৃক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা এবং সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বিআরটিএ চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত আইজিপি(হাইওয়ে পুলিশ, সকল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি ও মহাসচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি, সহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহণ মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সেক্রেটারি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পুলিশ মহাপরিদর্শক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিবকে অনুলিপি পাঠিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গত ১৫ ডিসেম্বরের সরকারি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। আজকের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আগামীকালকের ‘ভুখা মিছিল’ থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক ধর্মঘটের মতো আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ছয় তরুণ। এরপর পুলিশ ভ্যানে তাদের মরদেহ তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নৃশংস এ ঘটনার সময় একজন জীবিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পেট্রোল ঢেলে তাকেও পুড়িয়ে মারা হয়। এছাড়া, সেখানে এর আগের দিন একজন শহীদ হয়েছিলেন। এ ঘটনায় একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মান
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলীয় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধপরায়ণতা, সমাবেশকেন্দ্রিক সংঘর্ষ, নির্বাচন ও চাঁদাবাজিকে ঘিরে ১৪১১টি সহিংস ঘটনায় ১৯৫ জন নিহত ও ১১ হাজার ২২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ১৩৪, আওয়ামী লীগের ২৬, জামায়াতের ৫, ইউপিডিএফের ৬ জনসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে