
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অতিবৃষ্টিতে ও পাহাড়ি ঢলে হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে পরবর্তী ফসল না ওঠা পর্যন্ত হাওর এলাকাকে দুর্গত ঘোষণা করে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শনিবার (২ মে) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ শাফির সই করা এক যৌথ বিবৃতিতে সভাপতি দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যার পর হাওর ব্যবস্থাপনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠিত হলেও এ বছর তারা উজানের ঢলের পানি ঠেকাতে বাঁধ নির্মাণ, বন্যা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাপনা সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এর ফলে উজানের ঢল ও গত সপ্তাহের অতিবৃষ্টিতে হাওরের কষ্টার্জিত ফসল তলিয়ে গেছে।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চল বর্তমানে পানির নিচে। কৃষকের তিন মাসের কষ্টে উৎপাদিত সোনালি ধান তলিয়ে যাওয়ায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। হাওরাঞ্চলে যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সেটির উন্নতি হতে সপ্তাহ খানেক লাগবে। এমন পরিস্থিতিতে ডুবে থাকা পাকা ধানের আশা ছেড়েই দিয়েছেন কৃষকরা। শুকানোর জায়গা ও সুবিধাজনক আবহাওয়া না থাকায় ঘরে তোলা বেশির ভাগ ধানও নষ্ট হয়ে পচে যাচ্ছে। যে সময়টায় সোনালি ধানের ঘ্রাণ ভেসে থাকার কথা, সে সময়ে হাওর জুড়ে হতাশা আর পচা ধানের গন্ধ। হাওর জুড়ে কোলাহল ও প্রাণচাঞ্চল্যের বদলে চাপা কান্না ও আহাজারি ছড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি জানায়, দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে বোরো মৌসুম থেকে, যার উল্লেখযোগ্য ২৩ ভাগ হাওর অঞ্চল থেকে উৎপাদিত হয়। অন্যান্য এলাকা এবং হাওরের কৃষি উৎপাদনের মধ্যে সময় ও বাস্তবতায় নানা ফারাক আছে। যে বছর হাওর অঞ্চলের বোরো ধানের ফলন কৃষক নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারেন, সে বছর চালের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে, নিশ্চিত হয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা।
বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা আরও বলেন, হাওরের ফসল সুরক্ষায় আগে থেকে আলাদা পদক্ষেপ নিতে হয়। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল অল্প সময়ের মধ্যে গোলায় তুলতে পর্যাপ্ত হার্ভেস্টিং মেশিন ও কৃষি-মজুরের যোগান নিশ্চিত করতে হয়। শুধু বন্যা ও বৃষ্টির পূর্বাভাস নয়, মাসখানেক আগ থেকে শুরু করতে হয় এই প্রস্তুতি। এবারের এই ক্ষতি শুধু কৃষকের ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতি মাত্র নয়, গোটা দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তায় যে ধাক্কা লাগল, সেটির প্রভাব ঠিকই বাজারে এসে পড়বে কয়েক মাস পর।
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির পক্ষ থেকে নিম্নলিখিত দাবি জানানো হয়েছে—
১. হাওর অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে আগামী ফসল না আসা পর্যন্ত প্রতিটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
২. আগামী অন্তত ৬ মাস রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করা দরকার।
৩. কৃষিঋণ-এনজিও-মহাজনী ঋণ আদায় আগামী ছয় মাসের জন্য স্থগিত ও সুদ মওকুফ করতে হবে।
৪. হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ধান চাষিদের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ শস্যবিমা চালু করতে হবে।
৫. আগামী বছরের ফসল, মৎস্য ও গবাদি পালনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষি ঋণ প্রদান করতে হবে।
৬. পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) দূর্নীতি ও অনিয়মের হোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

অতিবৃষ্টিতে ও পাহাড়ি ঢলে হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে পরবর্তী ফসল না ওঠা পর্যন্ত হাওর এলাকাকে দুর্গত ঘোষণা করে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শনিবার (২ মে) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ শাফির সই করা এক যৌথ বিবৃতিতে সভাপতি দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যার পর হাওর ব্যবস্থাপনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠিত হলেও এ বছর তারা উজানের ঢলের পানি ঠেকাতে বাঁধ নির্মাণ, বন্যা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাপনা সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এর ফলে উজানের ঢল ও গত সপ্তাহের অতিবৃষ্টিতে হাওরের কষ্টার্জিত ফসল তলিয়ে গেছে।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চল বর্তমানে পানির নিচে। কৃষকের তিন মাসের কষ্টে উৎপাদিত সোনালি ধান তলিয়ে যাওয়ায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। হাওরাঞ্চলে যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সেটির উন্নতি হতে সপ্তাহ খানেক লাগবে। এমন পরিস্থিতিতে ডুবে থাকা পাকা ধানের আশা ছেড়েই দিয়েছেন কৃষকরা। শুকানোর জায়গা ও সুবিধাজনক আবহাওয়া না থাকায় ঘরে তোলা বেশির ভাগ ধানও নষ্ট হয়ে পচে যাচ্ছে। যে সময়টায় সোনালি ধানের ঘ্রাণ ভেসে থাকার কথা, সে সময়ে হাওর জুড়ে হতাশা আর পচা ধানের গন্ধ। হাওর জুড়ে কোলাহল ও প্রাণচাঞ্চল্যের বদলে চাপা কান্না ও আহাজারি ছড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি জানায়, দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে বোরো মৌসুম থেকে, যার উল্লেখযোগ্য ২৩ ভাগ হাওর অঞ্চল থেকে উৎপাদিত হয়। অন্যান্য এলাকা এবং হাওরের কৃষি উৎপাদনের মধ্যে সময় ও বাস্তবতায় নানা ফারাক আছে। যে বছর হাওর অঞ্চলের বোরো ধানের ফলন কৃষক নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে পারেন, সে বছর চালের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে, নিশ্চিত হয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা।
বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা আরও বলেন, হাওরের ফসল সুরক্ষায় আগে থেকে আলাদা পদক্ষেপ নিতে হয়। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল অল্প সময়ের মধ্যে গোলায় তুলতে পর্যাপ্ত হার্ভেস্টিং মেশিন ও কৃষি-মজুরের যোগান নিশ্চিত করতে হয়। শুধু বন্যা ও বৃষ্টির পূর্বাভাস নয়, মাসখানেক আগ থেকে শুরু করতে হয় এই প্রস্তুতি। এবারের এই ক্ষতি শুধু কৃষকের ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতি মাত্র নয়, গোটা দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তায় যে ধাক্কা লাগল, সেটির প্রভাব ঠিকই বাজারে এসে পড়বে কয়েক মাস পর।
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির পক্ষ থেকে নিম্নলিখিত দাবি জানানো হয়েছে—
১. হাওর অঞ্চলকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে আগামী ফসল না আসা পর্যন্ত প্রতিটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
২. আগামী অন্তত ৬ মাস রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করা দরকার।
৩. কৃষিঋণ-এনজিও-মহাজনী ঋণ আদায় আগামী ছয় মাসের জন্য স্থগিত ও সুদ মওকুফ করতে হবে।
৪. হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ধান চাষিদের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ শস্যবিমা চালু করতে হবে।
৫. আগামী বছরের ফসল, মৎস্য ও গবাদি পালনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষি ঋণ প্রদান করতে হবে।
৬. পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) দূর্নীতি ও অনিয়মের হোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

এর আগে দূতাবাস জানিয়েছে, শুধু সন্তানের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য ভিসা ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়। কনস্যুলার কর্মকর্তা যদি মনে করেন- এটিই আপনার ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য, তাহলে তিনি আপনার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
বিগত কয়েক মাসের অস্থিরতা কাটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ ভিসা পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ও দিল্লি। উভয় দেশ এখন পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ক্যা
৩ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য। তথ্যের স্বাধীনতা যেমন আমাদের কাম্য, তেমনি অপতথ্য রোধ করে ‘ক্লিন ইনফরমেশন’ বা পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
৪ ঘণ্টা আগে