
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ধর্ম মন্ত্রণালয় হজে গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিবন্ধন চলবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বর্ধিত সময়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। একইসঙ্গে, হজ প্যাকেজের পুরো অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধনও করা যাবে। নিবন্ধন-সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, হজ এজেন্সি এবং হজযাত্রীদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে, সুস্থ হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বর্ধিত সময়ের পর আর কোনো সময় বৃদ্ধি করা হবে না।
এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর হজ নিবন্ধনের পূর্ব নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় মন্ত্রণালয় জানায়, হজ নিবন্ধনের চূড়ান্ত সময় শেষ হলেও প্রায় ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা ছিল। সৌদি সরকারের আল্টিমেটামের কারণে আর সময় বাড়ানো সম্ভব হয়নি।
হজ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন মৌসুমে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের জন্য কোটা বরাদ্দ ছিল, যার মধ্যে রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত ৬২ হাজার ২১২ জন হজযাত্রী চূড়ান্ত নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া, প্রায় ৮ হাজার হজযাত্রী ব্যাংকে ভাউচার জমা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে, মোট ৭০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এর ফলে, এক দফা সময় বাড়িয়েও প্রায় ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা রয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে হজে যাওয়ার জন্য সরকার দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সাশ্রয়ী প্যাকেজ অনুযায়ী খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ২৪২ টাকা, আর অন্য প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা। এই প্যাকেজে বিমান ভাড়া কমিয়ে ২৭ হাজার টাকা কমানো হয়েছে, তবে খাবারের খরচ (৪০ হাজার টাকা) এবং কোরবানির জন্য ৭৫০ সৌদি রিয়াল আলাদাভাবে নেওয়া হবে। গত বছর এসব খরচ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সরকারি প্যাকেজের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি হজ এজেন্সি মালিকরাও একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং তারা বিমান ভাড়া কমানোর দাবিও জানিয়েছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয় হজে গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিবন্ধন চলবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বর্ধিত সময়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। একইসঙ্গে, হজ প্যাকেজের পুরো অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধনও করা যাবে। নিবন্ধন-সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, হজ এজেন্সি এবং হজযাত্রীদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে, সুস্থ হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বর্ধিত সময়ের পর আর কোনো সময় বৃদ্ধি করা হবে না।
এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর হজ নিবন্ধনের পূর্ব নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় মন্ত্রণালয় জানায়, হজ নিবন্ধনের চূড়ান্ত সময় শেষ হলেও প্রায় ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা ছিল। সৌদি সরকারের আল্টিমেটামের কারণে আর সময় বাড়ানো সম্ভব হয়নি।
হজ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন মৌসুমে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের জন্য কোটা বরাদ্দ ছিল, যার মধ্যে রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত ৬২ হাজার ২১২ জন হজযাত্রী চূড়ান্ত নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া, প্রায় ৮ হাজার হজযাত্রী ব্যাংকে ভাউচার জমা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে, মোট ৭০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এর ফলে, এক দফা সময় বাড়িয়েও প্রায় ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা রয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে হজে যাওয়ার জন্য সরকার দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সাশ্রয়ী প্যাকেজ অনুযায়ী খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ২৪২ টাকা, আর অন্য প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা। এই প্যাকেজে বিমান ভাড়া কমিয়ে ২৭ হাজার টাকা কমানো হয়েছে, তবে খাবারের খরচ (৪০ হাজার টাকা) এবং কোরবানির জন্য ৭৫০ সৌদি রিয়াল আলাদাভাবে নেওয়া হবে। গত বছর এসব খরচ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সরকারি প্যাকেজের সঙ্গে সমন্বয় করে বেসরকারি হজ এজেন্সি মালিকরাও একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং তারা বিমান ভাড়া কমানোর দাবিও জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
১ দিন আগে
জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই— চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হ
১ দিন আগে
সব অনিশ্চয়তাকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হলো সেই ভোট। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ভোট গ্রহণ। এখন ভোট গণনার অপেক্ষা, অপেক্ষা জনরায়ে কারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলো তা জানার।
১ দিন আগে
সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১ দিন আগে