
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক সপ্তাহ পর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। বুধবার সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু হয়। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালের ফটকে অপেক্ষারত রোগীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। যাদের লম্বা সময় সেবার প্রয়োজন আছে, তাদেরও এই মুহূর্তে জরুরি সেবা নিয়ে চলে যেতে হবে।
সকালে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জানে আলম বলেন, আজ জরুরি বিভাগের সেবা চালু হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার পরে কারও বাড়তি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেটা আপাতত দেওয়া হবে না। মাত্র হাসপাতাল খুলেছে। প্রথমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হবে। চিকিৎসকদের সংখ্যা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।
বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে হাসপাতালে প্রায় শতাধিক রোগীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। তারা সকাল থেকে হাসপাতালে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এসব রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের বেশির ভাগ নতুন রোগী। কেউ কেউ ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
গাইবান্ধা থেকে আসা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে একবার চোখের সমস্যা নিয়ে এখান থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। সম্প্রতি চোখের যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় আজ আবার চিকিৎসার জন্য এসেছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে ঈদ, তবুও আসতে বাধ্য হয়েছি। চোখের যন্ত্রণায় আর থাকতে পারছিলাম না। এই হাসপাতাল থেকে যে ওষুধ দেওয়া হয়, সেটা চোখের জন্য ভালো কাজ করে।
আরেক রোগী ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ভোলা থেকে এসেছেন। গত শনিবার হাসপাতালে এসে দেখতে পান, সব সেবা বন্ধ। এরপর থেকে প্রতিদিন সকালে এসে চিকিৎসা চালু হয়েছে কি না দেখে যেতেন। আজ বুধবার এসে দেখতে পান, ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে।
ইসমাইল হোসেন বলেন, এ কদিন ঢাকায় এক আত্মীয়ের মেসে ছিলাম। অনেক দূর থেকে এসেছি। চিকিৎসা ছাড়া চলে গেলে আবার আসতে হবে। তাই এতদিন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করেছি।
গত বুধবার চিকিৎসক-কর্মচারীদের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীদের মারামারি-সংঘর্ষের পর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফরসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও হাসপাতালের কয়েকজন কর্মকর্তা আহতদের সঙ্গে সভা করেন। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনা শেষে আবু জাফর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জরুরি বিভাগসহ সীমিত আকারে অন্য সেবা চালু করার ব্যাপারে কথা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করবে। পরে মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, বুধবার থেকে হাসপাতালের জরুরি সেবা চালু হবে।

এক সপ্তাহ পর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। বুধবার সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু হয়। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালের ফটকে অপেক্ষারত রোগীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। যাদের লম্বা সময় সেবার প্রয়োজন আছে, তাদেরও এই মুহূর্তে জরুরি সেবা নিয়ে চলে যেতে হবে।
সকালে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জানে আলম বলেন, আজ জরুরি বিভাগের সেবা চালু হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার পরে কারও বাড়তি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেটা আপাতত দেওয়া হবে না। মাত্র হাসপাতাল খুলেছে। প্রথমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হবে। চিকিৎসকদের সংখ্যা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।
বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে হাসপাতালে প্রায় শতাধিক রোগীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। তারা সকাল থেকে হাসপাতালে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এসব রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের বেশির ভাগ নতুন রোগী। কেউ কেউ ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
গাইবান্ধা থেকে আসা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে একবার চোখের সমস্যা নিয়ে এখান থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। সম্প্রতি চোখের যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় আজ আবার চিকিৎসার জন্য এসেছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে ঈদ, তবুও আসতে বাধ্য হয়েছি। চোখের যন্ত্রণায় আর থাকতে পারছিলাম না। এই হাসপাতাল থেকে যে ওষুধ দেওয়া হয়, সেটা চোখের জন্য ভালো কাজ করে।
আরেক রোগী ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ভোলা থেকে এসেছেন। গত শনিবার হাসপাতালে এসে দেখতে পান, সব সেবা বন্ধ। এরপর থেকে প্রতিদিন সকালে এসে চিকিৎসা চালু হয়েছে কি না দেখে যেতেন। আজ বুধবার এসে দেখতে পান, ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে।
ইসমাইল হোসেন বলেন, এ কদিন ঢাকায় এক আত্মীয়ের মেসে ছিলাম। অনেক দূর থেকে এসেছি। চিকিৎসা ছাড়া চলে গেলে আবার আসতে হবে। তাই এতদিন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করেছি।
গত বুধবার চিকিৎসক-কর্মচারীদের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীদের মারামারি-সংঘর্ষের পর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফরসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও হাসপাতালের কয়েকজন কর্মকর্তা আহতদের সঙ্গে সভা করেন। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনা শেষে আবু জাফর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জরুরি বিভাগসহ সীমিত আকারে অন্য সেবা চালু করার ব্যাপারে কথা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করবে। পরে মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, বুধবার থেকে হাসপাতালের জরুরি সেবা চালু হবে।

আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, থাইল্যান্ড, নাইজেরিয়া ও চীনের নাগরিক রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সন্ধ্যা ৭টার পর এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় ৪৫ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সিটিজেন অ্যাগেইনস্ট করাপশন এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
২০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ার পর সংসদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের কাজের ধরন, সময় আর প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো নিয়ে এক ধরনের অস্পষ্টতা ও আইনি জটিলতার প্রশ্ন সামনে আসছে।
১ দিন আগে