
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছিল হার্টের রিংয়ের দাম। অবশেষে সেই দাম কমিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। একইসযঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতালে হৃদরোগীদের জন্য যে প্যাকেজের অধীনে চিকিৎসা দেওয়া হতো, সেখানেও স্ট্যান্টের দাম নির্ধারণ করতে হবে বলে অধিদপ্তর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন স্বাকরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে বাংলাদেশে ইউরোপীয় এবং অন্যান্য দেশের হার্টের রিং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির হার্টের রিংয়ের দাম কমানো হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, পোল্যান্ডের তৈরি অ্যালেক্স প্লাস ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৮০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, অ্যালেক্স ব্র্যান্ডের রিং ৬২ হাজার ৯২২ টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, অ্যাবারিস ব্র্যান্ডের হার্টের রিং ৬১ হাজার ৯২১ টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
জার্মানির করোফ্ল্যাক্স আইএসএআর ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৫০ হাজার ১১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৩ হাজার টাকা, করোফ্ল্যাক্স আইএসএআর নিও ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৭৩ হাজার ১২৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৫ হাজার টাকা, জিলিমাস ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৬০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের ওরসিরো ব্র্যান্ডের রিং ৭৬ হাজার টাকার বদলে ৬৩ হাজার টাকা, ওরসিরো মিশনের দাম ৮১ হাজার টাকা থেকে কমে ৬৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি জেনোস ডেস ব্র্যান্ডের ৬৫ হাজার ৫০০ টাকার বদলে ৫৬ হাজার টাকা, স্পেনের ইভাসকুলার এনজিওলাইটের দাম ৮৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬২ হাজার টাকা, জাপানের আল্টিমাস্টারের দাম ৮৩ হাজার ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬৬ হাজার টাকা এবং নেদারল্যান্ডসের অ্যাবলুমিনাস ডেস প্লাসের দাম ৭১ হাজার ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
ভারতে তৈরি স্টেন্টের দামও কমিয়েছে অধিদপ্তর। মেটাফর ব্র্যান্ডের স্টেন্ট ৪৮ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার, এভারমাইন ফিফটি ব্র্যান্ডের স্টেন্ট ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার, বায়োমাইম মর্ফ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার, বায়োমাইমের স্টেন্ট ৬৫ হাজার ৫৯৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৪৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাফিনিটি-এমএস মিনির দাম ৯১ হাজার টাকার বদলে ৬০ হাজার টাকা, ডিরেক্ট-স্টেন্ট সিরোর দাম ৯৬ হাজার ৭৩২ টাকার বদলে ৬৬ হাজার টাকা এবং ডিরেক্ট-স্টেন্টের দাম ৩৩ হাজার ৫৯২ টাকা থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের তৈরি বায়োমেট্রিক্স নিওফ্ল্যাক্স রিং ৭৬ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, বায়োমেট্রিক্স আলফার দাম ৮৬ হাজার ৩৬ টাকা থেকে ৬৬ হাজার টাকা এবং বায়োফ্রিডমের দাম ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ টাকা থেকে কমে ৬৮ হাজার করা হয়েছে।
পরে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, আমরা অনেকদিন ধরেই দাম কমানোর চেষ্টা করছিলাম, অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চলছিল।
সবগুলো কোম্পানি তাদের দাম কমিয়েছে, যে যতটুকু পেরেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান মূল্য কিন্তু ২০১৯ সালের দামের চাইতেও কমেছে।
আমরা তাদের বলেছিলাম, ডলারের দাম বাড়ার আগের চাইতেও কমেছে। আমরা তাদের ( উৎপাদানকারী প্রতিষ্ঠান) বলেছিলাম, তোমরা ভারতে কমিয়েছো, আমাদের দেশেও কমাতে হবে। কিন্তু ওরা বলছিল, আমাদের এখানে ছোট মার্কেটসহ অন্যান্য খরচ বেশি। কিন্তু আমরা ‘স্ট্রিক্ট’ ছিলাম।
তাই তাদেরকে কমাতে বাধ্য হতে হয়েছে মন্তব্য করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, তালিকার সবগুলো ভালো স্ট্যান্ট। সেইসঙ্গে অতি দ্রুতই হাসপাতালগুলোতে এ মূল্য তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হবে এবং সেটা তাদেরকে করতেই হবে।
“এমনকী হাসপাতালগুলো হৃদরোগীদের জন্য যেসব প্যাকেজ রাখে, সেখানেও স্ট্যান্টের দাম লেখা রাখতে হবে।”
এতদিন প্যাকেজের আওতায় একটা দাম ধরা হতো জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সেই প্যাকেজে স্ট্যান্টের দাম নির্ধারিত থাকতে হবে, যেন রোগী বুঝতে পারে, কোনটা স্ট্যান্টের দাম। বাকীটা হাসপাতালের খরচ। তখন তার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে এবং রোগীদের ভোগান্তি বা দূর্ভোগ কমবে।
এর আগে গত ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কোম্পানির তিন ধরনের স্টেন্টের দাম কমায় অধিদপ্তর। তখন ‘রেজোলিউট ইন্টেগ্রিটি’ ধরনের স্টেন্টের ভিত্তিমূল্য ৮৮০ থেকে কমিয়ে ৫০০ ডলার, রেজোলিউট ওনিক্সের দাম ১১৫০ থেকে কমিয়ে ৯০০ ডলার এবং অনিক্স ট্রকারের দাম নির্ধারণ করা হয় ৪৫০ ডলার।
এরপর ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর অধিদপ্তর আরও বিভিন্ন ধরনের স্টেন্টের দাম নির্ধারণ করে দেয়, যা কার্যকর হয় গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে। নতুন তালিকায় সর্বনিম্ন ১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামের স্টেন্টও রয়েছে। এতে প্রকারভেদে স্টেন্টের দাম সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে।

ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছিল হার্টের রিংয়ের দাম। অবশেষে সেই দাম কমিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। একইসযঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতালে হৃদরোগীদের জন্য যে প্যাকেজের অধীনে চিকিৎসা দেওয়া হতো, সেখানেও স্ট্যান্টের দাম নির্ধারণ করতে হবে বলে অধিদপ্তর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন স্বাকরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে বাংলাদেশে ইউরোপীয় এবং অন্যান্য দেশের হার্টের রিং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির হার্টের রিংয়ের দাম কমানো হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, পোল্যান্ডের তৈরি অ্যালেক্স প্লাস ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৮০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, অ্যালেক্স ব্র্যান্ডের রিং ৬২ হাজার ৯২২ টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, অ্যাবারিস ব্র্যান্ডের হার্টের রিং ৬১ হাজার ৯২১ টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
জার্মানির করোফ্ল্যাক্স আইএসএআর ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৫০ হাজার ১১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৩ হাজার টাকা, করোফ্ল্যাক্স আইএসএআর নিও ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৭৩ হাজার ১২৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৫ হাজার টাকা, জিলিমাস ব্র্যান্ডের রিংয়ের দাম ৬০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের ওরসিরো ব্র্যান্ডের রিং ৭৬ হাজার টাকার বদলে ৬৩ হাজার টাকা, ওরসিরো মিশনের দাম ৮১ হাজার টাকা থেকে কমে ৬৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি জেনোস ডেস ব্র্যান্ডের ৬৫ হাজার ৫০০ টাকার বদলে ৫৬ হাজার টাকা, স্পেনের ইভাসকুলার এনজিওলাইটের দাম ৮৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬২ হাজার টাকা, জাপানের আল্টিমাস্টারের দাম ৮৩ হাজার ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬৬ হাজার টাকা এবং নেদারল্যান্ডসের অ্যাবলুমিনাস ডেস প্লাসের দাম ৭১ হাজার ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
ভারতে তৈরি স্টেন্টের দামও কমিয়েছে অধিদপ্তর। মেটাফর ব্র্যান্ডের স্টেন্ট ৪৮ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার, এভারমাইন ফিফটি ব্র্যান্ডের স্টেন্ট ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার, বায়োমাইম মর্ফ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার, বায়োমাইমের স্টেন্ট ৬৫ হাজার ৫৯৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৪৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাফিনিটি-এমএস মিনির দাম ৯১ হাজার টাকার বদলে ৬০ হাজার টাকা, ডিরেক্ট-স্টেন্ট সিরোর দাম ৯৬ হাজার ৭৩২ টাকার বদলে ৬৬ হাজার টাকা এবং ডিরেক্ট-স্টেন্টের দাম ৩৩ হাজার ৫৯২ টাকা থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের তৈরি বায়োমেট্রিক্স নিওফ্ল্যাক্স রিং ৭৬ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ হাজার টাকা, বায়োমেট্রিক্স আলফার দাম ৮৬ হাজার ৩৬ টাকা থেকে ৬৬ হাজার টাকা এবং বায়োফ্রিডমের দাম ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ টাকা থেকে কমে ৬৮ হাজার করা হয়েছে।
পরে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, আমরা অনেকদিন ধরেই দাম কমানোর চেষ্টা করছিলাম, অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা চলছিল।
সবগুলো কোম্পানি তাদের দাম কমিয়েছে, যে যতটুকু পেরেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান মূল্য কিন্তু ২০১৯ সালের দামের চাইতেও কমেছে।
আমরা তাদের বলেছিলাম, ডলারের দাম বাড়ার আগের চাইতেও কমেছে। আমরা তাদের ( উৎপাদানকারী প্রতিষ্ঠান) বলেছিলাম, তোমরা ভারতে কমিয়েছো, আমাদের দেশেও কমাতে হবে। কিন্তু ওরা বলছিল, আমাদের এখানে ছোট মার্কেটসহ অন্যান্য খরচ বেশি। কিন্তু আমরা ‘স্ট্রিক্ট’ ছিলাম।
তাই তাদেরকে কমাতে বাধ্য হতে হয়েছে মন্তব্য করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, তালিকার সবগুলো ভালো স্ট্যান্ট। সেইসঙ্গে অতি দ্রুতই হাসপাতালগুলোতে এ মূল্য তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হবে এবং সেটা তাদেরকে করতেই হবে।
“এমনকী হাসপাতালগুলো হৃদরোগীদের জন্য যেসব প্যাকেজ রাখে, সেখানেও স্ট্যান্টের দাম লেখা রাখতে হবে।”
এতদিন প্যাকেজের আওতায় একটা দাম ধরা হতো জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সেই প্যাকেজে স্ট্যান্টের দাম নির্ধারিত থাকতে হবে, যেন রোগী বুঝতে পারে, কোনটা স্ট্যান্টের দাম। বাকীটা হাসপাতালের খরচ। তখন তার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে এবং রোগীদের ভোগান্তি বা দূর্ভোগ কমবে।
এর আগে গত ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কোম্পানির তিন ধরনের স্টেন্টের দাম কমায় অধিদপ্তর। তখন ‘রেজোলিউট ইন্টেগ্রিটি’ ধরনের স্টেন্টের ভিত্তিমূল্য ৮৮০ থেকে কমিয়ে ৫০০ ডলার, রেজোলিউট ওনিক্সের দাম ১১৫০ থেকে কমিয়ে ৯০০ ডলার এবং অনিক্স ট্রকারের দাম নির্ধারণ করা হয় ৪৫০ ডলার।
এরপর ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর অধিদপ্তর আরও বিভিন্ন ধরনের স্টেন্টের দাম নির্ধারণ করে দেয়, যা কার্যকর হয় গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে। নতুন তালিকায় সর্বনিম্ন ১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামের স্টেন্টও রয়েছে। এতে প্রকারভেদে স্টেন্টের দাম সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে।

রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে বুধবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার পাশাপাশি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, বংশাল এলাকার একটি সেলুনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময়ে চুক্তি অনুযায়ী দেশে ফেরাতে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারকে। দেশে এলেই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে