
খুলনা প্রতিনিধি

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র ও তার স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামে পাঁচটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় দেড় কোটি টাকা ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন খুলনার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ এর আদালত।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আবেদনে বিচারক মো. শরীফ হোসেন হায়দার এই আদেশ দেন।
আদালতের এ আদেশ কার্যকর থাকাবস্থায় নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও তার স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামের অ্যাকাউন্টগুলোতে অর্থ জমা করা যাবে। তবে কোনো অবস্থাতেই উত্তোলন করা যাবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ করে নিয়োগ বাণিজ্য, জমি দখলসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ নিজ ও স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, এফডিআর ও ব্যাংকে রক্ষিত সঞ্চয়পত্র ফ্রিজ করার জন্য দুর্নীতি কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক অভিযোগ অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মো. আব্দুল ওয়াদুদ আদালতে আবেদন করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুদক সাবেক মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর নামে সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ডাচ-বাংলা
ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সঞ্চয়পত্র অ্যাকাউন্ট এবং মন্ত্রীর মালিকানাধীন কেপি ব্রিক ফিল্ড ও কংক্রিট ব্রিকস অ্যান্ড ব্রিকস ফ্যাক্টরির হিসাবে এক কোটি ৪৬ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩৫ টাকার হিসাব পাওয়া গেছে।
দুদক খুলনার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আদালতের নির্দেশটি ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ অক্টোবর নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন। পরে তাকে খুলনায় আনা হয় একটি ধর্ষণ মামলার সহায়তাকারী আসামি হিসেবে। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র ও তার স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামে পাঁচটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় দেড় কোটি টাকা ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন খুলনার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ এর আদালত।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আবেদনে বিচারক মো. শরীফ হোসেন হায়দার এই আদেশ দেন।
আদালতের এ আদেশ কার্যকর থাকাবস্থায় নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও তার স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামের অ্যাকাউন্টগুলোতে অর্থ জমা করা যাবে। তবে কোনো অবস্থাতেই উত্তোলন করা যাবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ করে নিয়োগ বাণিজ্য, জমি দখলসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ নিজ ও স্ত্রী ঊষা রানী চন্দের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, এফডিআর ও ব্যাংকে রক্ষিত সঞ্চয়পত্র ফ্রিজ করার জন্য দুর্নীতি কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক অভিযোগ অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মো. আব্দুল ওয়াদুদ আদালতে আবেদন করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুদক সাবেক মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর নামে সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ডাচ-বাংলা
ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সঞ্চয়পত্র অ্যাকাউন্ট এবং মন্ত্রীর মালিকানাধীন কেপি ব্রিক ফিল্ড ও কংক্রিট ব্রিকস অ্যান্ড ব্রিকস ফ্যাক্টরির হিসাবে এক কোটি ৪৬ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩৫ টাকার হিসাব পাওয়া গেছে।
দুদক খুলনার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আদালতের নির্দেশটি ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ অক্টোবর নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন। পরে তাকে খুলনায় আনা হয় একটি ধর্ষণ মামলার সহায়তাকারী আসামি হিসেবে। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন। পরে তিনি পার্ক ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে
এর আগে, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় নাঈমকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
১২ ঘণ্টা আগে
সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
১৪ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে